ওজন কমাতে সাহায্য করবে গুড়ের জুস! কেন খেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা, কীভাবে বানাবেন জেনে নিন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীত মানেই তো বাতাস জুড়ে নলেন গুড়, পাটালি গুড়, আখের রসের গুড়ের গন্ধ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন মিষ্টি থাকলেও চিনির থেকে কয়েকগুণ বেশি উপকারী গুড়। এমনকি নিয়মিত খেলে নানা উপকারও পাওয়া যায় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শীতে প্রাকৃতিক ভাবে শরীর উষ্ণ ও সুস্থ রাখে গুড়। এমনকি চায়ে চিনির বদলে গুড় দিয়ে খেতে বলছেন ডাক্তাররা।

কিন্তু কেন

কারণ গুড়ের মধ্যে রয়েছে আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়াও

১. সর্দিকাশির হাত থেকে রেহাই পেতে সাহায্য করে

শীতে হঠাৎ ঠান্ডা লেগে সর্দিকাশি, জ্বরের সমস্যায় ভোগেন বহু মানুষ। গুড়ের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি। যা শুধু ইমিউনিটি বুস্ট করে না। এমনকি সার্বিকভাবে শরীর সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। ঠান্ডা লাগার ধাচ যাঁদের আছে, তাঁরা নিয়মিত গরম জলে গুড় মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

২. গাটের স্বাস্থ্য ভাল রাখে

সকালবেলায় খালি পেটে গুড়ের জুস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা, হজমের সমস্যা দূর হয়। শরীরের যাবতীয় টক্সিন বের করে দিতেও সাহায্য করে এই জুস।

৩. প্রাকৃতিকভাবে শরীর উষ্ণ রাখে

গুড় মেটাবলিজম বুস্ট করে। যা সারাদিন পরিশ্রম করার এনার্জি দেয়। তাছাড়াও শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। ফলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই উষ্ণ ও সুস্থ থাকে।

৪. ইমিউনিটি বুস্ট করতে সাহায্য করে

অনেকের মতে, গুড়ের মধ্যে মিনারেলস এবং ভিটামিন সি থাকায়, গরম জলে গুড় মিশিয়ে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। যদিও এর কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখনও কেউ দিতে পারেননি। তবুও স্ট্রেস কমাতে যে গুড় ভীষণ সাহায্য করে তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই পাওয়া গেছে।

৫. ওজন কমাতে সাহায্য করে

গুড়ের মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম। যা শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে।যা শরীরে জল ধরে রাখতে সাহায্য করে। ঠিক এভাবেই ওজন বাড়তে দেয় না এই জুস।

কীভাবে বানাবেন এই জুস

এই জুস বানানোর জন্য প্রয়োজন যেকোনও ধরনের গুড়ের গুঁড়ো এবং গরম জল। স্বাদ পরিবর্তন করতে চাইলে এই জুসের মধ্যে লেবুর রসও মেশাতে পারেন। এতে ভিটামিন সির পরিমাণ বেড়ে যায়। সকালবেলায় খালি পেটে এই জুস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সতর্কতা

চিনির থেকে গুড় কয়েকগুণ বেশি উপকারী হলেও, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডায়াবেটিক রোগীদের এটা খাওয়া উচিত নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More