পুরুষদের স্তন ক্যানসার হয়? ই-সিগারেটে বুঝি তেমন ঝুঁকি নেই! ক্যানসার নিয়ে সঠিক তথ্য জানুন, ভাঙুন নানা মিথ

তিয়াষ মুখোপাধ্যায়

দিন কয়েক আগেই পেরিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্যানসার দিবস। সারা বিশ্বের অন্যতম এক মহামারী ক্যানসারের বিরুদ্ধে মানুষের সচেতনতা ও লড়াইয়ের তাৎপর্য বহন করে বিশেষ দিনটি। তবে শুধু একটি দিনে নয়, এ কথা বলাই বাহুল্য, ক্যানসার নিয়ে চর্চা ও লড়াই দরকার প্রতিটি দিনই। তবেই একটা ক্যানসার-মুক্ত পৃথিবী গড়া সম্ভব হবে সকলে মিলে।

তবে এই লড়াইকে খানিকটা হলেও যেন পিছিয়ে দেয়, ক্যানসার নিয়েই গড়ে ওঠা নানা মিথ্যা ও ভুল ধারণা। কিছুকিছু ধারণা তো দীর্ঘদিন ধরে চর্চিত হতে হতে মিথের পর্যায়ে চলে গেছে। এবং তা মানুষের মনের এতই গভীরে গেঁথে গিয়েছে, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে তাঁর সচেতনতাকে আরও দৃঢ় ও পোক্ত করার বদলে যেন দুর্বল করে দিচ্ছে।

A Battle That Touches Us All: Breast Cancer Awareness Month 2019 | GVEC

বিশ্ব ক্যানসার দিবসকে সর্বাঙ্গ ভাবে সফল ও সুন্দর করে তুলতে তাই সবার আগে এসব মিথ ভাঙা উচিত বলে মনে করেন ডক্টর শুভদীপ চক্রবর্তী, কনসালট্যান্ট সার্জিক্যাল অঙ্কোলজিস্ট। তাঁর মতে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই তখনই সম্ভব, যখন তাতে রোগীর সঙ্গে সমাজ, পরিবার, পারিপার্শ্বিক মানুষজন— সকলে অংশগ্রহণ করবে। আক্রান্ত ব্যক্তির একার লড়াই এটা নয়। সে লড়াইয়ের প্রথম ধাপ, সঠিক তথ্য জানুন। সকলে।

আলোচনা করা যাক, ক্যানসার নিয়ে আবর্তিত মিথগুলি এবং তার পেছনে লুকিয়ে থাকা সত্যিগুলি নিয়ে।

১. বায়প্সি করলে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে

এই ধারণার উৎস হল, চিকিৎসক বায়প্সি করার নির্দেশ দিলেই এটা ধরে নেওয়া, যে ক্যানসারই হয়েছে। আসলে তা নয়। ক্যানসারের আশঙ্কা করা ছাড়াও বায়প্সির আরও কারণ থাকতে পারে। সাধারণত কোনও ঘা অথবা টিউমার বা অন্য কোনও অস্বাভাবিকতা কী কারণে ঘটেছে তা ধরতে না পারলে, তখনই চিকিৎসকেরা বায়প্সি করতে বলেন। কোনও গ্ল্যান্ড ফোলা, চামড়ার কোনও বারবার ফিরে আসা সমস্যা, জিভের ঘা, স্তনের টিউমার—এই সব। এর কোনওটার যদি বায়প্সি করা হয় তাহলেই যে সেটা ক্যানসার তা নয়, আর যদি হয়েও থাকে, তবে তা যে বায়প্সি করলেই ছড়াবে তাও নয়।

Biopsy: Types and How and Why They're Done

এখন বায়প্সি করার পরে যদি ক্যানসার নির্ণীত হয় এবং তা চিকিৎসা না করিয়ে ফেলে রাখা হয়, তবে তা ক্যানসারের নিয়মেই ছড়াবে। বায়প্সির দোষে নয়। কিন্তু যেহেতু বায়প্সি করার পরে তবে ক্যানসার নিশ্চিত হওয়া যায় এবং তার পরে জানা যায় ছড়িয়ে পড়ার কথা, তাই অনেকের মধ্যে যেন ধারণা থাকে, বায়প্সি করলে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে। এমনটা সত্য নয়।

তবে হ্যাঁ, বায়প্সি করার পদ্ধতি যদি ভুল হয়, তাহলে তা পরবর্তীকালে ক্যানসার রোগীর ক্ষতির কারণ হতে পারে। অনেক সময়ে দেখা যায় পরিকল্পনাহীন বায়প্সির কারণে পরবর্তী কালের অস্ত্রোপচার বা রেডিয়েশন সমস্যার মুখে পড়ে। বিশেষ করে যে সব ক্যানসারে অঙ্গহানি হওয়ার ঝুঁকি থাকে, সে সব ক্যানসারে যদি ভুলভাবে বায়প্সি করা হয়, তবে অঙ্গ বাঁচানো মুশকিল হয়।

২. পরিবারে কারও স্তন ক্যানসার থাকলে সে বাড়ির মেয়েরও স্তন ক্যানসার হবে

পরিবারে কারও ব্রেস্ট ক্যানসার থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের মেয়ের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এ কথা ঠিক। বিআরসিএ জিনটি পূর্বনারী থেকে পরবর্তী প্রজন্মে প্রবাহিত হলে সে ঝুঁকি বাড়ে। তবে কারও ব্রেস্ট ক্যানসার থাকলে যে তার মেয়ের হবেই, এমনটা একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা। কারণ পরিসংখ্যান বলছে, জেনেটিক্যালি ব্রেস্ট ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা ৫ থেকে ১০ শতাংশ মাত্র।

How to Be an Advocate During Breast Cancer Awareness Month

তার চেয়ে বরং, এখন মহিলাদের মধ্যে স্তন ক্যানসার যে ভাবে বাড়ছে, তাতে পরিবারের কারও থেকে থাকলে তিনি একটু বেশি সতর্ক থাকতে পারবেন, যা অন্যরা হয়তো অতটাও পারবেন না। এই সতর্কতা তাঁকে ক্যানসার এড়াতে সাহায্য করবে। নির্দিষ্ট বয়সের পর থেকে নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করা সকলেরই দরকার। কিন্তু যাঁর পারিবারিক হিস্ট্রি রয়েছে, তিনি আবশ্যিক ভাবে এই পরীক্ষা আরও গুরুত্ব দিয়ে করবেন। শুধু তাই নয়, বিআরসিএ জিনের পরীক্ষা করিয়ে নিয়েও জানা সম্ভব, ক্যানসারের ঝুঁকি রয়েছে কি না। যদি থাকে, তাহলে তার আগাম অস্ত্রোপচার করাও সম্ভব। অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ম্যাস্টেক্টমির কথা এখন সারা পৃথিবী জানে।

আরও পড়ুন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পথে মেদিনীপুরের মৌসুমী, ব্রেস্ট সার্জারির বেনজির সাফল্য কলকাতায়

ফলে চল্লিশ বছর আগে পর্যন্ত পরিবারে কারও যদি স্তন ক্যানসার থাকে, তাহলে সে পরিবারের মেয়েদের অন্তত ৩০ বছর বয়স থেকে সচেতন হওয়া উচিত, পরীক্ষা করা উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Signs of Inflammatory Breast Cancer

বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষের মনে যে ধারণা থাকে, কোনও পরিবারে কারও স্তন ক্যানসার থাকলে সে বাড়ির মেয়েরও ক্যানসার হবে, এমনকি কোথাও কোথাও বিয়ে নিয়েও সমস্যা হয়—এমনটা মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়। এছাড়াও অনেকে মনে করেন, ব্রেস্ট ক্যানসার হওয়া মানে মৃত্যুর পরোয়ানা লেখা হয়ে গেল। এমনটা মোটেও না। বরং স্টেজ ওয়ান বা টু-তে ধরা পড়লে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই রোগী বেঁচে যান।

৩. ব্রেস্টে লাম্প মানেই ক্যানসার

যে সমস্ত মহিলা সেল্ফ ব্রেস্ট এক্সামিনেশন করেন অর্থাৎ নিজেরা নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখেন স্তনে কোনও টিউমার বা অস্বাভাবিকতা রয়েছে কিনা, তাঁদের মধ্যে একটা বড় অংশের মহিলা ভয়ানক দুশ্চিন্তা নিয়ে ডাক্তারবাবুর কাছে আসেন। কারণ তাঁর স্তনে লাম্প রয়েছে বলে বুঝেছেন তিনি। কিন্তু তথ্য বলছে দশ জন মহিলার বুকের লাম্পের মধ্যে ন’জনের ক্ষেত্রেই ক্যানসার ধরা পড়ে না। এমনিই সাধারণ কোনও টিউমার পাওয়া যায়, যা অস্ত্রোপচারে বা ওষুধে সেরে যায়।

আরও পড়ুন: স্তন ক্যানসার নিয়ে অযথা আতঙ্ক নয়, চিকিৎসার চেয়েও জরুরি সচেতনতা

BREAST LUMP- BREAST CANCER SURGERY in Aligarh -Skin Hair Expert

ফলে বুকে লাম্প মানেই যে ক্যানসার হয়েছে, এই আশঙ্কা একেবারেই ভ্রান্ত। সবার আগে জরুরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো। ভয় পাওয়ার কোনও অবকাশ নেই।

৪. ছেলেদের ব্রেস্ট ক্যানসার হয় না

ছেলেদের ব্রেস্ট ক্যানসার অবশ্যই হতে পারে। হ্যাঁ, সংখ্যাটা মহিলাদের তুলনায় অনেক কম। তথ্য বলছে, ১১২৮ জন পুরুষের মধ্যে একজনের ব্রেস্ট ক্যানসার হতে পারে। তবে ভয়ের বিষয় হল, ছেলেদের ক্ষেত্রে ব্রেস্ট ক্যানসার অনেক বেশি আগ্রাসী, ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক দ্রুত ছড়িয়েও পড়ে পুরুষদের ব্রেস্ট ক্যানসার। তাই কোনও পুরুষ যদি কোনও অস্বস্তি বোঝেন, তাহলে লজ্জা পাবেন না। ডাক্তার দেখান, চিকিৎসা করান।

Breast Cancer — Men Get It Too | Imaging Technology News

৫. ধূমপান শুধু ফুসফুসের ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়ায়

ধূমপানের ফলে ফুসফুসে সরাসরি তামাক জমে যে বড় ক্ষতি হয়, সে কথা তো সকলেই জানেন। তবে এতে শুধু যে ফুসফুসেরই ক্ষতি হয়, একথা একেবারেই সত্যি নয়। শুধু সিগারেটের কথাই যদি ধরা হয়, তাহলে তাতে সাত হাজারটা নানা রকম রাসায়নিক আছে। তার মধ্যে ৭২টা সাংঘাতিক ভাবে কার্সিনোজেনিক। এর প্রভাবে যে ক্ষতি, তাতে ফুসফুসের পরেই আক্রান্ত হয় ঠোঁট, জিভ, গাল, মাড়ি, নাক, গলা, থাইরয়েড।

How Smoking Affects Your Lungs? - 1mg Capsules

সিগারেট খেলে ওরাল ক্যানসার থেকে শুরু করে গলার ক্যানসার, চেস্টের ক্যানসার, প্যানক্রিয়াসের ক্যানসার এমনকি রেক্টাল ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। আর যদি ধরেও নেওয়া হয় যে ক্যানসার হল না, তাহলে অসংখ্য ক্রনিক ডিজিজ হতে পারে। ইনফার্টিলিটি, স্ট্রোক, রক্তচাপ, হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন: তামাকে কোনও লাভ নেই, সবটাই ক্ষতি! হু হু করে বাড়ছে মুখ ও গলার ক্যানসার

ফলে ধূমপান করলে ফুসফুস ছাড়া বাকি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যে নিরাপদ, এমনটা ধরে নেওয়ার কোনও কারণই নেই।

৬. গুটখায় ওরাল ক্যানসার হয়, পানমশলায় হয় না

এটিও একটি ভ্রান্ত ধারণা। ওরাল ক্যানসারের জন্য অনেক কারণই দায়ী, পানমশলা সেই তালিকার বাইরে নয়। বাজারে যে সব পানমশলা কিনতে পাওয়া যায়, সেখানে এমন কিছু রাসায়নিক থাকে, যা ওরাল ক্যানসারের বড় কারণ হতে পারে।

Artificial intelligence used to predict oral cancer survival chances

শুধু তাই নয়, পান বা সুপুরি সারাক্ষণ মুখে রাখাও অতি খারাপ অভ্যাস। অনেকে বলেন, আমাদের মা-দিদিমারা খেয়েছেন, কিছুই হয়নি তাঁদের, আমার কেন হবে। এটার কোনও উত্তর হয় না। কে কোন সময়ে কতটা সেনসিটিভ হবেন ক্যানসারের জন্য, সেটা আগে থেকে বোঝা যায় না। সুপুরি নিয়মিত মুখে থাকায় যে ক্ষত তৈরি হচ্ছে, তা ক্যানসারে পরিণত হবে কি হবে না, তার কোনও অঙ্ক নেই। কারও হয়নি মানে তিনি বেঁচে গেছেন। সকলে নাও বাঁচতে পারেন।

৭. ই-সিগারেটে ক্যানসার হয় না

এই ধরনের বিশেষ সিগারেটের ভেতরে নিকোটিনের সঙ্গে প্রোপাইলিন গ্লাইকল অথবা ভেজিটেবল গ্লিসারিন এবং সুগন্ধী মেশানো থাকে। সিগারেটের মতো দেখতে এই যন্ত্রের ভিতরের সেই তরল নিকোটিন ব্যাটারির মাধ্যমে গরম হয়ে বাষ্পে পরিণত হয়। যা টেনে নেন ধূমপায়ী। সিগারেটের পোড়া তামাকে থাকা অনেক বিষাক্ত রাসায়নিকের তুলনায় এই নিকোটিন হয়তো তুলনামূলক ভাবে কম ক্ষতি করে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, এটি পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত। ই-সিগারেটের ভেতরে থাকা তরল পদার্থ এবং ধোঁয়া এমন সব ক্ষতিকর রাসায়নিক বহন করতে পারে, যা সাধারণ সিগারেটের ভেতরেও থাকে। তবে এর মাত্রা হয়তো কম।

Vaping (e-Cigarette, Marijuana): Side Effects, Risks & Lung Conditions

ফলে ই-সিগারেট যে কোনও ঝুঁকি ছাড়া যথেচ্ছ খাওয়া যেতে পারে, সে কথা একেবারেই সত্যি নয়। ই-সিগারেটেও ক্যানসারের ঝুঁকি রয়েছে।

৮. হুক্কা থেকে ক্যানসার হয় না

সত্যিটা হল, হুক্কার নেশা সিগারেটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর। অনেকেই বাড়িতে বা কোনও হুক্কা বারে গিয়ে হুক্কার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকেন। কিন্তু তাঁরা নিজের অজান্তেই ডেকে আনেন অনেক বড় ক্ষতি। আসলে হুক্কার ধোঁয়া সিগারেটের ধোঁয়ার চেয়ে বেশি ঘন হয়, যা অতি সহজে ফুসফুসের উপর মোটা পরত ফেলে দেয়। হুক্কার ভিতরে কয়লার সাহায্যে তামাক জ্বালানো হয়। তার ধোঁয়ায় নানারকমের রাসায়নিক ছাড়াও ক্ষতিকারক কার্বন মনোক্সাইড থাকে। ভরপুর নিকোটিনের পাশাপাশি এই গ্যাসও কম ক্ষতি করে না এবং ক্যানসারের ঝুঁকিও যথেষ্টই বহন করে।

শুধু তাই নয়, হুক্কার ধোঁয়ায় নিকেল, আর্সেনিক—এসব ক্ষতিকর পদার্থও অতিরিক্ত মাত্রায় থাকে। শুধু তাই নয়, একটি সাধারণ সিগারেটে যেখানে ১৯-২০ বার ধোঁয়া টানা যায়। সেখানে একটা হুক্কায় ২০০ বার পর্যন্ত ধোঁয়া টানা যায়।

Instagram documents rising hookah use, according to USC study | Keck School of Medicine of USC

অনেকে মনে করেন, যেহেতু হুক্কার তামাকের ধোঁয়া জলে পরিশ্রুত ,হয় তাই এর ক্ষতিকারক প্রভাব অনেক কম। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। বরং একটি গবেষণা বলছে, যাঁরা সিগারেট খান তাঁদের তুলনায়, যাঁরা হুক্কা খান তাঁদের মূত্রে নিকোটিনের পরিমান কয়েক গুণ বেশি থাকে। ফলে হুক্কা নিয়মিত খেলে যে ক্যানসারের সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়, সে কথা অনস্বীকার্য।

৯. ক্যানসার ছোঁয়াচে অসুখ

এখনও বহু গ্রাম্য অঞ্চলে শোনা যায়, ক্যানসারের কারণে কোনও রোগীকে বা পরিবারকে একঘরে করে রাখা হয়েছে। কারণ সে সব মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে, ক্যানসার ছোঁয়াচে রোগ। এটা একেবারেই সত্যি নয়। ক্যানসারের পেছনে খানিকটা জেনেটিক কারণ রয়েছে, তবে স্পর্শে এ অসুখ কোনও ভাবেই ছড়ায় না। এ অসুখ ছড়ায় রোগীর শরীরের ভেতরে, এক অঙ্গ থেকে অন্য অঙ্গে। এক পরিবারের একাধিক সদস্যের ক্যানসার হওয়া মানেও তা কখনওই স্পর্শজনিত কারণে হয়নি। হয়েছে বংশগতির সম্ভাব্য কারণে।

7 Ways To Show Your Support For Breast Cancer Awareness Month This October | Medelita

১০. ক্যানসারের রোগীরা কোভিডের ভ্যাকসিন নিতে পারবেন না

অবশ্যই পারবেন, তবে নির্দিষ্ট কিছু গাইডলাইন মেনে। ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের গাইডলাইন বলছে, যদি কার্সিনোজেনিক সলিড টিউমার থাকে রোগীর, তিনি ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। তবে তাঁর কোনও অস্ত্রোপচার হলে সেই অস্ত্রোপচার এবং ভ্যাকসিন নেওয়ার মধ্যে অন্তত ১৪ দিন ফারাক থাকতে হবে।

তবে যদি কোনও ক্যানসার রোগীর বোনম্যারো প্রতিস্থাপন হয়, তাঁকে তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য। আবার যাঁরা কেমোথেরাপি নিচ্ছেন, তাঁরাও ভ্যাকসিন নিতে পারবেন।

What cancer patients need to know about potential COVID-19 vaccine side effects | CTCA

ফলে যে রোগী যে চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাঁর পরামর্শ ও মতামত নিয়ে যে কোনও ক্যানসার রোগীই করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারবেন গাইডলাইন মেনে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More