রণক্ষেত্র শীতলকুচি, গুলিবিদ্ধ ১৯ বছরের তরুণের মৃত্যু, ভোটের পরেও হিংসা থামছে না

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট গ্রহণের দিন থেকেই উত্তপ্ত কোচবিহারের শীতলকুচি বিধানসভা এলাকা। ভোটের পরেও কাটেনি অশান্তির রেশ। গতকাল ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই অল্পবিস্তর অশান্তির খবর আসছিল বহু আলোচিত এই কেন্দ্র থেকে। এদিন শাসক বিরোধী সেই সংঘর্ষেই ফের রক্ত ঝরল শীতলকুচিতে।

সোমবার সকাল থেকেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল শীতলকুচি। বেলার দিকে সেই সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন এক যুবক। জানা গেছে মৃতের নাম মানিক মৈত্র। তিনি শীতলকুচি ছোটো শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সর্বেশ্বর গ্রামের বাসিন্দা। গোলাগুলির শব্দ শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে তাঁর পেটে গুলি লাগে বলে খবর।

এরপর তড়িঘড়ি বছর ১৯-এর ওই যুবককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীনই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। গোটা ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে আঙুল তুলেছেন স্থানীয় বিজেপি সমর্থকরা।

যদিও এ ব্যাপারে মৃতের পরিবারের তরফে কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়নি। যুবকের কাকা দাবি করেছেন তাঁর ভাইপো কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিলেন না। কে বা কারা গুলি চালিয়েছে তাও তিনি দেখেননি। তবে এলাকায় বিস্তর গন্ডগোল চলছিল বলেই দাবি করেছেন তিনি। এমনকি এখনও তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত রয়েছে শীতলকুচি এলাকা।

এদিন সকাল থেকেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। গোলাগুলিও চলেছে মুড়ি-মুড়কির মতো। শীতলকুচি বিধানসভায় এবার জিতেছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ আসনের মতো শীতলকুচিতেও দেখা গেছে গেরুয়া আধিপত্য। আর তার জেরেই শাসকদলের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে বিজেপি কর্মীদের।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More