শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৬

ময়নাগুড়িতে মোদীর সভার প্রচারে গেলেও বাধা আসছে, অভিযোগ মুকুলের

 দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি :  শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে সভা করেছেন নরেন্দ্র মোদী। সে সভার ম্যানেজমেন্ট প্রায় একা হাতে সামলেছেন তিনি। সপ্তাহ ঘোরার আগেই এ বার সভা ময়নাগুড়িতে। শুক্রবার। তাই একদিন আগেই সে সভার ব্যাটনও নিজের হাতে তুলে নিলেন মুকুল রায়। বুধবার থেকেই ঘাঁটি গাড়লেন জলপাইগুড়িতে।

ঠাকুরনগর ও দুর্গাপুরে মোদীর সভা বানচাল করতে প্রশাসনের মদতে তৃণমূল উঠেপড়ে লেগেছিল বলে অভিযোগ করেছিল বিজেপি। ময়নাগুড়িও তার ব্যতিক্রম নয় বলেই বিজেপি নেতৃত্বের দাবি। আজ জলপাইগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে সেই অভিযোগেই সরব হলেন মুকুল রায়। প্রশ্ন তুললেন, “প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রচার করতে গেলেই আমাদের নানাভাবে বাধা দিচ্ছে তৃণমুল। দেখেও দেখছে না প্রশাসন। প্রশাসনের চোখে কি ন্যাবা হয়েছে? ”

৮ ফেব্রুয়ারি ময়নাগুড়ি চূড়াভাণ্ডারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে মঙ্গলবার বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন মুকুল।

তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রচারের জন্য ফ্ল্যাগ ফেস্টুন ছিঁড়ে দিচ্ছে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে হোর্ডিং। অথচ প্রশাসন নির্বিকার। জলপাইগুড়ি সাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মন অবশ্য তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। এ সব ভিত্তিহীন অভিযোগ।”

মুকুল রায়ের অভিযোগ নিয়ে জলপাইগুড়ি এসপি অমিতাভ মাইতিকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে এই ধরণের কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। সব ভিত্তিহীন অভিযোগ।”

৮ তারিখ চূড়াভাণ্ডারে দলীয় সভার পাশাপাশি সরকারি অনুষ্ঠানও করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই উত্তরবঙ্গে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অধীনে কাজ শুরু হওয়া ফোর লেন রাস্তার উদ্বোধন করবেন। সরকারি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য দুটি আলাদা মঞ্চ করা হচ্ছে।

Shares

Comments are closed.