মহারাষ্ট্র থেকে আইসিস সন্দেহে ধৃত ৯, অভিযুক্ত টিন এজারও

দ্য ওয়াল ব্যুরো : উত্তরপ্রদেশের পর মহারাষ্ট্র। গত ডিসেম্বরে উত্তরপ্রদেশে অভিযান চালিয়ে ১০ আইসিস সমর্থককে গ্রেফতার করে এনআইএ। গত সোমবার গভীর রাতে ও মঙ্গলবার ভোরে মহারাষ্ট্রে ধরা পড়ল আইসিসের আরও নয় সমর্থক। মুমব্রা, থানে ও আওরঙ্গাবাদ অঞ্চলে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশের অ্যান্টি টেরর স্কোয়াড। ধৃতদের একজনের বয়স ১৭ বছর।

এখনও ওই জঙ্গি সংগঠনের কয়েকটি স্লিপার সেল রাজ্যে রয়ে গিয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তারা প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। অ্যান্টি টেরর স্কোয়াড জানিয়েছে, নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পেয়ে ন’জনের ওপরে নজর রাখা হচ্ছিল। কয়েক সপ্তাহ নজর রাখার পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছে কয়েক রকমের রাসায়নিক, বিস্ফোরক, মোবাইল ফোন, হার্ড ড্রাইভ, সিম কার্ড, অ্যাসিডের বোতল এবং ছুরি পাওয়া গিয়েছে।

পুলিশ ধৃতদের নাম বলেনি। তবে জানিয়েছে, আওরঙ্গাবাদের কাইজার কলোনি থেকে দু’জন গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বয়স ২০ থেকে ২৫-এর মধ্যে। আওরঙ্গাবাদের দামাদি মহল থেকে গ্রেফতার হয় ৩৫ বছরের আর এক ব্যক্তি। রাহাত কলোনি থেকে আর এক ২৫ বছরের যুবককে গ্রেফতার করা হয়। মুম্ব্রার আমরুতনগর থেকে গ্রেফতার হয় এক জন। মুমব্রার অন্যান্য অঞ্চল থেকে আরও চারজন গ্রেফতার হয়। থানে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৭ বছরের কিশোরটিকে। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে ডিসেম্বরে উত্তরপ্রদেশে যে জঙ্গিদের ধরা হয়েছিল, তারা হরকত উল হারব ই ইসলাম নামে এক সংগঠনের সদস্য। ওই সংগঠনের সঙ্গে আইসিসের যোগাযোগ আছে। অভিযোগ, তারা রাজধানী দিল্লি ও তার আশপাশে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানোর চেষ্টায় ছিল। এনআইএ-র ইনস্পেক্টর জেনারেল অব পুলিশ অলোক মিত্তাল সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মুফতি মহম্মদ সুহেইল নামে এক ব্যক্তি ছিল ওই চক্রের পাণ্ডা। তাদের জেরা করে এন আই এ উত্তরপ্রদেশের ১৭ টি স্থানে হানা দেয়। পূর্ব দিল্লির জাফরাবাদ ও সিলামপুর, উত্তরপ্রদেশের লখনউ, আমরোহা, হাপুর এবং মিরাট জেলার কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চলে। তাতে ২৫ কেজি বিস্ফোরক, একটি দেশি রকেট লঞ্চার, ১২ টি পিস্তল ও ১২ টি ঘড়ি পাওয়া যায়। ঘড়িগুলি টাইমার হিসাবে কাজ করত।

মহারাষ্ট্রের এটিএস জানিয়েছে, ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে মুম্বইয়ে আবু জাইদ নামে এক ব্যক্তি ধরা পড়ে। সে এক আইসিস মডিউলের সদস্য ছিল। এদেশে হামলা চালানোর জন্য টাকা তুলতে সে গিয়েছিল বিদেশে। সৌদি আরব থেকে মুম্বইয়ে আসা মাত্রই সে গ্রেফতার হয়।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More