‘মানুষের ভাল করতে হলে রাজনীতিতে আসতে হয় না’, বিজেপিতে যোগদানের খবর উড়িয়ে দিয়ে জানালেন সোহিনী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘লাল নীল সবুজের মেলা বসেছে’ বলে একটা গান বাংলাতে বহুদিন ধরে প্রচলিত তবে এখন এই রঙের তালিকায় সামনের দিকে গেরুয়ার প্রাধান্য অনেকেটা বেড়ে গেছে। বিভিন্ন পেশার মানুষই আসছেন রাজনীতির ময়দানে খেলতে। তবে অভিনেতার নেতা হওয়ার হিড়িক বাংলাতে এখন চোখে পড়ার মতো।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার অনেক সেলেবরা করেছেন ফুলবদল, আবার অনেকে হাতে তুলেনিয়েছেন পদ্ম কিংবা জোড়াফুল। এবার সেই তালিকাতে নাম উঠেছে অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের। গতকাল তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন, কিন্তু সেই সঙ্গে বাজারে আরও একটি খবর ছড়ায় যে অভিনেত্রী সোহিনী সরকারও নাকি যোগদান করবেন বিজেপিতে।

এই প্রসঙ্গে সব জল্পনাকে হাওয়াতে উড়িয়ে সোহিনী জানান তাঁর বিজেপিতে যোগদানের কোনও সম্ভবনাই নেই। তিনি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে একটি ভিডিও করেন ও পুরো বিষয়টা পরিষ্কার করে জানান তাঁর ফ্যানেদের।

ভিডিওতে সকলকে শুভেচ্ছা জানান, তিনি নিজে অসুস্থ সে কথাও বলেন। আর বিজেপিতে যোগদানের প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে বলেন, “আমি পেশায় একজন অভিনেত্রী। অভিনয়টা করি, করার চেষ্টা করি আর তার জন্য কয়েকজন আমাকে একটু চেনেন। কিন্তু আমি একজন সাধারণ মানুষই। আমি নিজে বিশ্বাস করি যে মানুষের ভাল করতে গেলে রাজনীতিতে আসার দরকার পরে না, ওটা চাইলেই করা যায়। তবে আমি নিজেও রাজনীতি নিয়ে সচেতন, আমার নিজেরও মতামত আছে। আর তারওপর নির্ভর করেই আমি ভোট দিই।” এর পাশাপাশি জানান যে তিনি চাইলে রাজনীতি করতেই পারেন, কিন্তু যাঁরা মানুষের ভাল করার দোহাই দিয়ে রাজনীতিতে আসছেন সেটাকে তিনি সমর্থন করেন না। আর এই মুহূর্তে তিনি নিজেও রাজনীতিতে আসছেন না।

এই ভিডিওতেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে কোনও ভাবেই সোহিনী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না। শুধু এইটুকু নয়, এর সঙ্গে আরও বলেন যে, “কতদিন এই পেশায় থাকতে পারবো জানি না। কারণ এই দেশের রাজনৈতিক নেতা মন্ত্রীরা যা অভিনয় করছেন সেখানে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে আমরা খুব তুচ্ছ, কিছুই পারিনা অভিনয়ের। এবং তাঁরা যা স্ক্রিপ্ট ও বক্তব্য রাখছেন সেটা সিরিয়াল সিনেমাকে হার মানাবে।” তবে সব শেষে তাঁর গলায় শুনতে পাওয়া যায় মানুষের কথা, মানুষের যে নূন্যতম চাহিদা তার কথা। তিনি অন্নপূর্ণা ও ঈশ্বরীপাটনীর প্রসঙ্গ এনে সকলের সামনে বলেন, “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে” অর্থাৎ অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের দাবির কথায় শোনা গেল সোহিনীর গলায়।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More