অভিষেকের সঙ্গে অবিচার করলেন মমতা: তীব্র কটাক্ষ অধীরের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার বেলা গড়ানোর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুতল বাড়ি ‘শান্তিনিকেতনে’ পৌঁছে যান সিবিআই গোয়েন্দারা। তাঁরা পৌঁছনোর মাত্র দু’মিনিট আগে অভিষেকের বাড়িতে থেকে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিবিআই টিম পৌঁছনোর আগে সাকুল্যে ৯ মিনিট অভিষেকের বাড়িতে ছিলেন তিনি।

এ ব্যাপারে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তীক্ষ্ণ কটাক্ষ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অবিচার করলেন মমতা। পুলিশ কর্তা রাজীব কুমারের বাড়িতে যেদিন সিবিআই গিয়েছিল, টিভিতেই দেখেছি তাঁদের হেনস্তা করেছিল দিদির পুলিশ। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলায় ধর্ণায় বসেছিলেন। ভেবেছিলাম, আজও তিনি তেমনই করবেন। অভিষেকের বাড়িতে সিবিআই যাওয়া নিয়ে হয়তো ধর্ণায় বসে যাবেন হাজরা মোড়ে।”

এমনিতে সিবিআই ও ইডির সমালোচনায় কংগ্রেস, তৃণমূল, এনসিপি—এরা সকলেই এক পংক্তিতে রয়েছেন। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীকে সিবিআই নোটিস ধরানোর প্রশ্নে কংগ্রেসকে পাশে পায়নি তৃণমূল। দিল্লি কংগ্রেসকে পায়নি, বাংলা কংগ্রেসকে তো নয়ই।

উল্টে অধীর চৌধুরীরা ধারাবাহিক ভাবেই বলছেন, “সিবিআই যেতেই পারে, অবাক হওয়ার কী আছে!” সেখানেই না থেমে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি স্লোগান তুলে এও বলেছেন, “ও দিদিভাই দিদিভাই, ঘরে ঢুকল সিবিআই, ভোটের আগে হিসাব চাই।”

সিবিআইয়ের সক্রিয়তার প্রশ্নে ইতিমধ্যে সরব তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে বলেছেন, “এ ভাবে ভয় পাওয়াবে ভাবলে ওরা ভুল ভাবছে। আমরা দমে যাওয়ার পাত্র নই”। আবার তৃণমূল মুখপাত্ররা বলছেন, সিবিআই ও ইডি হল বিজেপির শরিক দল।

এ ব্যাপারে অধীর চৌধুরী এদিন বলেছেন, বাংলায় পুলিশ ও সিআইডি কার শরিক দল? কারা পুলিশ দিয়ে গত দশ বছর দল চালিয়েছে আর বিরোধীদের উপর অত্যাচার করেছে? তা ছাড়া বাংলায় শাসক দলের কিছু নেতা পুলিশ ও প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে যোগসাজস করে যে কয়লা, বালি, পাথর পাচারে জড়িত ছিলেন সে তো সকলেই জানেন। সহানুভূতি পাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More