‘হৃদ মাঝারে দিদি’, শ্বশুর-স্বামীকে দেখে তৃণমূলে অদিতি মুন্সি, সঙ্গে সুভদ্রাও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের রাজনীতির ময়দান যেন তারকাখচিত। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেবলই চমক দিচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। বিষ্যুদবারের বার বেলায় তৃণমূলে যোগ দিলেন সঙ্গীত শিল্পী অদিতি মুন্সি।

“তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো”, “হৃদমাঝারে রাখব”র মতো কীর্তন গান অদিতি মুন্সীর কণ্ঠে শুনতে ভালবাসেন শ্রোতারা। টেলিভিশনের পর্দা থেকে অনুষ্ঠানের মঞ্চ, সর্বত্র কীর্তনের সুরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অদিতি। এর আগে রাজ্য সরকারের একাধিক অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই রাজ্যের মানুষের জন্য কাজ করতে চান, তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এমনটাই জানান সঙ্গীত শিল্পী।

তৃণমূলে যোগাদানের পরে অদিতি বলেন, “আমার ভালো লাগছে দলে যোগ দিয়ে। দিদি আমাকে যোগ্য মনে করেছেন। তার জন্যে কৃতজ্ঞ। আমাকে দলের কর্মী ভাবা হয়েছে। দিদি আমাদের সঙ্গীত শিল্পীদের কথা ভেবেছেন। প্রকৃত পক্ষে ওনার উন্নয়নের পাশে আছি। আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই৷ ২০১৮ বিয়ের পর থেকে আমি আমার স্বামী ও শ্বশুর কে দেখে আসছি। মানুষের পাশে থেকেছেন তাঁরা। সেটা দেখে আমার ভাল লাগে। আমি মানুষের পাশে থাকতে চাই। নেত্রী যে কাজ করতে বলেছেন তা করব।” প্রসঙ্গত, অদিতির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তী বিধাননগর কর্পোরেশনের প্রাক্তন কাউন্সিলর। তিনি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতিও।

এরপরে তিনি গানও শোনান। তিনি বলেন,”আমার প্রাণের দিদির জন্য সেই গান গাইতে চাই।” ঈশ্বরকে স্মরণ করে গান করেন, “তোমায় হৃদমাঝারে রাখবো, ছেড়ে দেবো না।”সৌগত রায়ের হাত ধরেই দলে তাঁর অভিষেক হয় আজ।

শুধু অদিতি নয়, আজ দলে যোগদান করেন অভিনেত্রী সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়ও। রাজনীতির ময়দানে তিনি নতুন নন, এর আগে তিনি বিজেপিতে ছিলেন। মোদিজির কথায় প্রভাবিত হয়ে তিনি যোগদেন বিজেপিতে, কিন্তু সাত বছরের তাঁর সেই মোহভঙ্গ হয়। ২০২০-এর ২৭ তারিখ তিনি বিজেপি ছাড়েন। আর এবার তাঁকে দেখা গেল জোড়াফুলের পতাকা হাতে তুলে নিতে।

তৃণমূলে যোগ দিয়েই সুভদ্রা বলেন, “যাঁদের মনুষ্যত্ব আছে তাঁরা বিজেপি করতে পারবেন না। কাজেই সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে মনুষ্যত্ব যাঁদের আছে তাঁরা বিজেপি ছেড়ে দেবেন। তার জন্যই ছেড়েছি। একবছর নানা কাজ করেছি দেশের জন্য। কোভিডে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আজকের দিনে দিদির পাশে থাকা দরকার। তিনি আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছেন।”

এর পাশাপাশি আরও বলেন যে পশ্চিমবঙ্গকে ভাল রাখতে মমতা ব্যানার্জীকেই দরকার। ইউপি মডেল এখানে হলে মানুষ ভাল থাকবেন না, বলে জানান তিনি। এরপরে যাঁরা রঙবদল করছেন তাঁদের উদ্দেশে মমতা ব্যানার্জীর সুরেই বলেন যে ‘দুষ্ট গরুর থেকে শূন্য গোয়াল ভাল’।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More