রয় কৃষ্ণদের এএফসি কাপে খেলা প্রায় বাতিলের মুখে, ভাবনায় কর্তারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আদৌ এটিকে-মোহনবাগান এএফসি কাপের ম্যাচ খেলতে পারবে কিনা প্রবল সন্দেহ। টুর্নামেন্ট মালদ্বীপে হলেও শহরে লকডাউন হয়ে গেলে কর্তারা দলকে বাইরে খেলতে পাঠাবেন না। এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে ক্লাবের ভার্চুয়াল মিটিংয়ে।
কোভিডের কারণে রয় কৃষ্ণরা শহরে এসে প্রস্তুতিও সারতে পারছেন না। তাঁদের চলে আসার কথা ছিল এপ্রিলের শেষেই। কিন্তু কোভিড বিধির কারণেই দলের ফুটবলাররা প্র্যাকটিস শুরু করতে পারেননি। বিদেশীরাও কেউ এসে পৌঁছতে পারেননি।
এএফসি-র নিয়মে রয়েছে, যদি কোনও দল একান্ত না অংশ নিতে পারে টুর্নামেন্টে, সেটি কারণ দিয়ে জানাতে হবে। না হলে তাদের বড় অঙ্কের জরিমানা হবে। সেটি এটিকে-মোহনবাগান কর্তারা চাইছেন না। তাঁরা কলকাতার পরিস্থিতি বুঝিয়ে এএফসি-কে চিঠি দিতে চান। যাতে তাদের ম্যাচটি ওয়াকআউট দেওয়া হয়। তা হলে বিপক্ষ দল পয়েন্ট পেয়ে বিজয়ী ঘোষিত হবে।
বাংলাদেশের ক্লাব আবাহনী যেমন এএফসি কাপের ম্যাচ খেলতে পারেনি। ওয়াকআউট পেয়ে যায় মালদ্বীপ ইগলস। কিন্তু বাংলাদেশে লকডাউন চলছে। তাই আবাহনী খেলতে না পারলেও, তাদের আর জরিমানা দিতে হয়নি।
মালদ্বীপের ক্লাবের সঙ্গে আবার সুনীল ছেত্রীদের বেঙ্গালুরু এফসি-র খেলা রয়েছে। ম্যাচটি সুনীলদের হোম ম্যাচ। কিন্তু ভারতে করোনা পরিস্থিতির কারণে মালদ্বীপ ইগলসের তরফে সুনীলদের একটি বিকল্প পথের কথা বলা হয়েছে। মলদ্বীপে গিয়ে ম্যাচটি খেলার জন্য বেঙ্গালুরুকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। যদিও এই নিয়ে সুনীলের ক্লাব এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। মোহনবাগান আবার এই খেলায় যারা জিতবে, তাদের মুখোমুখি হবে। আপাতত তাই পুরো পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে এটিকে মোহনবাগান।
তার মধ্যেই আবার খবর এসেছে, ফিজিতে লকডাউন শুরু হয়েছে বলে রয় কৃষ্ণও আসতে পারবেন না ম্যাচটি খেলতে। তাই সবুজ মেরুন আধিকারিকরা চান যাতে এএফসি টুর্নামেন্টই বাতিল করে দিক। একান্তই যদি খেলা হয়, তা হলে পুরো দলকে কাতারে মিলিত হতে হবে। সেইসময় কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসসহ বাকি বিদেশী তারকাদের কিভাবে আনা হবে, সেটি ভাবতে হবে ক্লাবকে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More