প্রণবের নাগপুর সফরের জের, বাংলায় লাফিয়ে বাড়ছে আরএসএসের সদস্য সংখ্যা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাতে নাতে ফল!

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের নাগপুর সফরের পর থেকেই বাংলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে দিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সদস্য সংখ্যা।

সমালোচনার ঝঞ্ঝা উপেক্ষা করে গত ৭ জুন নাগপুর সফরে গিয়েছিলেন প্রণববাবু। সঙ্ঘের সদর দফতরে পৌঁছে ভিজিটরস বুকে লিখে দিয়েছিলেন, ভারত মায়ের মহান সন্তান ছিল আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেগড়েওয়াড়। তার পর থেকেই দেশ জুড়ে আর এস এসে যোগ দেওয়ার হিড়িক বেড়ে গিয়েছে বলে দাবি করলেন সঙ্ঘের নেতারা।

সোমবার কলকাতায় একটি সাংবাদিক বৈঠক করে আরএসএস। ওই বৈঠকে সঙ্ঘের পূর্বাঞ্চলের নেতা জিষ্ণু বসু ও বিপ্লব রায় জানান, আরএসএসে যোগ দেওয়ার যে হারে ৭ জুনের আগে আবেদন জমা পড়ত, ইদানীং অনলাইন আবেদন জমা পড়া তার তিন গুণ বেড়ে গিয়েছে।

‘জয়েন আরএসএস’ প্রচারে সাড়া দিয়ে গত ১ থেকে ৬ জুন গড়ে আবেদন জমা পড়েছিল ৩৭৮ টি করে। ৭ জুন পর থেকে তা এক লাফে বেড়ে হয় ১৭৭৯। তার পর থেকে দিনে ১২০০ থেকে ১৩০০ আবেদন জমা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ আবেদন জমা পড়ছে বাংলা থেকে। এ ব্যাপারে গোটা দেশের মধ্যে সব থেকে এগিয়ে রয়েছে কর্নাটক। তার পরই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলা।

যদিও বিপ্লববাবুদের দাবি, প্রণববাবু নাগপুরে যাওয়ার কারণেই সঙ্ঘের জনপ্রিয়তা বেড়েছে এমন ভাবার কারণ নেই। সমাজসেবার কারণে মানুষের মধ্যে আর আর এস অনেক আগে থেকেই জনপ্রিয়। তবে হ্যাঁ এটা ঠিক যে ৭ জুনের পর সঙ্ঘ নিয়ে অনেকের আগ্রহ আগের থেকে বেড়েছে।

বাংলায় সঙ্ঘের শাখার সংখ্যা আগের থেকে অনেক বেড়েছে। পাঁচ বছর আগে বাংলায় আরএসএসের ১ হাজারের মতো শাখা ছিল। এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০০-তে।

কংগ্রেসের এক শীর্ষ নেতার মতে, কীর্নাহারের খর্বকায় ব্রাহ্মণ সন্তান নাগপুরে যাওয়ার আগে ওনার বোঝা উচিত ছিল বাংলায় এর কী প্রভাব পড়তে পারে! উনি বোঝেন না এমনও নয়। হয়তো জেনে বুঝেই নাগপুরে গিয়েছিলেন প্রণব। তখনই বোঝা গিয়েছিল এর ফলে সঙ্ঘ আরও বেশি রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা পেয়ে যাবে। হলও তাই। এ ব্যাপারে প্রণববাবুরও কিছু বলা উচিত।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More