আগে লেফটেন্যান্ট গভর্নর ডাকুন, তারপর সরকার গড়ার চেষ্টা করব, পুদুচেরিতে বলছেন বিরোধীরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার পুদুচেরিতে আস্থাভোটে কংগ্রেস-ডিএমকে সরকারের পতন হয়েছে। কিন্তু এর পরে কারা ওই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সরকার গড়বে, তা স্পষ্ট হয়নি। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিরোধী দল এনআর কংগ্রেস এবং বিজেপি ষড়যন্ত্র করে সরকারের পতন ঘটিয়েছে। রাজ্যে এখন সবচেয়ে বেশি বিধায়ক আছে এনআর কংগ্রেসের। কিন্তু তারা এখনই সরকার গঠনের দাবি জানাচ্ছে না। ওই দলের প্রধান এন রঙ্গস্বামী বলেন, “আমি সরকার গড়ার দাবি জানাব না। আমি কেবল আস্থাভোট চেয়েছিলাম।” একটি সূত্রে খবর এনআর কংগ্রেস এখন লেফটেন্যান্ট গভর্নরের আহ্বানের জন্য অপেক্ষা করছে।

পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোটের বাকি তিন মাস। কংগ্রেস-ডিএমকে জোটের ছয় বিধায়ক ইস্তফা দেওয়ার পরে সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে। বিধানসভায় এখন মোট ২৬ জন বিধায়ক আছেন। গরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১৪ জন বিধায়ক। কংগ্রেস জোটের ছিল ১২ জন।

এনআর কংগ্রেসের রঙ্গস্বামী এক সাক্ষাৎকারে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানিয়েছেন বিজেপি ও অন্যান্য দলের সঙ্গে তিনি সরকার গড়া নিয়ে আলোচনা করবেন। লেফটেন্যান্ট গভর্নর যদি তাদের ডাকেন, তাহলে তাঁরা সরকার গঠনের উদ্যোগ নেবেন। যদিও নতুন সরকার হলে তার আয়ু হবে মাত্র তিন মাস। তার পরেই হবে ভোট।

রঙ্গস্বামীকে প্রশ্ন করা হয়, নতুন সরকার তৈরি হলে তিনিই কি মুখ্যমন্ত্রী হবেন? তিনি বলেন, অন্যান্য দলের সঙ্গে আলোচনা না করে এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। কংগ্রেসের অভিযোগ, টাকার লোভ দেখিয়ে তাদের কয়েকজন বিধায়ককে কিনে নেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে রঙ্গস্বামী বলেন, “কংগ্রেসের বিধায়করা হয়তো ভেবেছিলেন, সরকারে থেকে তাঁরা কোনও কাজ করতে পারছিলেন না। তাই তাঁরা ইস্তফা দিয়েছেন।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More