ছবিগুলির পিছনে নেই ফটোশপের কারসাজি, কৃতিত্ব ফোটোগ্রাফার ও প্রকৃতির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রকৃতি হল বিশ্বের সবচেয়ে নিপুণ চিত্রশিল্পী। প্রকৃতির রঙ আমরা ফুটিয়ে তুলি ক্যানভাসে আঁকা ল্যান্ডস্কেপে। বন্দি করতে চেষ্টা করি ক্যামেরার ফ্রেমে। আজ দেখব এমন কিছু ছবি, যেগুলির সৌন্দর্য্যের পিছনে যতটা কৃতিত্ব ফোটোগ্রাফারের, ততোটাই কৃতিত্ব প্রকৃতির। ছবিগুলির পিছনে নেই সামান্যতম ফটোশপের সাহায্য।

উত্তর মেরুর হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডায় পর্যটক আকাশে ছুঁড়ে দিয়েছেন  ফুটন্ত কফি। জলের কণা নিমেষে পরিণত হয়েছিল তুষারকণায়। পড়ন্ত সূর্য্যের আলোয় সৃষ্টি  হয়েছিল এক অবিশ্বাস্য দৃশ্যের।
জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি ওনাটাকের অগ্ন্যুৎপাতের ছাইতে ঢেকে যাওয়া এক বৌদ্ধ মন্দির।  বিবর্ণ প্রকৃতির মাঝে পর্যটকেরা রঙিন ফুল হয়ে ফুটে উঠেছেন।
নিউ ইয়র্কের রাস্তার দু’পাশে থাকা দুই পরিবেশ। আসল জঙ্গল ও কংক্রিটের জঙ্গলের  মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে বিভ্রান্ত বুঝি রাস্তাটাই।
আইসল্যান্ডের তুষারমরুতে জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্টি হওয়া কালো মেঘের বুকে ঝলকাচ্ছে বিদ্যুৎ।
গোলাপি ফ্লেমিঙ্গোর দল নিজেদের অজান্তেই সৃষ্টি করেছে অতিকায় এক ফ্লেমিঙ্গোর অবয়ব। মেক্সিকোর ইউকাটান পেনিনসুলাতে  তোলা এই ছবি বিস্মিত করেছে দর্শকদের।
এক ফোঁটা মধুর চারপাশে ভিড় করা পিঁপড়েরা নিজের অজান্তেই এঁকে ফেলেছে পাতার চোখ।
হ্রদের জলে মাছ শিকার করার আগের মুহুর্তে বল্ড ইগল। উল্কাগতিতে নেমে এসেছে পাশের ফার গাছ থেকে।
বরফ জমা হ্রদের  ওপর থেকে নীচে আলো ফেলার পর তৈরি হয়েছিল এই অবিশ্বাস্য দৃশ্যটি। সন্ধ্যা নামার মুহুর্তে। দূর আকাশে তখনও ছিল অস্তরবির রক্তরাগ।
You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More