সাদা চুলেই চিরতরুণ, হাসিমুখে চেপে রাখতেন একাকীত্বের অবসাদ! প্রয়াত অভিনেতা ইন্দ্রজিৎ দেব

শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ ভোরে ঘুমের মধ্যেই চিরবিদায় নিলেন অভিনেতা ইন্দ্রজিৎ দেব। বর্ষীয়ান অভিনেতা আশির দশকের শেষ থেকে বর্তমান যুগেও দাপিয়ে অভিনয় করেছেন। সদ্য ‘রানি রাসমণি’ সিরিয়ালে দাদামশাইয়ের চরিত্রে এ প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি গুলাইদা নামেই সবার আপন ছিলেন। সাদা চুল ছিল ইন্দ্রজিৎ দেবের স্টাইল স্টেটমেন্ট। সাদা চুলকেও যে স্টাইল স্টেটমেন্ট করে তোলা যায়, সেটা ইন্দ্রজিৎ দেবই করে দেখান। সাদা চুলে অনেক তরুণ চরিত্রও উনি করেছেন শুরুর দিকে। দাপটের সঙ্গেই। যেমন দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে ‘নগরপারে রূপনগর’ কালজয়ী ধারাবাহিক। সাদা চুলের স্টাইলের জনপ্রিয়তায় অভিনেতা কৃষ্ণকিশোর মুখোপাধ্যায়ের পূর্বসুরী বলা যায় ইন্দ্রজিৎ দেবকে।

ইন্দ্রজিৎ দেবের বাবা ছিলেন বিখ্যাত খেলোয়াড় অমিয় দেব। মোহনবাগানের হয়ে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে প্রথম হ্যাটট্রিক ছিল তাঁরই৷ ফুটবলের পাশাপাশি খেলেছেন হকি, ক্রিকেট এবং টেনিস৷ বাংলার হয়ে রঞ্জিতে সেঞ্চুরিও রয়েছে তাঁর৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল, হকি এবং ক্রিকেট– তিনটেতেই ‘ট্রিপল ব্লুজ’ অমিয় দেব৷ তাই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাটাকেও ছেলেদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন তিনি এবং শিখিয়েছিলেন জীবনের মূল্যবোধও।

বাবা বলেছিলেন, চেনা পরিচিতের মধ্যে কেউ প্রয়াত হলে সব সময় শ্মশানে যেতে৷ তখনকার দিনে তো আজকের মতো পারিবারিক অনুষ্ঠানে ক্যাটারিংয়ের ব্যবস্থা ছিল না৷ পরিচিতের বাড়ি কোনও অনুষ্ঠান হলে সেখানে সপ্রতিভ ভাবে পরিবেশন করার হাতেখড়িও বাবার কাছেই৷

তখন ইন্দ্রজিৎদের বাড়ি ছিল হিন্দুস্তান পার্কে। সাঁতারে বাংলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। পরে চলে আসেন বিজ্ঞাপন জগতে। তাতেও বাবা বাধা দেননি বরং উৎসাহ দিয়েছেন। ক্ল্যারিওন (Clarion) বিজ্ঞাপন এজেন্সির সিনিয়র পোস্টে ছিলেন ইন্দ্রজিৎ।

টেলিভিশনের শুরুর সময় থেকেই ছোটপর্দার চেনামুখ হয়ে ওঠেন। তাঁর অভিনয় জগতে আসা ধারাবাহিক স্রষ্টা জোছন দস্তিদারের হাত ধরে, ‘তেরো পার্বণ’-এ। মেগা সিরিয়ালের যুগ তখন নয়। ধারাবাহিক, কিছুদিনের স্লটে ছোট গল্প বা সাহিত্য নিয়ে কাজ হত। যেগুলো রিপিট টেলিকাস্টও হত অসম্ভব জনপ্রিয়।

প্রাণবন্ত,পজিটিভ মানুষ, সকলের সঙ্গে মিশতে পারতেন: খেয়ালি দস্তিদার

Kheyali Dastidar Kheyali Dastidar is an actor, playwright and director. Daughter of well-known actors and playwrights Jochhon and Chandra Dastidar, Kheyali started acting at the age of 10. She has acted in over 25 plays such as Uttar Purush, Karnik, Padya ...জোছন দস্তিদারের সুযোগ্যা কন্যা অভিনেত্রী লেখিকা খেয়ালি দস্তিদার জানালেন “গুলাইদার খবরটা সকালে শুনে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। বিজ্ঞাপন এজেন্সিতে প্রথমে গুলাইদা ছিল। ইন্দ্রজিৎ দেবকে অভিনয়ে নিয়ে আসেন আমার বাবা। তখন বাংলা সিরিয়ালের একদম শুরুর যুগ। সেসময় তো সিরিয়াল শুধু তৈরি করলেই হত না, সেটা বেচতেও হত। সিরিয়াল স্পনসর করবার জন্য বিজ্ঞাপন জোগাড় করতে বিজ্ঞাপন এজেন্সিতে বাবাকে যেতে হত। ঐ বিজ্ঞাপন এজেন্সিতেই গুলাইদার সঙ্গে আলাপ বাবার।

বাবা ওঁকে বলেন, ‘তেরো পার্বণ বলে একটা ধারাবাহিক করছি সেখানে একটা চরিত্র আছে তোমাকে ভাল মানাবে, তুমি কি অভিনয় করতে ইচ্ছুক?’ গুলাইদা রাজি হওয়ার পর ওঁর সঙ্গে আমাদের জার্নি শুরু। ‘তেরো পার্বণ’, ‘সেই সময়’, ‘উড়নচণ্ডী’ সবেতে অভিনয় করেছিল গুলাইদা। যার ফলে আমাদের সঙ্গে দীর্ঘ বন্ধুত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক সবটাই ছিল। আমার অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই তাই ওঁর সঙ্গে কাজ করেছি। উনি ভীষণ প্রাণবন্ত,পজিটিভ মননের এবং যে কোনও বয়সের মানুষের সঙ্গে মিশতে পারা মানুষ। আমাদের খুব ভাল বন্ধু ছিল। কথা বললে খুব ভাল লাগত। আমার বাবা মায়ের (চন্দ্রা দস্তিদার) খুব কাছের একজন মানুষ ছিল গুলাইদা।”

ফ্যাব ইন্ডিয়ার পাঞ্জাবি, সিগারেট আর ব্ল্যাক কফি মানেই ইন্দ্রজিৎ দেব: অরিন্দম গাঙ্গুলি

Arindam Ganguly, Sarat Bose Road - Singers in Kolkata - Justdialঅভিনেতা পরিচালক অরিন্দম গাঙ্গুলি, যিনি ‘সেই সময়’ ধারাবাহিক থেকে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন ইন্দ্রজিৎ দেবের সঙ্গে, তাঁর কথায়, “একসঙ্গে কাজ করতে করতে গুলাইয়ের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল। ওঁকে আমি নাম ধরেই ডাকতাম। আমি যখন প্রথম বিদেশ যাই, আমেরিকাতে তখন ওঁকে নিয়ে গেছিলাম। ‘দম্পতি’ নাটক ওখানে করেছিলাম আমরা। মানুষ হিসেবে বরাবর খুব স্টাইলিশ ছিল। ফ্যাব ইন্ডিয়ার পাঞ্জাবি, হাতে সিগারেট আর ব্ল্যাক কফি … মানেই ছিল ইন্দ্রজিৎ।”

ইন্দ্রজিৎ দেবের প্রয়াণের খবর যিনি প্রথম সবাইকে জানান তিনি মেগার স্রষ্টা ‘জননী’ পরিচালক বিষ্ণুপাল চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে ‘কনকাঞ্জলি’, ‘বসুন্ধরা’, ‘ঘরের ভিতর ঘর’ মেগা-সহ অনেক কিছুতে কাজ করেছেন ইন্দ্রজিৎ। বিষ্ণু পালচৌধুরী জানালেন, “গুলাইদা মানুষের মন জয় করেছিলেন জোছন দস্তিদারের ‘তেরো পার্বণ’ সিরিয়াল থেকে! খুবই পরিচিত মুখ টেলিভিশনের পর্দায়। সিনেমাও করেছেন। বিজ্ঞাপন জগতের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন আজীবন। গত সপ্তাহেও এসেছিলেন আমাদের দেশপ্রিয় পার্কের অভিনয় স্কুলে, ক্লাস নিলেন। বিষয় ছিল ‘What is the difference between advertising commercial films and feature films.’ ক্লাসের পরে নামিয়ে দিলাম গোলপার্কের বাড়ির সামনে। হাত নাড়ল। আমার গাড়ি এগিয়ে যেতে থাকল, ঘুরে দেখলাম হাত নাড়ছে তখনও। তখনও জানতাম না, শেষ বিদায় ছিল ওটা!”

এছাড়াও পরিচালক সঞ্জয় ভট্টাচার্যের ‘ফিরে এলাম’ ধারাবাহিক, যাতে দেবশ্রী রায় দ্বৈত চরিত্র ছিলেন, সেই সিরিয়ালেও কাজ করেন ইন্দ্রজিৎ। পরিচালক রাতুল গাঙ্গুলির ‘বিনি সুতোর মালা’, তাঁরই পরিচালনায় ইটিভি বাংলার একসময়ের জনপ্রিয় সব টেলিফিল্ম ‘না’, ‘বর্ণপরিচয়’, ‘এক মন্দ মেয়ের কথা’, ‘চিরকুমার সভা’, ‘যদি জানতেম’-এ কাজ করেছেন ইন্দ্রজিৎ দেব। ইটিভির সব মহালয়াতেও উনি থাকতেন।

আমার বাবার রোল করতেন, অদ্ভুত শ্রদ্ধা ছিল: ভাস্বর চ্যাটার্জী

Bhaswar Chatterjee Profile Family Life & Education - Actor Bhaswar Chatterjee Career & Wiki - Kolkata Bengal Informationঅভিনেতা ভাস্বর চ্যাটার্জী জানালেন “বেশিরভাগ জায়গাতেই উনি আমার বাবার রোল করেছেন। তাই অদ্ভুত একটা শ্রদ্ধার সম্পর্ক ছিল। খুব আড্ডা গল্প হত সেটে। আমি ওঁকে ইন্দ্রজিৎদা বলেই ডাকতাম। গুলাইদা বলে কখনও ডাকিনি। আমার মনে হত যাকে আমি ছোটবেলায় প্রথম টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছিলাম ‘তেরো পার্বণ’-এ, তাঁকে একটু সম্মান করে ডাকলে বোধহয় ভাল লাগে।

একটা ঘটনা মনে পড়ছে ‘মা’ সিরিয়ালের আউটডোর সেট পড়ছিল বেনারসে। প্রচন্ড ঠান্ডা ছিল জানুয়ারিতে। ইউনিট কলকাতা ফেরার আগে আমি ফিরে আসি। আমার ভাইয়ের বিয়ে ছিল। ইন্দ্রজিৎদাও আমার সঙ্গে ফিরছিলেন। কুয়াশার জন্য ট্রেন লেট ছিল। সেদিন সারারাত আমি আর ইন্দ্রজিৎদা স্টেশনে ছিলাম। প্রতীক্ষালয়ে এতটুকু জায়গা নেই। স্টেশনের এক প্রান্তে বসে ঠান্ডায় ঠকঠক করে কাঁপছি আমরা। উনি বললেন ‘ভাস্বর একটা ক্যান্টিনের ভিতর জায়গা জোগাড় করেছি বসবে এসো।’ সারারাত আমরা কাটাই সেখানে। ভোর চারটেতে ট্রেন এল, তারপর দুজনে ফিরলাম। সেই স্মৃতিটা মনে পড়ছে।

আর একটা জিনিস অদ্ভুত লাগত, উনি কখনও লাঞ্চ করতেন না শ্যুটিংয়ে। সারাক্ষণ কফি খেতেন আর লাঞ্চে বিস্কুট খেতেন। আমি বলতাম ‘আপনার খিদে পায় না? এটা আশ্চর্য ব্যাপার।’ বলতেন, ‘না আমি একেবারে রাত্রে বাড়ি ফিরে ডিনার করি। সারাদিন কিছু খাবার খাই না বাইরে।’ একটা দীর্ঘ সম্পর্ক হঠাৎ করে শেষ হয়ে যাওয়ায় খারাপ লাগছে। উনি যেখানেই থাকুন শান্তিতে থাকুন আর আমাদের আশীর্বাদ করুন আমরা যেন ভালভাবে কাজ করতে পারি।”

সন্দীপ রায়ের ফেলুদা সিরিজে নিয়মিত অভিনেতা ছিলেন ইন্দ্রজিৎ দেব। তিনি সফি, কালচারড, অতি আধুনিক চরিত্র থেকে একদম বনেদী চরিত্র অসাধারণ ফুটিয়ে তুলতেন।

বাংলাদেশে চলে আসার পর রাসমণি সেটের যে ক’জনকে আমি মিস করি তাঁদের মধ্যে গুলাইদা একজন: নূর

ইন্দ্রজিৎ দেব অভিনয়ের শেষ ছাপ রেখে গেলেন ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ সিরিয়ালে। বাবু রাজচন্দ্র দাস ওরফে গাজী আবদুন নূর, যার সঙ্গে ইন্দ্রজিৎ দেবের বন্ডিং ছিল পরম আত্মীয়ের মতো। ইন্দ্রপুরী স্টুডিওতে শুধু নূর-দিতিপ্রিয়ার শ্যুট রাতে থাকলেও ইন্দ্রজিৎ দেব বসে থাকতেন, নূর একা থাকবে তাই ওঁকে সঙ্গ দিতে। কোথাও যেন নিজের একাকীত্ব ঘোচাতে বাংলাদেশের নবাগত ছেলেটাকেও নিজের ছেলে মনে করে অপত্য স্নেহ দিতেন তিনি।

গাজী আবদুন নূর জানালেন, “শ্রদ্ধেয় গুলাইদা ক্যামেরার সামনে যিনি আমার দাদামশাই, ক্যামেরার পেছনে কখন যে নিজের দাদামশাই হয়ে উঠেছিলেন বুঝতেই পারিনি। একজন নিখুঁত এবং জাত অভিনেতা বলতে যা বোঝায় তিনি তাই। ওঁকে স্ক্রিপ্ট মুখস্থ করতে, দেখতে হত না, শুধু শুনে অনবদ্য শট দিতেন। আমার থেকে কয়েক প্রজন্ম আগের হলেও তিনি অবলীলায় আমার সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে গিয়েছিলেন বাস্তবের দাদামশাইয়ের মতোই।

ইন্দ্রপুরী স্টুডিওতে সবথেকে ছোট ৮ নম্বর মেকআপ রুমে একটি চেয়ার গুলাইদার জন্য বরাদ্দ থাকত। এমনকি তাঁর চরিত্র শেষ হয়ে যাবার পরেও  ৮ নম্বর রুমের ওই চেয়ারটায় আমরা কেউ বসতাম না। চরিত্র শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও তিনি ইন্দ্রপুরী স্টুডিওর ৮ নম্বর রুমটিতে সপ্তাহে একবার করে আসতেন। এমনকি ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’তে যখন গুলাইদার চরিত্র দাদামশাই মারা যাচ্ছেন, তখন আমরাও খুব বেদনাতুর হয়ে পড়েছিলাম।

প্রথমদিকে আমায় স্ক্রিপ্ট এবং ডায়লগ বুঝে নেওয়া এবং গল্পের সারাংশ বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করেছেন উনি। বাংলাদেশে চলে আসার পরে রাসমণি সেটের যে ক’জনকে আমি মিস করি তাঁদের মধ্যে গুলাইদা একজন। একটা সময়ের পর সম্পর্কটা হয়তো শ্যুটিংয়ের বাইরেও চিত্রনাট্য ছাড়িয়ে প্রকাশ  পেত। ব্ল্যাক কফি আমি আগে খেতেই পারতাম না। উনিই আমায় ব্ল্যাক কফি খাওয়া শিখিয়েছিলেন। তবে ওঁর বাইপাস সার্জারি হওয়ার পর সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেন। তবে একাকীত্ব একটা কারণ হয়ে দাঁড়ায় অবসাদের।

ইন্ডাস্ট্রি অবশ্যই একজন গুণী অভিনেতাকে হারাল। উনি অভিনয়কে পেশা হিসাবে দেখলেও সেই পেশার প্রতি অসম্ভব শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা ছিল ওঁর। নিশ্চয়ই সৃষ্টিকর্তা তাঁকে আগলে রাখবেন। অনেক শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা আমার প্রিয় দাদামশাইয়ের প্রতি। খারাপ লাগছে, এই শেষযাত্রায় তাঁর পাশে থাকতে পারলাম না। কিন্তু তাঁর মনে অবশ্যই আমি আছি। আজ আমি কলকাতাকে খুব মিস করছি। খুব কষ্ট হচ্ছে গুলাইদাকে শেষ দেখা দেখতে পেলাম না।”

ইন্দ্রজিৎ দেব বর্তমানে ছিলেন গোলপার্কের বাসিন্দা। ঘনিষ্ঠরা বলছেন, শেষদিকে গভীর মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর একজনের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু তিনি দু’বছর আগে মারা যান। তারপর থেকেই অভিনেতা মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। যত্ন করার লোকেরও অভাব ছিল। সকালে টোস্ট আর চা এবং দুপুরে ব্ল্যাক কফি ছাড়া কিছু খেতেন না। বিকেলেও কিছু না। সেই রাতে ভাত খেতেন। ফিটনেস রাখতেই হয়তো এই অভ্যাস।

আজ, ৩০ জানুয়ারি ভোরে চিরতরে ফুরোল অবসাদ, অযত্ন। এ আকস্মিক চলে যাওয়া কিছুটা কি নিজের কাছেও মুক্তি পাওয়া! শিল্পীদের অভিনয় আমরা দেখি, বেঁচে থাকতে তাঁদের মন পড়ে দেখা হয় না হয়তো।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More