বিজেপি-র চোরাশিকারের ভয়, কংগ্রেস বিধায়কদের রাখা হল রিসর্টে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার কর্নাটক ভোটের ফল বেরোতেই বিজেপি ঘোড়া কেনাবেচায় নেমে পড়েছে বলেছে অভিযোগ করছিল কংগ্রেস-জনতা দল (সেকুলার)। বুধবার রাতে রাজ্যপাল বাজুভাই বালা বিজেপি-কে সরকার গঠনের জন্য ডেকে নিতেই আরও সতর্ক হয়ে গেল কংগ্রেস। দলের ৭৮ জন বিধায়ককে বাসে করে নিয়ে যাওয়া হল বেঙ্গালুরুর উপকন্ঠে ইগলটন রিসর্টে। কর্নাটক বিধানসভায় বিজেপি-কে সংখ্যাগরিষ্ঠতার পরীক্ষা দিতে হবে। তার আগে পর্যন্ত এই রিসর্টেই রেখে দিতে চাইছে কংগ্রেস। একই পথ নিতে চলেছে দেবগৌড়ার দলও। তাদের রয়েছে ৩৮ জন বিধায়ক।

প্রসঙ্গত, কর্নাটকে ১০৪ টি আসনে জিতেছে বিজেপি। কিন্তু সরকার গড়তে তাদের আরও ৮ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু কংগ্রেস বা জেডিএসের বিধায়ক ভাঙিয়ে তা সম্ভব নয়। কারণ, কোনও দলের দুই তৃতীয়াংশ বিধায়ক ভাঙাতে না পারলে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পড়ে যাবেন বিধায়করা। বিজেপি চাইছে কংগ্রেস ও জেডিএসের কিছু বিধায়ককে ভোটাভুটির দিন অনুপস্থিত করিয়ে দিতে। সভায় উপস্থিত সদস্য সংখ্যা কম থাকলে বিজেপি-র পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ সহজ হবে। কংগ্রেস ও জেডিএসের অভিযোগ, এ জন্য তাদের বিধায়কদের টোপ দেওয়া শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। বিধায়ক পিছু ১০০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইয়েদুরাপ্পা বাহিনী। ফলে বিজেপি-র চোরশিকার আটকাতে সক্রিয় এখন তাঁরাও।

শেষ বার এমনটা হয়েছিল গুজরাতে রাজ্যসভা ভোটের সময়। কংগ্রেসের প্রার্থী তথা সনিয়া গান্ধীর রাজনৈতিক সচিব আহমেদ পটেলকে পর্যুদস্ত করতে তখন উঠে পড়ে লেগেছিলেন অমিত শাহরা। কংগ্রেসের ছয় বিধায়কদের প্রলোভন দেখিয়ে টেনে নিয়েছিলেন নিজেদের দিকে। তাই গুজরাতের কংগ্রেস বিধায়কদের সেখান থেকে তুলে এনে রাখা হয়েছিল বেঙ্গালুরুর উপকন্ঠে এক রিসর্টে। সে বার কংগ্রেসের সেই কৌশল কাজে দিয়েছিল। এ বার কী হয় এখন সেটাই দেখার।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More