১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করে মাথা কেটে খুন করেছিল দাদা-কাকা, ফাঁসির সাজা দিল আদালত

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করে মাথা কেটে খুন করেছিল তার নিজের দাদা ও কাকা! বছর দুয়েক আগে মধ্যপ্রদেশের এই ঘটনায় অপরাধকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ বলে উল্লেখ করল আদালত। দুই অপরাধীর ফাঁসির রায় ঘোষণা করলেন বিচারক। বললেন, “ওরা যা করেছে তাতে ফাঁসির চেয়ে কম কোনও সাজাই যথেষ্ট নয়।”

পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ হঠাতই নিখোঁজ হয়ে যায় বছর বারোর কিশোরী। পরে বাড়ি থেকে দূরে খেতের মধ্যে তার মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার হয়। পরীক্ষায় ধরা পড়ে, মাথা কেটে মেরে ফেলার আগে গণধর্ষণ করা হয়েছে তাকে।

তদন্ত শুরু করে চমকে যায় পুলিশও। কারণ সামনে আসে, নিজেরই বোনকে অপহরণ করে কাকার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে কাকা ও দাদা মিলে চরম যৌন নির্যাতন করা হয় মেয়েটিকে। তার পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য কাস্তে দিয়ে কেটে ফেলা হয় মাথা!

অবশেষে বিচার মিলল এই নৃশংসতার। সরকারি আইনজীবী তাহির খান জানিয়েছেন, ২৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন এই মামলায়। খুনের অস্ত্রও উদ্ধার হয়েছিল অভিযুক্তের বাড়ি থেকে। আদালতে দোষীদের চরমতম শাস্তির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “এই দাদারই সুরক্ষা কামনা করে রাখি পরাত কিশোরী মেয়েটি। এ অপরাধ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

আজ বৃহস্পতিবার, সাগর জেলার দায়রা আদালতের বিচারক উমাশঙ্কর আগরওয়াল ফাঁসির সাজা শোনান অভিযুক্তদের।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More