‘বাংলায় আইনশৃঙ্খলার ভারসাম্য নষ্ট করছেন কঙ্গনা’, কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের আইনজীবীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় এবার নির্বাচন ছিল একেবারে হাইভোল্টেজ। তবে ফলাফলের দিন কার্যত সবুজ আবিরে ভেসে যায় মোদী-ম্যাজিকের পদ্মফুল। আর এর পরেই টুইটের বন্যা বইয়ে দেন মোদীজির একনিষ্ঠ সমর্থক অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। এনআরসি, সিএএ থেকে শুরু করে রোহিঙ্গা, বহিরাগত, একের পর এক ইস্যুতে বিঁধতে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর তারই ফলস্বরূপ তাঁর বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করলেন এক আইনজীবী। তাঁর অভিযোগ, “বাংলার আইনশৃঙ্খলার ভারসাম্য নষ্ট করতে চাইছেন কঙ্গনা।”

বি-টাউনের কনট্রোভার্সি কুইন কঙ্গনা ২ তারিখ দুপুর থেকেই একের পর এক টুইটে খোঁচা দিতে থাকেন বাংলাকে। কখন ‘কাশ্মীর’-এর সঙ্গে তুলনা টানেন, আবার কখনও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘রাবণ’ বলে কটাক্ষ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতার জন্য শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েও খোঁচা দেন কঙ্গনা।

একটি ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশী আর রোহিঙ্গারাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসল শক্তি। তথ্য বলছে, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরা আর সংখ্যাগরিষ্ঠ নেই। আর বাঙালি মুসলিমরা হল ভারতবর্ষের মধ্যে সবচেয়ে সবচেয়ে গরীব। বাংলায় একটা কাশ্মীর তৈরি হচ্ছে।’ এখানেই থামেননি কঙ্গনা। একের পর এক টুইট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিঁধেছেন তিনি। আরামবাগে বিজেপির পার্টি অফিসে আগুন লাগানোর খবরের একটি টুইট রিটুইট করে তিনি লিখেছিলেন, ‘আগামীদিনে বাংলায় রক্তস্নান হবে। সরকার হেরে যাওয়ার ভয়ে রক্ত পিপাসু হয়ে উঠবে।’ কখনও আবার অমিত শাহকে ট্যুইটারে ট্যাগ করে বাংলায় বিজেপি কর্মীদের বাঁচাবার আবেদন জানিয়েছেন কঙ্গনা।

কঙ্গনার ক্রমাগত বাংলাকে আক্রমণ করে টুইট বিদ্বেষ ও হিংসা ছড়াচ্ছে বলে মনে করেন অনেকেই। এই সমস্ত টুইটের কারণেই আজ কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী। মেল করে অভিযোগ জানান আইনজীবী সুমিত চৌধুরী। তিনি বলেছেন, “বাঙালি এবং বাংলার বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য করেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত। বিজেপি-র পক্ষ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অশান্তি ছড়াতে চাইছেন কঙ্গনা। বাংলার আইনশৃঙ্খলার ভারসাম্য করতে এনআরসি এবং সিএএ-র সমর্থনে কথা বলে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন তিনি।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More