ট্রেডমিলে হাঁটতে হাঁটতেই বাজেট বানিয়েছি, আমি চললে আমার ব্রেনও চলে: মমতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটা সময় তিনি নিয়ম করে হাঁটতে যেতেন এলিয়ট পার্কে। বয়সে অনেক তরুণ অফিসার, মন্ত্রী তাঁর গতির কাছে হার মানতেন। হাঁপিয়ে যেতেন। কিন্তু একবার সাপ ফণা তোলার পর এলিয়ট পার্কে যাওয়াই ছেড়ে দিয়েছেন।

কিন্তু সেই তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হাঁটা থামাননি। বাড়ির ট্রেডমিল হোক বা নবান্নের ছাদ– তিনি রোজ ২২ কিলোমিটার হাঁটেন। এবার তিনি জানালেন, ট্রেড মিলে হাঁটতে হাঁটতেই বাজেট বানিয়ে ফেলেছেন।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাত্‍কার দিতে গিয়ে দিদি একথা জানিয়েছেন। তাঁর কথায় সকাল সাতটা থেকে ন’টা পর্যন্ত তিনি ট্রেডমিলে হাঁটেন। এই দু’ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার হাঁটা হয়। হাঁটতেই ফোন করেন, মেসেজ করেন, কিছু পড়ার হলে পড়ে নেন।

তাই বলে হাঁটতে হাঁটতে বাজেট? কী ভাবে সম্ভব?

যদিও তা খোলসা করেননি মমতা। বলেছেন সব বলে দিলে তো হয়েই গেল। এবার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র অসুস্থ হয়ে গৃহবন্দি থাকায় মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য বাজেট পেশ করেন। তবে এদিন স্পষ্ট হল, শুধু পেশই করেননি ট্রেডমিলে হাঁটতে হাঁটতে বাজেটটাও বানিয়েছেন।

তাঁর কথায়, “আইডিয়া আসে আইডিয়া। ইটস আ ভিশন! ইফ দেয়ার ইজ এ অ্যাকশন, দেয়ার ইজ এ রিঅ্যাকশন। আমি যখনই হাঁটি তখন আমার ব্রেনও হাঁটে!”

দলের নেতাদেরও হাঁটার পরামর্শ দেন দিদি। বেচারাম মান্না, অনুব্রত মণ্ডলরা দিদির ভয়েই বাড়িতে ট্রেডমিল কিনেছেন। অনুব্রত একদিন তাতে না হাঁটলেই মেয়ে সুকন্যা ধমক দিয়ে বলেন দিদিকে বলব? ওমনি নাকি পরের দিন থেকে ফের হাঁটা শুরু।

তবে হাঁটতে হাঁটতে বাজেট তৈরির কথা শুনে এক বিজেপি নেতা বলেন, “ওই জন্য খেয়ালই ছিল না এটা বাংলার বাজেট না আমেরিকার। যা পেরেছেন জুড়ে দিয়েছেন।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More