দলে ফিরে আসুন, মতপার্থক্য নিয়ে আলোচনা করা যাবে, শচীন পাইলটকে আহ্বান কংগ্রেসের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিদ্রোহ করে ব্যর্থ হলেন কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট। রবিবার তিনি বলেছিলেন, তাঁর সঙ্গে ৩০ জন বিধায়ক আছেন। তিনি ইচ্ছা করলে রাজস্থানে কংগ্রেস সরকার ফেলে দিতে পারেন। কিন্তু সোমবার দুপুরের মধ্যে দেখা গেল, মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের আহ্বানে তাঁর বাসভবনে প্রায় সব কংগ্রেস বিধায়ক জড়ো হয়েছেন। শচীনের পক্ষে আছেন বড় জোর ১০ জন বিধায়ক।

এর পরেও নিশ্চিত হচ্ছে না কংগ্রেস। তাদের আশঙ্কা বিজেপির সহায়তায় শচীন যদি আরও কয়েকজন বিধায়ককে নিজের পক্ষে টানতে পারেন, তাহলে সরকার টেকানো মুশকিল হবে। অশোক গেহলটের সাফল্যের কথাও তারা জোর গলায় প্রচার করছে না। রাজস্থানে দলের সংকট মেটাতে এদিন দিল্লি থেকে জয়পুরে গিয়েছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা। তিনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, শচীন পাইলটের জন্য দলের দরজা খোলা আছে। তিনি আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। সুরজেওয়ালা বলেন, তিনি দলের সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর বার্তা নিয়ে রাজস্থানে এসেছেন।

শচীন পাইলট গত শনিবার গিয়েছেন দিল্লিতে। সুরজেওয়ালা বলেন, সনিয়া ও অপর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে শচীনের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে বিরোধ মিটিয়ে নেওয়া হবে। শচীনও এদন সকালে জানিয়ে দেন, তিনি বিজেপিতে যাচ্ছেন না।

রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী না হতে পেরে আগে থেকেই অসন্তুষ্ট ছিলেন শচীন। গত রাজ্যসভা ভোটের পরে পুলিশ তাঁকে ডেকে পাঠায়। পুলিশের বক্তব্য, তারা ফোনে আড়ি পেতে শুনেছে, শচীন রাজস্থানে সরকার ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। পুলিশ ডেকে পাঠানোয় শচীন খুবই অসন্তুষ্ট হন। যদিও অশোক গেহলট ব্যাপারটায় খুব একটা গুরুত্ব দিতে চাননি। তিনি বলেন, পুলিশ আমাকেও অমন সমন পাঠিয়েছে।

রাজস্থানে বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ৭৩। সরকার গড়তে হলে তাদের ৩৫ জন বিধায়কের সমর্থন লাগবে। কিন্তু বিজেপির পক্ষে শচীনকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ অফার করা সম্ভব কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ তারা ক্ষমতায় এলে অবশ্যই মুখ্যমন্ত্রী পদের জোরালো দাবিদার হবেন বসুন্ধরা রাজে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More