কোভিড-১৯: নিজের লোকসভা কেন্দ্রে আকাল রেমডিসিভিরের, কোম্পানির বড় কর্তাকে ফোন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের অভাব তো আছেই। তার মধ্যেই অমিল রেমডিসিভিরও। তাই সোজাসুজি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার একেবারে বড়কর্তাকে ফোন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর!
মহারাষ্ট্রে করোনা অতিমারী মারাত্মক চেহারা নিয়েছে। প্রতিদিনই গোটা দেশের সঙ্গে সেখানে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ, মৃত্যু। রাজ্য সরকার বারবার লকডাউনের মতো চরম ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। মহারাষ্ট্রের নাগপুরে রেমডিসিভিরের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বিশেষ করে মারাত্মক সমস্যায় ভোগা বয়স্ক রোগীদের চিকিত্সায় নাকি ভাল ফল দিচ্ছে এই অ্যান্টি ভাইরাল ড্রাগ।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরী নাগপুরেরই নির্বাচিত সাংসদ। তিনি রেমডিসিভিরের অভাবের বিষয়টি জানামাত্রই ফোন করেন সান ফার্মার ম্যানেজিং ডিরেক্টর দিলীপ সাংভিকে। সান ফার্মাই এদেশে রেমডিসিভিরের প্রস্তুতকারী সংস্থা। সাংভিকে সমস্যার কথা জানিয়ে অবিলম্বে ১০ হাজার রেমডিসিভির ইঞ্জেকশন পাঠানোর আবেদন করেন তিনি। সাংভি তাঁকে আশ্বাস দেন, দ্রুত ৫ হাজার ইঞ্জেকশন পাঠাচ্ছেন,বাকিটা দু-তিনদিনে পাঠিয়ে দেবেন।
মহারাষ্ট্র্রে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় রেমডিসিভিরের খুব চাহিদা রয়েছে।
শনিবারই মহারাষ্ট্রের রাজস্বমন্ত্রী বালাসাহেব থোরাট রেমডিসিভির ইঞ্জেকশনের অভাব ও ভ্যাকসিনের ডোজের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই বলে জানিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবারই রাজ্য সরকার রেমডিসিভিরের দাম প্রতি ভায়াল ১১০০ থেকে ১৪০০ টাকার মধ্যে বেঁধে দিয়ে তার মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
নাগপুরের বাসিন্দাদের যাবতীয় কোভিড-১৯ মোকাবিলায় যাবতীয় সুরক্ষাবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন গডকরী।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More