দূষণ বাড়ছে, সনিয়া গান্ধীকে দিল্লি ছেড়ে অন্যত্র যেতে পরামর্শ ডাক্তারদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : শীতের শুরুতেই ব্যাপক দূষণের কবলে পড়েছে রাজধানী দিল্লি। এই সময় কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীকে অন্তত কয়েকদিনের জন্য দিল্লি ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার পরামর্শ দিলেন চিকিৎসকরা। সনিয়া ক্রনিক চেস্ট ইনফেকশনে ভোগেন। একটি সূত্রে খবর, কংগ্রেস সভানেত্রী কয়েকদিনের জন্য গোয়া অথবা চেন্নাইতে যেতে পারেন। সম্ভবত শুক্রবার বিকালেই তিনি দিল্লি ছেড়ে যাবেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন ছেলে রাহুল গান্ধী অথবা মেয়ে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা।

গতবছর জানুয়ারি মাসে কিছুদিনের জন্য গোয়ায় গিয়েছিলেন সনিয়া। সেখানে তাঁর সাইকেল চালানোর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। গত ৩০ জুলাই তাঁকে দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১২ অগাস্ট রুটিন মেডিক্যাল চেক আপের জন্য তিনি বিদেশে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। সেজন্য সংসদের বাদল অধিবেশনে সনিয়া এবং রাহুল উপস্থিত ছিলেন না।

সম্প্রতি বিহারে বিধানসভা নির্বাচন ও কয়েকটি রাজ্যে উপনির্বাচনে খারাপ ফল হয়েছে কংগ্রেসের। দাবি উঠেছে, দলের সাংগঠনিক রদবদল করতে হবে। ঠিক এই সময়েই দিল্লি ছেড়ে যাচ্ছেন সনিয়া।

ভোটের আগে আসন বাছাই ও সাংগঠনিক দুর্বলতা, এই দু’টি বিষয় নিয়ে বুধবার মুখ খোলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। একটি সংবাদপত্রের সাক্ষাৎকারে চিদম্বরম বলেন, বিহারে কংগ্রেসের আরও বেশি আসনে লড়াই করা উচিত ছিল। তাঁর মতে, বিহারের ভোট প্রমাণ করেছে, সিপিআই এম এল বা এআইএমআইএমের মতো ছোট দলও তৃণমূল স্তরে সংগঠন গড়ে তুলতে পারে। তাই তারা ভোটে ভাল ফল করেছে। তাঁর কথায়, “বিজেপি জোট যতগুলি আসন পেয়েছে, বিরোধীরাও ততগুলিই পেতে পারত। কিন্তু সেজন্য তাদের তৃণমূল স্তরে সংগঠন গড়ে তুলতে হত।”

বিহারের ভোট সম্পর্কে তিনি বলেন, “কংগ্রেসকে মাত্র ২৫ টি আসন দেওয়া হয়েছিল। ওই আসনগুলিতে বিজেপি এবং তার শরিকরা গত ২০ বছর ধরে জিতে আসছে। কংগ্রেসের উচিত ছিল ওই আসনগুলি থেকে লড়তে অস্বীকার করা। আমাদের অন্তত ৪৫ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা উচিত ছিল।”

গত সোমবার দলের আর এক শীর্ষস্থানীয় নেতা কপিল সিব্বল বলেন, এখন কংগ্রেসের সংগঠনকে চাঙ্গা করে তুলতে হবে। যাঁরা অভিজ্ঞ, রাজনীতি বোঝেন, তাঁরা এই কাজ করবেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন আর ভাবার সময় নেই।”

তাঁর কথায়, “অবিলম্বে কয়েকটি স্তরে কিছু কিছু কাজ করতে হবে। সাংগঠনিক কাজ করতে হবে। আরও নানা স্তরে কাজ করতে হবে। আমাদের চাই সক্রিয় ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব। সবদিক ভেবে কাজে হাত দিতে হবে।” পরে তিনি বলেন, “কংগ্রেস কর্মীদের বুঝতে হবে, আমাদের দলের অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More