অতিরিক্ত ওজন বেড়ে গেছে! ডিম খেয়েই সমস্যার সমাধান করতে পারেন, জেনে নিন উপায়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বাস্থ্য সচেতন মানুষরা সবসময় খাবার নিয়ে নানারকম খুটিনাটি পরীক্ষা করতেই থাকেন। কোনটা খেলে ওজন কমবে, কোনটা ডায়েট থেকে একেবারে বাদ দেবেন, এই নিয়ে নানা রিসার্চ অনেকেই করেন। কিন্তু জানেন কি শুধু ডিম খেয়েই চটজলদি ওজন কমাতে পারেন! ওয়েট লস ডায়েটে এটাই নয়া ট্রেন্ড!

এগ-ডায়েট কী!


ডিমের মধ্যে ক্যালোরি কম থাকে এবং প্রোটিন বেশি থাকে। শরীর সুস্থ রাখতে ডাক্তাররাই প্রতিদিন একটা করে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন। প্রতিদিন অন্যান্য সব খাবার বাদ দিয়ে, শুধু ডিম খেয়েই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ওজন কমাতে পারেন বলেন জানাচ্ছেন ডায়েটেশিয়ানরা।

কীভাবে খাবেন!


এগ-ডায়েট মেন্টেন করার নানা উপায় রয়েছে। এবং বিভিন্ন রকমভাবে এই ডায়েট মেন্টেন করতে পারেন। এই ডায়েটে মাংস, সি ফুড, সবজি খেতেই পারেন। তবে অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার একেবারেই খেতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। কোল্ড ড্রিঙ্কস, ফাস্টফুড একেবারেই ছুঁতে না করছেন তাঁরা। আবার দিনে এক বেলায় দুটোর বেশি ডিম খেলে, অন্যান্য বেলায় কম ক্যালোরিযুক্ত, এবং প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনেকেই আঙুর এবং ডিম খেয়েও এই ডায়েটে থাকতে পারেন। সেক্ষেত্রে এই সময়ের মধ্যে অন্যান্য ফল খাওয়া চলবে না। তবে এই ধরনের ডায়েট দু সপ্তাহের বেশি মেন্টেন করতে নিষেধ করছেন তাঁরা। আবার এমন এগ-ডায়েটে পাউরুটি, একটা হাফ বয়েলড ডিম, এবং কম ক্যালোরিযুক্ত সবজি খেয়েও ডায়েট মেন্টেন করতে পারেন। তবে এই সময় অ্যালকোহল, ফাস্টফুড, তৈলাক্ত যেকোনও ধরনের খাবার খেতে বারণ করছেন তাঁরা। আবার এমন ডায়েট মেন্টেন করার সময় এক্সারসাইজ করতেও নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই ধরনের ডায়েট কি উপকারী!

যেহেতু অন্যান্য ভিটামিন, এবং পুষ্টিকর উপাদান থেকে এই সময় শরীর বঞ্চিত থাকে, তাই কিছু ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তাছাড়াও কিছু উপকারিতা রয়েছে। যেমন ফাস্টফুড, কোল্ড ড্রিঙ্কস না খাওয়ায়, সেসবের ক্ষতিকর দিক থেকে মুক্তি পায় শরীর। এক্সারসাইজ ছাড়া, চটজলদি ফলাফলও পাওয়া যায়। তবে দু’সপ্তাহ পর আবার স্বাভাবিক খাওয়াদাওয়া করতে পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সতর্কতা

অনেকই ডিম খেলে নানা শারীরিক অসুবিধার সম্মুখীন হন। তাঁদের এই ধরনের ডায়েট করতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাছাড়াও কখনও কখনও হজমেরও সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোলেস্টেরল লেভেলও বাড়িয়ে দিতে পারে। কাজ করার এনার্জি কমে যায়। ক্লান্তি ভাব চলে আসে। ফ্যাটিগের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More