মমতাই প্রথম নন, এর আগে আর কাদের বিরুদ্ধে ও কেন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল নির্বাচন কমিশন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রচারে বেরিয়ে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগির চেষ্টা করা, হিংসায় উস্কানি ও প্ররোচনামূলক কথা বলার অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে চব্বিশ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। তার পরই কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ করে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের এক ঝাঁক নেতা।

তবে বাস্তব হল, রাজনৈতিক নেতা নেত্রীর বিরুদ্ধে কমিশনের এ হেন কঠোর পদক্ষেপ এই প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার বহু রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে এমন বা এর থেকেও কঠোর পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। এক ঝলকে তা দেখে নেওয়া যাক—

বালাসাহেব ঠাকরে

শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের ভোটে প্রার্থী হওয়া ও ভোট দানের উপরেই ৬ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল নির্বাচন কমিশন। এমনিতেই উগ্র হিন্দু নেতা হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছিল। প্রচারের ভাষাও ছিল উগ্র। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাঁকে রেয়াত করেনি। ১৯৮৭ সালে একটি উপ নির্বাচনের প্রচারে ধর্মীয় উস্কানিমূলক কথা বলেছিলেন ঠাকরে। তা নিয়ে মামলা হয়েছিল। পরে ১৯৯৫ সালে পুরনো ঘটনার সূত্র ধরে ঠাকরের উপর ৬ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। অবশেষে ২০০১ সালে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় কমিশন।

Mumbai: Bal Thackeray Memorial to be built underground, no changes to  Mayor's bungalow

ওমপ্রকাশ চৌটালা

১৯৯৯ সালে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌটালাকে ভিওয়ানি লোকসভা কেন্দ্র ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জে এম লিংডো। সেই ভোটে চৌটালাকে ভোট দানের অনুমতিও দেওয়া হয়নি।

हरियाणा के पूर्व मुख्यमंत्री ओम प्रकाश चौटाला कोरोना पॉजिटिव, मेदांता में  हुए भर्ती

সীতারাম কেশরী ও কল্পনাথ রাই

১৯৯৪ সালে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টিএন সেশন প্রধানমন্ত্রী নরসিংহ রাওকে তাঁর মন্ত্রিসভা থেকে দুই মন্ত্রীকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কমিশনের অভিযোগ ছিল, সীতারাম কেশরী ও কল্পনাথ রাই নিজেদের সরকারি পদের অপব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

যোগী আদিত্যনাথ, মায়াবতী, মানেকা গান্ধী, আজম খান

উনিশের লোকসভা ভোটে প্রচারে ভিত্তিহীন ও সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করার অভিযোগে যোগী আদিত্যনাথ ও সপা নেতা আজম খানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল নির্বাচন কমিশন। যোগী ও আজম খানের প্রচারের উপর ৭২ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

If this is how a 'Yogi' tweets... - Telegraph India

একই ভাবে প্ররোচনামূলক ও ভিত্তিহীন মন্তব্যের জন্য সতর্ক করা হয়েছিল মায়াবতী ও মেনকা গান্ধীকে। মানেকা গান্ধী ও মায়াবতীর প্রচারের উপর ৪৮ ঘন্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

অমিত শাহ

২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি নেতা অমিত শাহ ও সপা নেতা আজম খানের সভা, মিছিল, রোড শো-র উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে তা প্রত্যাহার করা হয়।

Amit Shah to address Rajbongshis and Matuas, key to BJP's poll fortunes |  Cities News,The Indian Express

অনুরাগ ঠাকুর ও প্রবেশ ভার্মা

২০২০ সালে দিল্লি বিধানসভা ভোটের প্রচারে ‘গোলি মারো’ স্লোগান তুলেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। প্রবল সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক কথা বলেছিলেন বিজেপি সাংসদ প্রবেশ ভার্মা। অনুরাগের প্রচারের উপর ৭২ ঘণ্টা এবং প্রবেশের প্রচারের উপর ৯৬ ঘন্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল নির্বাচন কমিশন।

সাধ্বী প্রজ্ঞা

উনিশের লোকসভা ভোটে মুম্বই পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখার প্রয়াত প্রধান হেমন্ত করকরে ও বাবরি মসজিদ ধ্বংস নিয়ে সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেছিলেন সাধ্বী প্রজ্ঞা। তাঁকে ৭২ ঘন্টা প্রচার করতে দেয়নি নির্বাচন কমিশন। কারণ, কমিশনের মতে, স্বাধী প্রজ্ঞা প্ররোচনামূলক কথা বলেছিলেন, সেই সঙ্গে সমাজে ঘৃণার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছেন। যা বরদাস্ত করা যায় না।

BJP दफ्तर में कार्यक्रम के दौरान सांसद साध्वी प्रज्ञा की तबीयत अचानक बिगड़ी  - madhya pradesh bhopal bjp mp sadhvi pragya singh thakur illness - AajTak

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More