আমলা-পুলিশকে হুঁশিয়ারি! এবার ভোটে কমিশন খুব কড়া, নজর সবদিকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার দ্য ওয়ালই প্রথমে জানিয়েছিল যে এবার ভোটে সিভিক পুলিশ ও ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার করা হবে না। শুক্রবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনের সুনীল অরোরা সেই কথাটাই স্পষ্ট করে বললেন। সেই সঙ্গে আমলা ও পুলিশকে হুঁশিয়ার করে বললেন, “গত বার নির্বাচনের সময়ে দুই আইএএস অফিসার ও পাঁচ জন পুলিশ কর্তাকে বদলি করতে হয়েছিল। এ বার বলছি, দেখবেন সে সবের যেন পুনরাবৃত্তি না হয়”।

বাংলায় এক শ্রেণির পুলিশ ও আমলার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ রয়েছে। বিরোধীরা স্পষ্ট বলেন, তাঁরা দলদাস। রাজনৈতিক প্রভুর নির্দেশে কাজ করেন। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের অকাতরে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে দ্বিধা করেন না। এমনকি আবদুল মান্নানদের এও অভিযোগ, কোনও কোনও জেলায় পুলিশ সুপাররা তৃণমূলের জেলা সভাপতির মতো আচরণ করেন। কমিশনের ফুল বেঞ্চের কাছেও বৃহস্পতিবার তাঁরা সেটা জানিয়েছেন।

এর পরই এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিক বৈঠক করেন। সুনীল অরোরা বলেন, “পশ্চিমবাংলার আইন-শৃংখলার উপর আমরা নজর রাখছি। আমরা চাই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হোক।”

তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী কি তিন মাস আগেই মোতায়েন হবে। জবাবে তিনি বলেন, “এ ভাবে সময়, মাস ধরে বলা যায় না। প্রয়োজন মতো মোতায়েন করা হবে সেন্ট্রাল ফোর্স।”

“নির্বাচনী আচরণবিধি লাঘু হওয়ার সাথে সাথেই বাইক রেলী বন্ধ ,বাইক মিছিল করা যাবে না।”

“কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে রাজ্য পুলিশের সাথে ক্লোজ কো-অর্ডিনেশন থাকবে।”

“নির্বাচনে অর্থের বেলাগাম ব্যবহার ও পেশীর ব্যবহার বরদাস্ত করা হবে না। ”

“এবারের নির্বাচনে তিনজন অবজারভার থাকবেন। স্পেশাল অবজারভার, যিনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন। দুই, জেনারেল অবজারভার এবং তিনি এক্সপেন্ডিচার অবজারভার।”

“এ বার বুথের সংখ্যা ২২ হাজার বেড়ে হচ্ছে ১ লক্ষ ১ হাজার। সমস্ত বুথ থাকবে গ্রাউন্ড ফ্লোরে।”

“সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আছে ভোট চলাকালীন যদি কমিশনের কোনো কর্তা বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, এক বছরের মধ্যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More