“মাল হ্যায় কেয়া”, ম্যানেজারদের এসব জিজ্ঞেস করেন স্টারকিডরা! টুইটে দীপিকাকে কটাক্ষ কঙ্গনার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের সঙ্গে মাদক যোগ নিয়ে বরাবরই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত। তবে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় নারকোটিক্স ব্যুরো মাদক যোগ পাওয়ার পর থেকে কঙ্গনা যেন একটু বেশিই সরব হয়েছেন। বি-টাউনের একাধিক তারকার বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। হালফিলে তাঁর নিশানায় রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন।

প্রসঙ্গত, সুশান্তের মৃত্যুর মাদক যোগের ঘটনায় দীপিকার ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশকে সমন পাঠিয়েছে এনসিবি। তলব করা হয়েছে KWAN ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট নামে যে কোম্পানিতে করিশ্মা কর্মরত সেখানকার সিইও ধ্রুব চিতগোপিকরকেও। অন্যদিকে গতকাল রাতে আবার একটি ইংরাজি সংবাদমাধ্যম সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সুশান্ত মৃত্যু তদন্তে মাদক মামলায় বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনকে ডেকে পাঠাতে পারে নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। যদিও এই প্রসঙ্গে দীপিকার কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। এমনকি এনসিবির তরফেও নিশ্চিত ভাবে কিছু জানানো হয়নি।

যদিও এইসব ডামডোলের মধ্যেই দীপিকাকে একহাত নিলেন কঙ্গনা। দীপিকা পাড়ুকোনেরই একটি টুইটকে হাতিয়ার বানিয়েছেন হিমাচল কন্যা। টুইট করে তিনি লিখেছেন, “আমার সঙ্গে বলুন, মাদক সেবনের ফলে মানসিক অবসাদ আসে। তথাকথিত হাই প্রোফাইল সোসাইটির ধনী স্টার কিড, যাঁরা নিজেদের ক্লাসই এবং ভাল শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার দাবি করেন তাঁরা ম্যানেজারদের জিজ্ঞেস করেন মাল হ্যায় ক্যায়?” অনুমান এখানে ‘মাল’ বলতে ‘মাদক’-এর কথা বোঝাতে চেয়েছেন কঙ্গনা রানাওয়াত।

উল্লেখ্য, সুশান্তের অকালমৃত্যুর পর বারবার সামনে এসেছিল অভিনেতার মানসিক অবসাদের কথা। প্রথমে অবশ্য সুশান্তের পরিবার দাবি করেছিলেন যে অভিনেতার এমন কোনও সমস্যা ছিল না। পরে সুশান্তের তিন দিদি মুম্বই পুলিশকে বয়ানে বলেন যে তাঁদের ভাই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। সুশান্তের মৃত্যু এবং মানসিক অবসাদ প্রসঙ্গে সেই সময় দীপিকা পাড়ুকোন টুইট করেছিলেন। অভিনেত্রী নিজেও মানসিক অবসাদের শিকার হয়েছিলেন। তবে কাটিয়েও উঠেছেন সেই দুঃসময়। টুইট করে দীপিকা বলেন, অবসাদ আর পাঁচটা অসুখের মতোই। এটা হলে চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া দরকার, চিকিৎসা দরকার। তিনি লেখেন, “সবাই আমার সঙ্গে বলো, ডিপ্রেশন হল যে কোনও অন্য অসুখের মতোই একটা অসুখ।”

এবার সেই টুইটের প্রসঙ্গ টেনেই দীপিকাকে একহাত নিয়েছেন কঙ্গনা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More