ঝাড়ু হাতে বাগান পরিষ্কার, হোম কোয়ারেন্টাইনে এভাবেই ওয়ার্কআউট করছেন শিল্পা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হোম কোয়ারেন্টানে থেকে কীভাবে নিজেকে ফিট রাখা যায় সে ব্যাপারে বিটাউনের বিভিন্ন তারকা নানারকম টিপস দিয়েছেন। লকডাউনের জেরে আপাতত তিন সপ্তাহ সকলেরই জিম যাওয়া বন্ধ। তাই সবাই বাড়িতেই সেরে নিচ্ছেন শারীরিক কসরত। তবে প্রথাগত শরীত চর্চার থেকে খানিকটা অন্যরকমের কিছু করার কথা বলেছেন শিল্পা শেট্টি।

কদিন আগেই ঝাড়ু হাতে ঘর পরিষ্কার করতে দেখা গিয়েছিল ক্যাটরিনা কাইফকে। এবার ঝাড়ু হাতে সাফাই অভিযানে নামলেন শিল্পা। বাগান পরিষ্কার করার একটি ভিডিও সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। সেখানেই দেখা গিয়েছে একদম উবু হয়ে বসে ঝাড়ু হাতে মন দিয়ে বাগানে পড়ে থাকা শুকনো পাতা ও অন্যান্য জিনিসপত্র পরিষ্কার করছে শিল্পা। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “ওয়ার্কআউট করছি। বাড়ির কাজে সাহায্য করার লোক আসেননি। অতএব ঘর হোক বাগান হোক পরিষ্কার করে নিলেই হবে। সেদিনের মত শরীরচর্চার আর চিন্তা নেই। এর চেয়ে ভাল আর কিছু হয় না। আমার আজকের মত কার্ডিও হয়ে গেছে।”

View this post on Instagram

Cleaning and tending to the garden for these last few days. This lockdown time has made me realise and remember that having help in any form is one of those few things we should always appreciate. Our lives become so much easier because of all our house help/staff but unfortunately, sometimes we only realise this in times like these. Today, I’m grateful for every single person who has made life easier for us in their own way. It is because of them that we can enjoy the gift of time to go out and pursue our dreams. When life gets back to normal, don’t forget to let them know that you value them. . . . . . #20DaysOfGratefulness #SwasthRahoMastRaho #GetFit2020 #stayhome #staysafe #blessed #gratitude #quarantinelife #selfisolation

A post shared by Shilpa Shetty Kundra (@theshilpashetty) on

তবে এখানেই থামেননি অভিনেত্রী। বাড়ির রোজকার কাজে যাঁরা আমাদের সকলকেই সাহায্য করেন তাঁদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন শিল্পা। তাঁর কথায়, “ওই মানুষগুলো সবদিক সামলে রাখে বলেই আমার বাইরে বেরিয়ে নিজেদের স্বপ্নপূরণ করতে পারি। কাউকে যদি সামান্য ভাবেও কেউ কোনও কাজে সাহায্য করেন সেটা সবসময় মনে রাখা দরকার। সেটাকে শ্রদ্ধা করা উচিত। তবে অনেকসময়ই আমরা সেটা ভুলে যাই। লকডাউনের প্রতিটি মুহূর্তে আমি বুঝতে পারছি যে আমার বাড়ির হেল্পিং হ্যান্ড স্টাফরা প্রতিদিন আমায় কত সাহায্য করেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলেও এঁদের অবদান কিন্তু ভুললে চলবে না।”

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.