আমির-কিরণের বিচ্ছেদ দেখে হিন্দু-মুসলিম বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কঙ্গনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্যে ইতি টেনেছেন আমির খান আর কিরণ রাও। রীতিমতো যৌথ বিবৃতি দিয়ে ঘোষণা করেছেন বিচ্ছেদের কথা। তারকা দম্পতির বিচ্ছেদ শুনে যখন শোরগোল পড়ে গেছে বি-টাউনে, তখন এই বিয়ে নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন কঙ্গনা রানাউত।

বলিউডে বরাবরই ঠোঁটকাটা হিসেবে পরিচিত কঙ্গনা রানাউত। তবে এবার তার প্রশ্ন অন্য। হিন্দু-মুসলিম বা আন্তর্ধর্মীয় যে কোনও বিয়ে নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। জানতে চেয়েছেন, কেন মুসলিমদের সঙ্গে বিয়ে হলেই মেয়েদের ধর্ম পরিবর্তন করতে হয়। কেন মেয়েরা নিজের ধর্ম নিয়েই দাম্পত্যে থাকতে পারেন না।

রবিবার রাতে কঙ্গনা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, একটা সময় পাঞ্জাবের বেশিরভাগ পরিবার তাদের এক ছেলেকে হিন্দু আর এক ছেলেকে শিখ হিসেবে বড় করত। কিন্তু এই ট্রেন্ড কখনও হিন্দু আর মুসলিম কিংবা শিখ আর মুসলিমের মধ্যে দেখা যায় না। মুসলিমদের সঙ্গে অন্য কারও এই ট্রেন্ড দেখা যায় না। আমির খান স্যারের দ্বিতীয় ডিভোর্সের পর আমার মনে হচ্ছে, আন্তর্ধর্মীয় বিয়েতে কেন বাচ্চাকে মুসলিমই হতে হয়? কেন মেয়েরা হিন্দু হয়েই থাকতে পারে না? সময় বদলাচ্ছে। আমাদের এটাকেও বদলাতে হবে।

কঙ্গনা আরও বলেন, একটা পরিবারের মধ্যেই যদি হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, রাধাস্বামী এমনকি নাস্তিকরা একসঙ্গে থাকতে পারে, তবে মুসলিমরা কেন নয়? মুসলিমকে বিয়ে করতে হলে কেন মানুষকে তার ধর্ম পরিবর্তন করতে হবে?

শনিবার বিচ্ছেদের পর বিবৃতিতে আমির খান কিরণ রাও জানিয়েছিলেন, বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেও সন্তান আজাদকে একসঙ্গেই মানুষ করবেন তাঁরা। অর্থাৎ অভিভাবক হিসেবে একসঙ্গেই থাকবেন। দায়িত্বে ত্রুটি করবেন না।

এর মাঝেই আবার বলিউড অভিনেত্রী ফতিমা সানা শেখের সঙ্গে আমির খানের সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গিয়েছে। যা নিয়ে এখনও রীতিমতো সরগরম বি-টাউন। বলা হচ্ছে, ফতিমার সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই দীর্ঘ দিনের সম্পর্কে এই বিচ্ছেদ ঘটেছে। যদিও বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে কেউ মুখ খোলেননি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More