রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৭

ক্ষিদের জ্বালায় পাথর গিলতে গিয়ে মারা গিয়েছিল হিরোশিমার অনাথ হিবাকুশা শিশুরা

রূপাঞ্জন গোস্বামী

১৯৪৫ সালের জুলাই মাসের মাঝামাঝি একটা দিনের দুপুর। হিরোশিমা শহরের কেন্দ্রে থাকা কাকোমাছির একটি বাচ্চাদের স্কুলের গেটে এসে থামলো সরকারি বাস। বাচ্চাদের ক্লাস রুম থেকে বের করে আনা হলো। একের পর এক বাচ্চাকে তোলা হতে লাগলো বাসে। বাসের বাইরে তখন দাঁড়িয়ে আছেন শিশুদের বাবা মায়েরা। তাঁদের চোখে জল, বাসের মধ্যে শিশুদের পরিত্রাহি চিৎকার আর কান্নার আওয়াজ, মুহূর্তে পরিবেশকে বিষণ্ণ করে তোলে। অনেক বাবা মা পিছন ফিরে দৌড়তে শুরু করেন কাঁদতে কাঁদতে। ভয়ে চিৎকার করে ওঠে শিশুরা। আতঙ্কে বাসের দরজার দিকে ছুটে যায় তারা। দরজা আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। বাস ছাড়ার আগেই অনেক শিশু কাঁদতে কাঁদতে অজ্ঞান হয়ে যায়। এগারো বছরের বালক কাওয়ামোতো জানে না, কেন তাদেরকে বাবা মায়েরা বাসে তুলে দিয়ে চলে যাচ্ছে। তারা কি বাড়ি ফিরবে না! কী করা হবে তাদের নিয়ে ? গত কয়েকদিন ধরেই বাড়িতে বাবা-মা, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা, এমনকী শহরবাসী কেন চুপচাপ ছিলেন! কেন সবাই হাসছিলেন না! আর কি বাবা মা’র সঙ্গে কাওয়ামোতোর দেখা হবে না। ওই তো, বাসের পিছনে ছুটতে ছুটতে আসছে টোকি দিদি। ছুটে পারছে না বাসের গতির সঙ্গে। দিদি পিচ ঢালা রাস্তায় হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেলো। দিদি….দিদি….দিদি….জ্ঞান হারিয়ে ফেললো কাওয়ামোতো।

তখনও শিশুরা জানেনা, কেন তাদের বাবা মায়েরা, শিক্ষকরা হঠাৎ এত চুপ হয়ে গেছেন

বাস কাওয়ামোতোকে তার বাড়ি ফেরায়নি। বাবা মায়ের সঙ্গে বাচ্চাদের আর দেখা হয়নি

জ্ঞান যখন ফিরলো, কাওয়ামোতো জানতে পারলো সে এখন হিরোশিমা শহর থেকে বেশ দূরে মিয়োসিতে আছে। তার স্কুলের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে তাকে একটা বৌদ্ধ মন্দিরে নিয়ে আসা হয়েছে। আশেপাশে তার বয়সী, কি আরও অনেক ছোট শিশুরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছে। একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনী সবাইকে দেখভাল করছেন। যার সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছেন, সেই শিশুটি চিৎকার করে কেঁদে উঠছে। ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলছে সে বাড়ি যাবে। মায়ের কাছে যাবে। অনেকে জ্ঞান ফিরে পেয়েই ছুটে পালাতে চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রাচীর ঘেরা মন্দিরের দরজা বন্ধ। ধাক্কা মারতে মারতে কচি কচি হাত রক্তাক্ত হয়ে যায়। পরম মমতায় ওষুধ লাগান সন্ন্যাসিনী। মন্দিরে আনা শিশুদের পরিচর্যায় যাঁরা আছেন তাঁরা সবাই মহিলা। বুকে জড়িয়ে আশ্বাস দেন। কিন্তু বাচ্চারা খোঁজে মায়ের কোল। জীবনে মা’কে ছেড়ে থাকেনি ওরা। সারা রাত জেগে থাকে। থেকে থেকে ‘মা’ ‘মা’ করে ডুকরে কেঁদে ওঠে। কাঁদতে কাঁদতে হেঁচকি ওঠে। হেঁচকি হতে হতে একসময় থেমেও যায়। চোখের নীচে জলছবি হয়ে থাকে শুকিয়ে যাওয়া জলের দাগ। মায়ের কোল ছেড়ে চিরতরে চলে আসা বাচ্চারা হঠাৎ পাথরের মূর্তি হয়ে যায়। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে।

স্কুলের দাদাকেই আঁকড়ে ধরা

“হে বুদ্ধ “

মিয়োসির বৌদ্ধ মন্দিরের সন্ন্যাসিনীরা বাচ্চাদের সব সময় ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। তাঁরা জানেন, শিশুদের বাড়ির মতো আদরে রাখতে পারবেন না। যুদ্ধের বাজারে পর্যাপ্ত খাবার বা ওষুধপত্র দিতে পারবেন না। তবুও আপ্রাণ চেষ্টা করে যান। বাচ্চাদের নিয়ে খেলায় মেতে ওঠার চেষ্টা করেন। রাতে গল্প শোনান। কিন্তু বাচ্চারা দিন দিন রোগা হয়ে যায়। খায় না, কথা বলে না। শুধু মন্দিরের প্রধান দরজার দিকে তাকিয়ে থাকে। অজানা এক বিপদের আশঙ্কায়, ছয় থেকে এগারো বছর বয়সী ২০০০ শিশুকে মধ্য হিরোশিমা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে হিরোশিমা প্রশাসন। এই মন্দিরে রয়েছে চল্লিশ জন শিশু। একটি বড় ঘরে তারা গাদাগাদি করে মেঝেতে শুয়ে থাকে। উপায় নেই এর চেয়ে ভালোভাবে রাখার। রোজ সকাল সন্ধ্যায়, ভগবান বুদ্ধের মূর্তির কাছে প্রার্থনায় বসেন সন্ন্যাসিনীরা। বাচ্চাদের কষ্ট দেখা যাচ্ছে না। হে প্রভু ফিরিয়ে দাও ওদের মায়ের কোলে।

আর কি হবে ফেরা বাবা মায়ের কোলে

৬ আগস্টকে হিরোশিমা আজও চেনে ‘সেই দিন‘ বাআনো হাই‘ নামে

বর্ষার ঘনকালো মেঘ বিদায় নিয়েছে জাপানের আকাশ থেকে। জমতে শুরু করছে আতঙ্কের মেঘ। এগারো বছরের কাওয়ামোতো মানিয়ে নিয়েছে মন্দিরের পরিবেশের সঙ্গে। সে বাকিদের থেকে অনেকটাই বড়। এখানের সব বাচ্চাকেই সে চেনে। সবাই তাদের স্কুলের বাচ্চা। একদম ছোট ছোট গুলো, তার কোলে উঠে বসে। গলা জড়িয়ে কাঁদে। কাওয়ামোতো তাদের লাল লাল গালে গাল ঠেকিয়ে ভরসা দেয়। মাথায় হাত বুলিয়ে বলে, “ফিরে যাবো…দেখিস…ফিরে যাবো”।

হিরোশিমার আকাশে মাশরুম মেঘ

৬ আগস্ট, ১৯৪৫, মন্দিরের মাঠে কাজ করছিলো কাওয়ামোতো। হঠাৎ লক্ষ করলো, দূরে হিরোশিমার আকাশে সাদা ফুলকপির মতো একটা মেঘ। নিচ থেকে ওপরে উঠছে। কয়েক মিনিটের মধ্যে তার পায়ের তলার মাটি থরথর করে কাঁপতে লাগলো। দৌড়ে বাইরে এলেন সন্ন্যাসিনীরা। মন্দিরের হল ঘরে বাচ্চারা আবার চিৎকার করে কাঁদতে লাগলো অজানা ভয়ে। বাচ্চাদের বাইরে বের করে আনা হলো। মন্দিরের চাতাল থেকে সবাই তাকিয়ে রইল হিরোশিমার আকাশের দিকে। তারা কেউ জানলো না, পারমাণবিক বোমার মাশরুম মেঘ ঢেকে ফেলেছে হিরোশিমার আকাশ। তার চারদিকে বইছে ধুলোর ঝড়। বাচ্চারা জানতে পারলো না, হিরোশিমার আকাশে ওঠা ধুলোর ঝড়ের মধ্যে মিশে আছেন তাদের বাবা মা দাদা দিদি আত্মীয়স্বজনদের দেহ। এক নিমেষে ধুলো হয়ে গেছে মানুষগুলো, ধুলো হয়ে গেছে মধ্য হিরোশিমার ‘কাকোমাছি‘।

তখন হিরোশিমায়

আমেরিকার পারমাণবিক বোমায় সেদিন মধ্য হিরোশিমার ৯০ শতাংশ মানুষ মারা গিয়েছিলেন। যে ২০০০ বাচ্চা ছেলে মেয়েকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ শিশু হারিয়েছিল তাদের বাবা মা আত্মীয়স্বজন। মুহূর্তের মধ্যে মধ্য হিরোশিমার ২০০০ জন শিশু অনাথ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কেউ তাদের বলেনি হিরোশিমা শহরে কী হয়েছে। কারণ, তাদের বাবা মা’রা আকাশের তারা হয়ে গিয়েছেন।

আবার হিরোশিমায় ফিরে এল ‘মিনাশিগো  হিবাকুশা’ শিশুরা

পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের হাত থেকে অবিশ্বাস্য ভাবে বেঁচে গিয়েছিলো কাওয়ামোতোর ১৬ বছরের দিদি টোকি। সেদিন সে হিরোশিমার রেলস্টেশনের সাবওয়ে ঝাঁটা দিয়ে সাফ করছিলো। মাটির তলায় থাকা কংক্রিটের দেওয়াল তাকে বাঁচিয়ে দেয়। সারাদিন সাবওয়েতে লুকিয়ে পরের দিন বাড়ি ফেরে। কোথায় বাড়ি, সেখানে এখন কয়েকশো ফুট গভীর গর্ত। কাঁদতে কাঁদতে কোনওমতে এসে পৌঁছায় মিয়োসিতে সেই বৌদ্ধমন্দিরে। কীভাবে বা কীসের বিনিময়ে, তা জানতে পারেনি কাওয়ামোতো। তাকে নিয়ে দিদি ফিরে আসে হিরোশিমার রেল স্টেশনে। ঠাঁই নেয় একটা কাঠের বাক্সে।

ঠিকানা এখন রেলওয়ে স্টেশন

ওদিকে বৌদ্ধ মন্দিরে, ৩৯টি শিশুকে রাখা ও দু’বেলা খাওয়ানোও সম্ভব হয় না সন্ন্যাসিনীদের পক্ষে। যুদ্ধবিদ্ধস্ত হিরোশিমায় খাদ্যদ্রব্য নিয়ে কালোবাজারি শুরু হয়। সন্ন্যাসীরা শিশুদের আবার হিরোশিমায় পাঠিয়ে দেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয় ২০০০ শিশুকে। যাদের মধ্যে ১৯০০ জনই এখন অনাথ। তাদের নাম এখন মিনাশিগো  হিবাকুশা (বিস্ফোরণ আক্রান্ত অনাথ)

মর্মান্তিক লড়াই লড়ে হেরে গেল বেশিরভাগ অনাথ শিশু

অনাথ শিশুরা শহরে ফিরে এসে দেখেছিল, তাদের বাবা, মা, আত্মীয়স্বজন, চেনা পরিচিত কেউ আর বেঁচে নেই। পুরো শহরটা মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। রাস্তায় রাস্তায় সারমেয় শাবকদের মতো ঘুরে বেড়াতে লাগলো একপাল অনাথ হিবাকুশা বাচ্চা। বয়স মাত্র ৬ থেকে ১১। অবশেষে তারা উঠলো এসে হিরোশিমা স্টেশনে। সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় খাবার খুঁজে বেড়ায় ডাস্টবিন থেকে। সরকারি রিলিফের রুটি অনাথ হিবাকুশা বাচ্চাদের হাত থেকে ছিনিয়ে খেয়ে নেয় পূর্ণবয়স্করা। ক্ষুধার্ত শিশুগুলি নর্দমাতে ফেলে দেওয়া পচা খাবার তুলে খায়। স্থানীয় মহিলারা শিশুগুলিকে বাঁচাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেন। কিন্তু ওদের কচি কচি পেট ভরাবার মতো খাবারও যে মিলছে না। তাঁদেরও বাড়িতে ছেলেমেয়ে আছে, তারাও যে অভুক্ত। এর পরেও, কেউ কেউ একেবারে ছোট অনাথ হিবাকুশা বাচ্চাগুলি খাবার দিতেন। অনাথ বাচ্চাদের মধ্যে যারা একটু বড়, তারা চিলের মতো ছো মেরে সেই খাবার খেয়ে নিতো।

শেষ হয়ে আসছে লড়াই

তবু বাঁচার জন্য আপ্রাণ লড়াই করে যেতো বাচ্চাগুলো, পশুর শাবকের মতো। ১৯৪৫ সালের শেষের দিকে, কাওয়ামোতোর চোখের সামনে অনাহারে, অখাদ্য কুখাদ্য খেয়ে কলেরায় মারা গেলো তার স্কুলের শেষ কয়েকজন বন্ধুও। একেবারে ছোট ছোট বাচ্চাগুলো দিনের পর দিন একফোঁটা খাবার না পেয়ে ধুঁকে ধুঁকে মারা গেলো। তাদের মধ্যে কয়েকজন এত ক্ষুধার্ত ছিল, ক্ষিদের জ্বালায় মুখের ভেতর পাথর ঢুকিয়ে গিলতে গিয়ে মারা গিয়েছিল। অনেক শিশুর শবদেহ দেখেছে কাওয়ামোতো, মুখভর্তি পাথর আর পাথর, চোখ খোলা।

মাস কয়েকের মধ্যে, ১৯০০ অনাথ হিবাকুশা শিশুর বেশিরভাগই  স্রেফ খেতে না পেয়ে মারা যায়। স্টেশন চত্বরের আশে পাশে পড়ে থাকে বাবা মায়ের নয়নমণির কচি, শীর্ণ ধুলোমাখা নিষ্প্রাণ দেহ। শিশুর শবদেহ দ্রুত সরিয়ে দেয় হিরোশিমা প্রশাসন।

সামনে নিশ্চিত মৃত্যু

পারমাণবিক বোমার আঘাত দিলো যৌবনেও

১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, অজানা রোগে মারা গেলো কাওয়ামোতোর দিদি টোকি। সম্ভবত পারমাণবিক বোমার রেডিয়েশন জনিত লিউকেমিয়া হয়ে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো কাওয়ামোতোকে, একটি সয়া সস ফ্যাক্টরির মালিক মিস্টার কাওয়ানাকা তাঁর ফ্যাক্টরিতে কাজে নিলেন। সেখানে কাওয়ামোতো কাজ করলো ১১ বছর।

ইতি মধ্যে কাওয়ামোতোর বয়েস হয়ে গেছে তেইশ। টোমো গ্রামের এক মিষ্টির মেয়ের প্রেমে পড়লেন তিনি। কিন্তু প্রেমিকার পরিবার বিয়েতে রাজি নয়। কারণ আর কিছুই নয়, পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের জন্য কাওয়ামোতোর কাছে থাকা হিবাকুশা হেলথ সর্টিফিকেট। যাতে লেখা আছে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের পর কাওয়ামোতো হিরোশিমায় ফিরে এসেছিলেন। যাঁরা পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ফলে হওয়া তেজস্ক্রিয়তার আওতায় ছিলেন, তাঁরা সমাজে চিরতরে অচ্ছুত হয়ে গিয়েছিলেন। মানুষ তাঁদের ভয় পেতো। না, কাওয়ামোতোর প্রেমিকা তাঁকে বিয়ে করেননি। বাকি জীবন কাওয়ামোতো একাই কাটিয়েছেন। দাঁড় করিয়েছেন তাঁর স্ট্রিট ফুডের দোকান, কাছের শহর ওকায়ামাতে।

এক আকাশ ক্ষত নিয়ে বেঁচে আছেন কাওয়ামোতো

অনাথ হিবাকুশারা আজ কেমন আছেন!

লজ্জা আর বঞ্চনার গন্ধ এখনও ঘুরে বেড়ায় অল্প কয়েকজন জীবিত অনাথ হিবাকুশাদের ঘিরে। যে কয়েকজন আশি ছুঁই ছুঁই হিবাকুশা বেঁচে আছেন তাঁরা অত্যন্ত দারিদ্রের মধ্যে জীবন যাপন করছেন। কেউ জেলে, কেউ হসপিটালে, কেউ বা কেয়ার হোমে মৃত্যুর অপেক্ষায় দিন গুনছেন। জাপান আর আমেরিকা উভয় দেশই সেদিনের কিছু ভয়ঙ্কর ও মর্মান্তিক চেপে যায়। কিন্তু সত্য চাপা থাকে না। ফিনিক্স পাখির মতোই হিরোশিমার ছাই থেকে ডানা মেলে অকথিত সত্য।

হিরোশিমায় আছে পিস মেমোরিয়াল মিউজিয়াম। সেখানে, দেশ বিদেশের দর্শকের সামনে এখনও ৭৩ বছর আগেকার মর্মস্পর্শী ঘটনা বলে শোনান ৮৪ বছরের শোসো কাওয়ামোতো, “আমার স্কুলের সাত বছরের মেয়ে আকিরার নিথর চোখের দৃষ্টি আজও ভুলিনি। বাড়ির গাড়ি করে স্কুলে আসত। কিন্তু সে ট্রেন লাইনের পাশে, ক্ষিধের জ্বালায়, নুড়ি গিলতে গিয়ে মরেছিল। চলে যাওয়ার আগে, সে তার আশেপাশে কাকে যেন ঘোলাটে চোখে খুঁজছিল। হয়তো তার মাকে”

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 

Shares

Comments are closed.