মোদীর উদ্দেশে মমতা, ‘ধন্যবাদ! বাংলার স্বার্থে কেন্দ্রের ধারাবাহিক সাহায্য আশা করছি’

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরই সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে মনে করাতে চাইলেন দিদি।

বুধবার মমতা শপথ নেওয়ার পরই টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানান তিনি। তার জবাবে মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে বলেন, “নরেন্দ্র মোদীজি আপনার শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের থেকে ধারাবাহিক সমর্থন ও সাহায্য প্রত্যাশা করছি।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, “চলতি মহামারী ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় পূর্ণ সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করছি এবং আশা করছি আমরা যৌথভাবে তা করতে পারব এবং কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্কের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে পারব।”

এদিন শপথ নেওয়ার পরই কোভিড মোকাবিলায় নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনের কর্তাদের মতে, রাজ্যের সামনে এখন দুটো বড় চ্যালেঞ্জ। এক, কোভিডের সংক্রমণ মোকাবিলা। এবং দুই, কোভিডের ধাক্কায় অর্থনীতি যে ভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে সেই পরিস্থিতিতে মানুষকে সুরাহা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। সে ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সহযোগিতা অপরিহার্য।

গোটা দেশে সুষ্ঠু ভাবে কোভিড মোকাবিলা করার জন্য রাজ্যগুলির উপর কেন্দ্রের নির্ভরতা রয়েছেই। সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতেই তা সম্ভব বলে মনে করেন অনেকেই।

তবে পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের টুইট অর্থবহ। দেশজুড়ে অর্থনৈতিক সংকটের পরিবেশে সুষ্ঠু ভাবে সরকার পরিচালনা এখন চাপের বিষয়। কেন্দ্রের সহযোগিতা লাগবেই। কিন্তু গত মেয়াদে কেন্দ্র-রাজ্য যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা অব্যাহত থাকলে মুশকিল হতে পারে। বাংলার শাসক দলের অনেকেরই আশঙ্কা রয়েছে যে ভোটে হেরে যাওয়ার পর বিজেপি তথা কেন্দ্রের সরকার রাজ্যের সঙ্গে খুব বেশি সহযোগিতা নাও করতে পারে। সেই কারণেই হয়তো আগাম কথাটি বলে রাখলেন দিদি। প্রধানমন্ত্রীকে মনে করাতে চাইলেন সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাই এখন সময়ের দাবি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More