ছোট্ট নীরজ শরীরের ভারে নড়তেই পারত না, ওজন কমাতেই খেলায় হাতেখড়ি

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পানিপথের খান্দ্রা গ্রামের নাম খুব বেশি লোক হয়তো শোনেননি। তবে শনিবারের পর থেকে অলিম্পিকের ইতিহাসে ভারতের এই অখ্যাত গ্রামের নাম সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে আজীবন। সৌজন্যে নীরজ চোপড়া।

শতাব্দীর খরা কাটিয়ে ভারতকে অলিম্পিকে সোনার পদক এনে দিয়েছেন নীরজ। জ্যাভেলিন থ্রো-তে তিনিই সেরার সেরা। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না ঠিক কী কারণে খেলার জগতে পা দিয়েছেন নীরজ। আজকের ইতিহাসের নেপথ্যে রয়েছে ঠিক কোন রহস্য।

খান্দ্রা গ্রামের এক দরিদ্র সাধারণ কৃষকের ছেলে নীরজ। ছোটবেলায় তিনি বড্ড মোটা ছিলেন। শরীরের ভারে কাজ করতে পারতেন না। এমনকি নড়তে চড়তেও সমস্যা হত। আর সেই কারণেই কয়েক কিলো ওজন কমাতে খেলার দুনিয়ায় হাতেখড়ি হয় নীরজ চোপড়ার।

একটা সময়ে নীরজ চোপড়ার ওজন ছিল ৯০ কেজি। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১২ বছর। অতিরিক্ত ওজনের কারণে একটা সময় খাটাখাটনিকে বেজায় ভয় পেতেন নীরজ। আলসেমি করেই দিন কাটত। অনেক বলে কয়ে নীরজকে জিমে ভর্তি করতে পেরেছিলেন তাঁর পরিবারের লোকজন।

এসময় শিবাজী স্টেডিয়ামে নিয়মিত ভোরবেলা জগিং করতে যেতেন নীরজ। তখনই দেখা হয় জ্যাভেলিনের স্বনামধন্য অ্যাথলিট জয় চৌধুরীর সঙ্গে। আর সেই থেকে ইতিহাসের শুরু।

খেলার দুনিয়ায় নীরজের প্রথম শিক্ষাগুরু জয় চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সেসময় নীরজের ওজন বেশি হলেও তাঁর শরীর ছিল একেবারে তৈরি।

ওজন নিয়ন্ত্রণে এনে এরপর জ্যাভলিনে একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছেন নীরজ চোপড়া। টোকিও অলিম্পিকেও প্রথম থেকেই বেশ ফেভারিট ছিলেন তিনি। শনিবার ইতিহাস লিখলেন। দেশকে এনে দিলেন বহু বহু বছর পর সোনার পদক।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.