ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ, ফের বললেন অশোক গেহলোট, কিন্তু দেখা করলেন না শচীন পাইলটের সঙ্গে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : তিনদিন আগেই রাজস্থানের বিদ্রোহী নেতা শচীন পাইলটের ‘ঘর ওয়াপসি’-র কথা ঘোষণা করেছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত শচীনের সঙ্গে দেখা করেননি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোট। শচীন কংগ্রেস ছাড়ছেন না শুনে গেহলোট বলেছিলেন, ‘ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ’। যা হয়েছে সব ভুলে যান। এদিন তিনি ফের টুইট করে বলেছেন, ‘ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ’। অনেকের ধারণা, গেহলোট এদিনই শচীনের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। কিন্তু নিশ্চিত করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

রাজস্থানে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন শুরু হতে চলেছে ১৪ অগাস্ট থেকে। তার আগে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসবে কংগ্রেস পরিষদীয় দল। সেখানেই গেহলোটের সঙ্গে শচীনের দেখা হতে পারে। ইতিমধ্যে গেহলোট হিন্দিতে টুইট করে বলেছেন, “সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালাচ্ছে কংগ্রেস। গত এক মাসে কংগ্রেসের অভ্যন্তরে নানা বিষয়ে মতভেদ দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সেকথা ভুলে আমাদের সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে।”

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এই টুইটে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সনিয়া ও রাহুলের নির্দেশ মেনে শচীনের সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে নেবেন। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা অত সহজ হবে না। গত একমাস ধরে গেহলোট প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীনকে ‘নিকম্মা আউর নাকারা’ অর্থাৎ অপদার্থ ও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে সমালোচনা করে এসেছেন। বার বার বলেছেন, শচীনকে দেখতে সুন্দর, ভাল কথা বলতে পারেন। এছাড়া তাঁর কোনও গুণ নেই।

গেহলোট ও শচীনের মধ্যে বিরোধ মেটানোর জন্য জয়পুরে গিয়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল। তিনি বুধবার রাত থেকে দফায় দফায় দু’জনের সঙ্গে কথা বলেছেন।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী তাঁর অনুগামী বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে তিনি বলেন, বিধায়করা স্বাভাবিক কারণেই স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছেন। তাঁরা যদি অসন্তুষ্ট হন, তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই। গত এক মাস ধরে যা ঘটেছে, তাঁদের যেভাবে হোটেলে থাকতে হয়েছে, তাতে এমন প্রতিক্রিয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু আমি তাঁদের বুঝিয়ে বলেছি, কোনও কোনও সময় অনেক কিছু সহ্য করতে হয়।”

পরে গেহলোট বলেন, “কেউ ভুল করলে তাকে ক্ষমা করা উচিত। গণতন্ত্রের জন্য আমাদের অনেক কিছু মেনে নিতে হবে। এখন দেশে গণতন্ত্র বিপন্ন। আমার পক্ষে ১০০ জনের বেশি বিধায়ক আছেন। কর্নাটক ও মধ্যপ্রদেশে বিজেপি যা করেছিল, রাজস্থানে তা করতে পারেনি। গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More