পাকিস্তানে মিলল ১৩০০ বছরের হিন্দু মন্দির, মিশরে ২৫০০ বছরের পুরোনো একশো মমি! ২০২০ কিন্তু ঐতিহাসিক বছরও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২০ সালটা অনেক ভাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে মানুষের মনে। মানুষকে যেমন পড়তে হয়েছে মহামারীর কবলে, তেমনই এবছরে বিশ্বজুড়ে আবিষ্কৃত হয়েছে বেশ কয়েকটি ছোট বড় ঐতিহাসিক জিনিস, ঐতিহাসিক জায়গা।

এমনই বহু পুরোনো হিন্দুদের মন্দির আবিষ্কৃত হয়েছে এবছর। এবার প্রায় ১৩০০ বছরের পুরোনো একটি হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুংখোয়া প্রদেশের সোয়াট জেলা থেকে। পাকিস্তানি এবং ইতালিয়ান প্রত্নতত্ত্ববিদরা খুঁজে পেয়েছেন এই মন্দিরে অস্তিত্ব। বারিকোট ঘুন্ডায়ের খননকার্য চলাকালীন খুঁজে পাওয়া যায় এই মন্দিরটিকে।

খাইবার পাখতুংখোয়ার প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সদস্য ফজল খালিক বলেন, মন্দিরটি ভগবান বিষ্ণুর মন্দির। প্রায় ১৩০০ বছর আগে শাহী হিন্দুদের আমলে এই মন্দির বানানো হয়েছে বলে তিনি জানান। এই মন্দিরের পাশে একটি জলাধারও খুঁজে পাওয়া গেছে। অনেকেই ধারণা করেছেন যে ভক্তরা মন্দিরে পুজো দেবার আগে ওই জলাধারে স্নান করতেন।

মিশরীয় প্রত্নতাত্ত্বিকরা এবছর কমপক্ষে ১০০টি প্রাচীন কফিন আবিষ্কার করেছেন। কায়রোর দক্ষিণে একটি বিশাল নেক্রোপলিসে ৪০টির মতো সোনার মূর্তি তাঁরা খুঁজে পান। ২৫০০ বছর আগে এই মমিগুলো সমাহিত করা হয়। সাক্কারার একটি প্রদর্শনীতে জোসারের বিখ্যাত স্টেপ পিরামিডকে আনা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

ইতালির পম্পেই থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগের মানুষের কঙ্কাল খুঁজে পাওয়া গেছে। কঙ্কাল দুটো একজন ধনী ব্যক্তি ও তাঁর চাকরের, যাঁরা ভিসুভিয়াস পাহাড়ের বিস্ফোরণ থেকে বাঁচতে চেয়েছিলেন কিন্তু পারেননি।আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ফলে প্রাচীন রোমান শহর ধ্বংস হয়ে যায়! এবছর ভূমধ্যসাগরের উপকণ্ঠে খননকার্যের সময় এই দুই ব্যক্তির খুলি ও হাড়কঙ্কাল পাওয়া যায়। পম্পেইয়ের কর্মকর্তারা জানান যে ভেসুভিয়াস পাহাড়ের প্রথমদিনের অাগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের হাত থেকে রক্ষা পেলেও দ্বিতীয়দিন ওই দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

এথেন্সের গ্রিক দেবতা হার্মিসের মূর্তি খুঁজে পেয়েছেন গ্রিসের নর্দমা সাফাইয়ের কর্মীরা। নিকাশি নালির দেওয়ালে মূর্তিটিকে প্রথম দেখতে পান তাঁরা। মূর্তিটি যথেষ্ট ভাল অবস্থাতেই পাওয়া গেছে। আর এতে স্পষ্ট ভাবে মূর্তিটির সময় কাল লেখা রয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে মূর্তিটি বানানো হয়েছে বলে লেখা রয়েছে মূর্তির গায়ে। এটা যুবক হার্মিসের মূর্তি বলেই অনেকে মনে করেছেন। বর্তমানে মূর্তিটি এথেন্সের সংস্কৃতি দফতরের এফোর্ট অফ অ্যান্টিকুইটিসে রাখা রয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More