বিয়ে করলেন নাগিন কন্যা সায়ন্তনী, রিসেপশনে যুগলে পাড়ি দিলেন জয়পুর

0

কলকাতার মেয়ে সায়ন্তনী বহু বছর ধরে দাপিয়ে কাজ করছেন একাধিক হিন্দি সিরিয়ালে। কলকাতার একটি নামী ক্লাবে বিয়ের আসর বসেছিল তাঁর। কেমন হল সেই বিয়ে?
‘তেরা ইয়ার হু ম্যায়’ ধারাবাহিকের দলজিতের বিয়ে হতে না হতেই রিয়েল লাইফেও বিয়েটা সেরে ফেললেন সায়ন্তনী। অভিনেত্রী সায়ন্তনী ঘোষ। কলকাতার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে করতেই পাড়ি দিয়েছিলেন মুম্বই। হিন্দি ধারাবাহিকে এসময়ের খুব চেনা মুখ সায়ন্তনী। প্রথম হিট মেগা ‘কুমকুম ভাগ্য’। এরপর ‘নাগিন’ রূপে সারা ভারতের দর্শককে আবিষ্ট করেছেন সায়ন্তনী।কিছু দিন আগেই শেষ হয়েছে তাঁর ‘নাগিন ৪’। এই মুহূর্তে ‘তেরা ইয়ার হু ম্যায়’এর দলজিত্ ছুটি নিয়েছেন কয়েক দিনের জন্য। পরশু কলকাতার একটি নামকরা ক্লাবে একেবারে বাঙালি রীতি-নিয়ম মেনে বিয়ে করলেন সায়ন্তনী-অনুরাগ। অনুরাগ তিওয়ারি, মুম্বই ইন্ডাস্ট্রির খুব নামী ফিজিক্যাল ট্রেনার। দুজনের সম্পর্ক সাত বছরের। অবশেষে চার হাত এক হল।সায়ন্তনী বললেন, বিয়ের দিন সকালে যখন শাঁখা-পলা পরলাম একেবারে অন্যরকম অনুভূতি হল। আগে শ্যুটিংয়ে তো কতবার পরেছি, কিন্তু আজ মনে হল দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল।
আশীর্বাদ, গায়ে হলুদ, রেজিস্ট্রেশন, বিয়ে- প্রতিটা অনুষ্ঠানেই সায়ন্তনীকে দেখা গেছে শাড়িতে। কথায় কথায় বললেন, আমার দিদার খুব ইচ্ছে ছিল আমাদের বিয়ে দেখার। কিন্তু গত বছর দিদা চলে গেছেন। দিদার রেখে যাওয়া লাল শাড়ি আর বালা পরেছি সিঁদুরদানের সময়। খুব মনে পড়ছিল দিদার কথা।অনুরাগকেও বরবেশে ধুতি পাঞ্জাবিতে খুব সুন্দর দেখাচ্ছিল। অফ হোয়াইট সিল্কে মাল্টিকালারড রেশম সুতোয় এমব্রয়ডারি করা ডিজাইনার পাঞ্জাবির সঙ্গে সিল্কের কোঁচানো ধুতি পরেছিলেন। বিয়ের সব রীতি রেওয়াজ মিটে যাওয়ার পর অনুরাগ পরেছিলেন লাল সিল্কের শেরওয়ানির ওপর বেনারসি ব্রোকেড কোট। আর সায়ন্তনী লাল বেনারসির সঙ্গে বেনারসি পাড় বসানো পাফ ফুলস্লিভ অরগেঞ্জা ব্লাউজ পরেছিলেন। সঙ্গে ছিল সোনা আর মুক্তোর গয়না। কপালে লাল টিপ ঘিরে চন্দনের বিন্দু। নাকে মিনা নাকছাবি। এদিন তাঁকে সাজিয়েছিলেন স্বনামধন্য মেকআপ আর্টিস্ট অনিরুদ্ধ চাকলাদার। একেবারে সিম্পল বাঙালি কনের সাজে সায়ন্তনীকে লাগছিল রানির মতো।অনুরাগের বাড়ি জয়পুরে। তাই ইতিমধ্যেই যুগলে পৌছে গেছেন সেখানে। জমজমাট রিসেপশন পার্টি জয়পুরে। শ্বশুরবাড়িতে কয়েকদিন কাটিয়ে ‘নাগিন-কন্যা’ ফিরবেন আরব সাগরের তীরে তাঁর কাজের শহর মুম্বইয়ে। ‘তেরা ইয়ার হু ম্যায়’য়ের দলজিতের জন্য দর্শক অপেক্ষা করছেন যে ।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.