পুজোয় বাংলার তাঁতিদের জন্য ডিটারজেন্ট ব্র্যান্ড সানলাইট আর ‘পরমা’র নয়া উদ্যোগ

কোভিড আবর্তে পড়ে দু’বছরে বিরাট ক্ষতি হয়ে গেছে বাংলার তাঁত শিল্পে। কর্মহীন এবং অর্থহীন হয়ে পড়েছেন বহু তাঁতি। বিশেষতঃ যাঁরা হ্যান্ডলুমে তাঁত বোনেন। এই দুঃসময়ে কলকাতা তথা বাংলার হ্যান্ডলুম তাঁতিদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ডিটারজেন্ট ব্র্যান্ড সানলাইট সংস্থা। তাঁতিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং নতুন কর্মসংস্থানের জন্য ‘সানলাইট তাতির রং’ নামে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে এই সংস্থা।সানলাইটের সহায়তায় ফ্যাশন ডিজাইনার পরমা ঘোষ তাঁর পুজোর কালেকশনে বাংলার ১২ জন ঐতিহ্যবাহী তাঁতিকে নিয়ে অভূতপূর্ব কোলাবরেশন তৈরি করেছেন। পরমা যে শুধুমাত্র বাংলার এই ১২ জন তাঁতির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন তাই নয়। উপরন্তু তাঁতিদের শৈল্পিক হাতের ছোঁয়ায় তাঁত, বেগমপুরি, জামদানি, গরদ, শান্তিপুরি শাড়ি হয়ে উঠেছে এককথায় ম্যাজিকাল।পরমার কনটেম্পোরারি চিন্তাভাবনার সঙ্গে তাঁতিদের ঐতিহ্যবাহী অপূর্ব কারুকাজের সংমিশ্রণে এ বছরে ‘পরমা’ পুজোর কালেকশন এককথায় এক্সক্লুসিভ। তাঁতিদের হাতের জাদু আর ‘সেন্স অফ আর্ট’ দুইই ধরা পড়েছে ‘পরমা’র শাড়ির কালেকশনে।এবার পুজোয় সানলাইটের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই প্রথম এক্সক্লুসিভ শাড়ির কালেকশন লঞ্চ করেছে ‘পরমা’। বর্ধমানের কাটোয়া জেলার তাঁতি বলরামবাবু এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম এভাবেই হ্যান্ডলুমে শাড়ি বুনি। বংশ পরম্পরায় রংবেরঙের সুতো নিয়ে কাজ করা আমাদের জীবন এবং জীবিকা। কিন্তু কোভিডের কারণে লকডাউনে এক লহমায় আমাদের কর্মজীবন স্তব্ধ হয়ে যায়। সানলাইটের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে আমাদের পায়ের নীচের জমি শক্ত করতে সাহায্য করল। এইভাবে আমাদের কাজে ফিরিয়ে আনার জন্য এই সংস্থার কাছে সত্যিই আমরা কৃতজ্ঞ।”তাঁতিদের সম্মাননা জানাতে অলকানন্দা রায়, সোমলতা আচার্য, সোহিনী সেনগুপ্ত, নন্দিনী ভৌমিক প্রমুখদের মতো স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত বিশিষ্ট নারীদের এই শাড়ি পরানো হয়েছে ।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More