রানু মণ্ডলের বায়োপিক, জানেন কি, কে অভিনয় করবে রানুর চরিত্রে

0

রানু মণ্ডলকে চেনেন না এমন মানুষ বোধহয় খুব কমই আছেন। রানাঘাট রেলওয়ে স্টেশনে লতাকণ্ঠী রানু মণ্ডলের গাওয়া ‘এক পেয়্যার কা নগমা হ্যায়’ গানের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই রাতারাতি নেট দুনিয়ায় সেনসেশনে পরিণত হয়েছিলেন রানু মণ্ডল। এরপর কম্পোজার গায়ক হিমেশ রেশমিয়ার আমন্ত্রণে ছবিতে প্লেব্যাক করতে স্বপ্ননগরী মুম্বই পাড়ি দেন রানু। হিমেশ রেশমিয়ার সুরে ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হির’ ছবির জন্য রানু-হিমেশ রেশমিয়ার ডুয়েট ‘তেরি মেরি কাহানি’ গানটি ছিল এককথায় স্ম্যাশ হিট। সম্প্রতি রানু মণ্ডলকে নিয়ে বায়োপিক ‘মিস রানু মারিয়া’ নামে হিন্দি ছবি তৈরি করছেন ‘কুসুমিতা গপ্পো’ খ্যাত পরিচালক ঋষিকেশ মণ্ডল। ছবিটি প্রযোজনা করছে হুইলার্স মোশন পিকচার্স। কোভিডের তৃতীয় ঢেউ না এলে নভেম্বর মাসেই ফ্লোরে যাবে ‘মিস রানু মারিয়া’। তার আগেই একান্ত আলাপচারিতায় ধরা দিলেন ছবির পরিচালক ঋষিকেশ মণ্ডল। চৈতালি দত্তর সঙ্গে আড্ডায় উঠে এল সিনেমা তথা রানু মণ্ডলের জীবনকথা সহ অনেক অজানা গল্প।হঠাৎ রানু মণ্ডলের বায়োপিক করতে আপনি আগ্রহী হলেন কেন?
ঋষিকেশ: রানু মণ্ডলের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই ২০১৯ এ আমি আর আমার টিম রানাঘাট যাই। সেখানে সাতদিন আমরা হোটেলে ছিলাম। এরপর রানু মণ্ডলের সঙ্গে পরিচিত হই। বেশ কয়েকবার কথা বলার পর ওঁকে দিদি বলে সম্মোধন করলে খুব খুশি হন। যত সময় এগিয়েছে ওঁর সঙ্গে কথা বলে বুঝেছি যে অন্তর্নিহিত অনেক অব্যক্ত কথা ওঁর আছে যা সকলের কাছে অচেনা, অজানা। সেরকম একটি চরিত্র রানু মণ্ডল। রানুর মধ্যে এমন অনেক গুণ আছে যা আমাকে ছবি তৈরি করতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আমার ছবি মিউজিক্যাল এবং সাইকোলজিক্যাল বলা যেতে পারে। রানুর জীবনে অনেক চরাই-উতরাই, সম্পর্ক ভাঙার যন্ত্রণাও রয়েছে।

রানুর জীবনে যে অজানা দিক রয়েছে তা যদি একটু সংক্ষেপে বলেন-
ঋষিকেশ: (একটু চুপ করে) ছবির স্বার্থে সব বলা যাবে না। সম্পূর্ণ সত্যি ঘটনার ভিত্তিতেই রানু মণ্ডলের জীবন নিয়ে আমি বায়োপিক তৈরি করছি। রানু খুব আত্মবিশ্বাসী, জেদি আর নাকউঁচু স্বভাবের একজন মানুষ। ছেলেবেলায় তিনি মাকে হারান। বাবা দ্বিতীয়বার বিয়ে করলে সৎ মা রানুর ওপর চরম অত্যাচার করত। সেই সময় রানুর দিদা আর মাসি রানাঘাটে মাসির বাড়িতে তাঁকে নিয়ে চলে আসেন। দিদার মৃত্যুর পর মাসির কাছেই বড় হন রানু। ছোটোবেলা থেকেই রেডিওতে গান শুনে অনায়াসে যে কোনও গান গাইবার অসীম ক্ষমতা ছিল তাঁর। একটু বড় হবার পর অর্কেস্ট্রা কোম্পানির হয়ে গান গাইতে শুরু করেন রানু। গ্রামেগঞ্জে বিভিন্ন জায়গায় কল শোতে লতাকণ্ঠী হিসেবে ‘মিস রানু মারিয়া’ নামে তিনি পারফর্ম করতেন। এরপর একদিন বাবলু মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করে মুম্বই চলে যান। বিয়ের পর তিনি রানু মারিয়া থেকে রানু মণ্ডল হন। সেখানে বলিউড অভিনেতা ফিরোজ খানের বাড়িতে বাবলু মণ্ডল রান্নার কাজ করতেন। ফিরোজ খানের ছেলে ফারদিন খানের গভর্নেস ছিলেন রানু। মুম্বইতে বিভিন্ন ‘বারে’ রানু গান গেয়েছেন। এরপর রানুর ছেলে অমিতের জন্ম হয়। বেশ কয়েক বছর পর বাবলু মণ্ডল নিজের স্ত্রী রানু ও ছেলে অমিতকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর কোথাও বাবলুর সন্ধান মেলে না। এমতাবস্থায় রানু ছেলে অমিতকে নিয়ে রানাঘাটে মাসির বাড়িতে আবার ফিরে আসেন। এরপর রানু ফিল্মস্টার অর্কেস্ট্রা কোম্পানিতে যোগদান করেন। ছেলেকে সামলিয়ে বিভিন্ন জায়গায় পারফর্ম করতেন রানু। বেশ কিছুদিন কেটে যাওয়ার পর বাবলু মণ্ডলের ভাই যদু মণ্ডল ছেলেসমেত রানুকে বিয়ে করেন। কিছুদিন কেটে গেলে রানুর দ্বিতীয় সন্তান সাথীর জন্ম হয়। এইভাবেই রানুর জীবন চলছিল। রানুর কাছে গান হল জীবন। বাচ্চাদের দেখভাল করে তিনি নিয়মিত পারফর্ম করতেন। কিন্তু এই সম্পর্কও বেশিদিন স্থায়ী হয় না। দ্বিতীয় স্বামীও রানু এবং বাচ্চাদের ফেলে রেখে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। রানুর প্রথম সন্তান অমিত কোথায় তা আজও ধোঁয়াশা। মেয়ের বিয়ের পর রানু একাই মাসির বাড়িতে থাকতেন। একাকী রানুকে তাঁর মেয়ে সাথী বহুবার নিজের কাছে নিয়ে যেতে চাইলেও রানু কখনও মেয়ের বোঝা হয়ে থাকতে চাননি। যিশুর অন্ধ ভক্ত রানু। আপনজন হারানোর বেদনা থেকে শুরু করে নিজের একাধিকবার সম্পর্কভাঙার যন্ত্রণা, সব মিলিয়ে মানসিক সমস্যা তৈরি করে, যার ফলে ক্রমশ স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে পড়েন রানু। মাসির বাড়ি ছেড়ে রানু প্রায় উদভ্রান্তের মতো এদিকওদিক ঘুরে বেড়াতে থাকেন। তিনি রানাঘাট রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে কখনও গান গাইতেন। যখন যা জুটত তাই খেতেন। দশ বছরের অধিক সময় ধরে রানুর সঙ্গে মেয়ের কোনও সম্পর্ক ছিল না। মেয়েও অনেক খোঁজাখুঁজি করে মাকে পায় নি। এর পর একদিন অতীন্দ্র চক্রবর্তী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির মোবাইলে তুলে রাখা রানুর গান সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আজও রানুর প্রথম সন্তান অমিত যে কোথায় সেই ব্যাপারটা পুরোটাই ধোঁয়াশা। তবে কি অমিত মা হিসাবে রানু মণ্ডলকে পরিচয় দিতে চান না? সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে রাতারাতি নেট দুনিয়ায় শোরগোল ফেলে দেন রানু। অথচ ছেলে অমিতের সেই খবর চোখে পড়ল না? সেটা হয় কী করে? আর এটাই হল আমার ছবির সাসপেন্স, যা এখন বলা যাবেনা।

রানু মণ্ডল কি বাস্তবে সত্যিই ভারসাম্যহীন?
ঋষিকেশ: একদম সত্যি। কখনও মানুষকে চিনতে পারেন, আবার কখনও পারেন না। কখনও বেফাঁস কথা বলে ফেলেন। মন যদি ওঁর ভালো থাকে, তখন অনেক কথা বলেন। ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন রোটারি সদনে এলিট সম্প্রদায়ের আমন্ত্রণে তিনি সেখানে পারফর্ম করলেন। এরকম আর কী!
রানু মণ্ডলকে নিয়ে যখন বায়োপিক তখন তাঁর সম্পর্কে সঠিক তথ্য আপনি কীভাবে সংগ্রহ করলেন?
ঋষিকেশ:
যখন রানু মণ্ডল স্বাভাবিক থাকেন তখন উনি সঠিক কথা বলেন। কিন্তু যখন তাঁর স্মৃতি একটু আবছা হয়ে আসে তখনই বেফাঁস মন্তব্য করেন। রানু মণ্ডল ছাড়াও স্থানীয় মানুষজন এবং সাথী মণ্ডলের থেকে বহু মূল্যবান তথ্য আমরা পেয়েছি।রানুর বায়োপিক তো প্রথম বাংলায় হবার কথা ছিল হঠাৎ আপনার সিদ্ধান্তের বদল ঘটল কেন?
ঋষিকেশ: কোভিডের বাড়বাড়ন্তে লকডাউন শুরু হলে বাংলায় ছবির কাজ শুরু করা গেল না। গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে কোভিডের প্রভুত্বে মানুষ যখন ঘরবন্দি, তখন বিশ্বায়নের যুগে বিনোদনের মাধ্যম হয়ে ওঠে মুঠোফোন। আমরাও ক্রমশ মুঠোফোনে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম। ডিজিট্যাল, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের রমরমা শুরু হল। আমরা প্রযুক্তিতে আরও উন্নত হলাম। প্রয়োজনে মানুষ ঘরে বসেই এখন ছবি দেখতে পারবেন, এই ভেবে আমারও মনে হল যদি আমি হিন্দিতে এই ছবি করতে পারি তা জাতীয় স্তরে পৌঁছাবে। অনেক বেশি সংখ্যক দর্শক দেখতে পাবেন।
অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তীর বাংলায় রানু মণ্ডলের চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল। হঠাৎ রানুর চরিত্রে ঈশিকা দে’কে কাস্ট করলেন কেন?
ঋষিকেশ: আমি সুদীপ্তাদি
কে সর্বপ্রথম স্ক্রিপ্ট বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসি। প্রথম বাংলা স্ক্রিপ্টটা যখন সুদীপ্তাদিকে দিই উনি স্ক্রিপ্ট পড়ে আমায় বলেছিলেন, ‘এমন একটা বিষয় নিয়ে তুমি ছবি করছ, যেটা সোনার ডিমের হাঁস। চরিত্রে অনেক শেডস আছে। তোমার ছবি শুরুতেই সারা ভারতে প্রমোশন হয়ে গেছে।” কিন্তু লকডাউনের জন্য বাংলায় ছবিটা আর তৈরি হল না। আমারও বাবা ইহলোক ছেড়ে চলে গেলেন। আমিও ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। এরপর যখন হিন্দিতে পুরো স্ক্রিপ্ট লেখা হয় তখন সেই স্ক্রিপ্ট আমি নিজে গিয়ে বাড়িতে সুদীপ্তাদিকে দিয়ে আসি। উনি স্ক্রিপ্ট রেখে যেতে বললেন। পরে জানাবেন বললেন। প্রায় একমাস কেটে যাবার পরও দেখলাম ওঁর থেকে কোনও উত্তর এল না। তখন আমি ৩১ অগাস্টের পর সুদীপ্তাদিকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে বলি যে যেহেতু আমি এই প্রথম হিন্দিতে ছবি করছি, ফলে মুম্বইতে প্রি-প্রোডাকশনের প্রচুর কাজ বাকি আছে। নভেম্বর মাসে ছবি ফ্লোরে যাবে। সুদীপ্তাদি আমাকে অনেক শুভেচ্ছা জানালেন। সেই সঙ্গে আমি সুদীপ্তাদিকে জানালাম যে আমি নতুন একজনকে কাস্ট করেছি। তবে সুদীপ্তাদি ছবিটি কেন করলেন না তা আমার অজানা। সুদীপ্তাদি কিন্তু আমাকে না করেননি। হতে পারে আমি নতুন পরিচালক। ভবিষ্যতে ওঁর সঙ্গে কাজ আমি নিশ্চয়ই করব, সেকথা ওঁকে শ্রদ্ধা সম্মান জানিয়েই বলেছি।ঈশিকা বাংলা ছবি ছাড়াও হিন্দি সিরিজ, ছবিতে অভিনয় করেছেন?
ঋষিকেশ:
হ্যাঁ। আমি এমনই একজনকে কাস্ট করতে চাইছিলাম যিনি শুধু বাংলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নন। যাঁর বলিউডেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আগে বাংলা ছবিতে ঈশিকা তো অভিনয় করেছেন। এছাড়াও ঈশিকা অনুরাগ কাশ্যপের সঙ্গে কাজ করেছেন। সইফ আলি খানের সঙ্গে ‘লাল কাপ্তান’, ‘সেক্রেড গেমস’ সিরিজে নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকির সঙ্গেও ঈশিকা কাজ করেছেন।ঈশিকা ছাড়া ছবিতে আর কে কে অভিনয় করছেন?
ঋষিকেশ: কমল মিশ্র অভিনয় করছেন। উনি হিন্দি থিয়েটার ও ছবিতে অভিনয় করেন। এই ছবির বড় চমক হল, যে অতীন্দ্র চক্রবর্তী রানু মণ্ডলকে সমাজের কাছে পরিচিত করেছেন, তিনি স্বভূমিকায় অভিনয় করছেন। সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমানে মানুষের জীবনে কতটা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে এই ছবিতে সেটিও তুলে ধরার আমি চেষ্টা করছি।

কমল মিশ্র

যেহেতু রানু মণ্ডলকে নিয়ে বায়োপিক, তবে তো ছবিতে সংগীতের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ?
ঋষিকেশ: অবশ্যই। নব্বই দশকের মেলোডি শোনা যাবে। তিনজন বাঙালি সুরকার এই ছবিতে সুরারোপ করছেন- সিধু, সুরজিৎ আর নীলাকাশ রায়। এই ত্রয়ীর সুরে ছবিতে অবশ্যই গান গাইবেন রানু মণ্ডল নিজেই। কুমার শানুর সঙ্গেও যোগাযোগ করছি। সিধু, সুরজিৎ হিন্দিতে গান গাইবেন। ছবিতে মোট আটটি গান আছে।
আর হিমেশ রেশমিয়াকে ছবিতে কীভাবে প্রেজেন্ট করছেন?
ঋষিকেশ: ওঁর সঙ্গে আমার কথাবার্তা হয়েছে। ছবির কনসেপ্ট হিমেশের খুব ভালো লেগেছে। তবে এই ছবির সঙ্গে তিনি ইনভল্ভ হবেন কিনা সে ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত সবুজ সংকেত দেননি। উনি বলেছেন চিন্তাভাবনা করে নিয়ে পরে জানাবেন।
বায়োপিকের শুরুটা কীভাবে হচ্ছে?
ঋষিকেশ: হিমেশ রেশমিয়ার সঙ্গে মুম্বই থেকে প্লেব্যাক করে রানু মণ্ডল রানাঘাটে ফিরছেন। সেখান থেকেই ছবির শুরু। এর পরে রানুর জীবনের সমস্ত ঘটনা, যা ফ্ল্যাশব্যাকে উঠে আসবে। এক সময়ের অর্কেস্ট্রা কোম্পানির লতাকণ্ঠী ফিমেল সিঙ্গারের জার্নি এই ছবিতে তুলে ধরছি। কেন তাঁর এই পরিস্থিতি হল? সংগীতের মাধ্যমে তিনি কতটা স্মৃতি ফিরে পেলেন তাই নিয়ে এই ছবি।

আপনার ছবির লুক সেট হয়ে গেছে কি?
ঋষিকেশ: হ্যাঁ।
ছবির শ্যুটিং কোথায় হবে?
ঋষিকেশ: ২৫ দিনের শেডিউল আছে। রিয়্যাল লোকেশনে শ্যুটিং হবে। রানাঘাটে বেশিরভাগ শ্যুটিং হলেও দু’দিন কলকাতা ও দুদিন মুম্বইতেই ছবির শ্যুটিং হবে।

ছবির কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ কার লেখা?
ঋষিকেশ: কাহিনি আমার লেখা। চিত্রনাট্য ও সংলাপ আমি ছাড়াও সৌমেন ঘোষ (মুম্বই) লিখেছেন।
শোনা যাচ্ছে যে ঈশিকা নাকি এখন কলকাতায়?
ঋষিকেশ (কিছুক্ষণ চুপ থেকে) আমরা তো এখনও কোনো মিডিয়াকে এ ব্যাপারে কিছু জানাই নি। তবে আপনি যখন খবরটা পেয়েছেন তাই এড়ানো সম্ভব নয়। একদমই ঠিক শুনেছেন। ঈশিকা এখন কলকাতায়। আগামীকাল আমি এবং আমার গোটা টিম ঈশিকাকে সঙ্গে নিয়ে রানাঘাটে যাচ্ছি। সেখানে একটি হোটেলে আমরা থাকব। ঈশিকা কয়েকটা দিন রানাঘাটে রানু মণ্ডলের সঙ্গেই থাকবেন। রানু মণ্ডলের চলাফেরা থেকে শুরু করে কথাবার্তা, খাওয়া-দাওয়ার ধরন এমনকি মানসিক দিক সবকিছুই ঈশিকা অবজার্ভ করবেন, যাতে তিনি পর্দায় যথার্থ রানু মণ্ডল হয়ে উঠতে পারেন।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.