রাজীব গান্ধীর খুনিরা মুক্তি পাবে কিনা, সিদ্ধান্ত ৩-৪ দিনের মধ্যে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর হত্যাকারীদের মুক্তি দেওয়ার জন্য ২০১৮ সালে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তামিলনাড়ুর মন্ত্রিসভা। কিন্তু রাজ্যপাল বানোয়ারিলাল পুরোহিত এখনও সেই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেননি। রাজ্যপাল দু’বছরেও কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বৃহস্পতিবার অসন্তোষ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত। তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে জানান, রাজীব হত্যাকারীদের সম্পর্কে রাজ্যপাল সিদ্ধান্ত নেবেন আর তিন-চার দিনের মধ্যে।

১৯৯১ সালে রাজীব গান্ধী মানববোমা বিস্ফোরণে নিহত হন। হত্যাকারীদের অন্যতম এ জি পেরিয়াভালান ২০১৬ সালে মুক্তি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে। সুপ্রিম কোর্ট আদালতে জানায়, তারা এখনও ওই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত করছে। রাজীব হত্যার পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র ছিল কিনা জানার চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও, বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি অজয় রাস্তোগিকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ মন্তব্য করে, তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভার সুপারিশ যেভাবে দু’বছর রাজ্যপাল ফেলে রেখে দিয়েছেন, তাতে আমরা মোটেই খুশি নই।

১৯৯১ সালের ২১ মে চেন্নাইয়ের কাছে শ্রীপেরামবুদুরে আত্মঘাতী হানায় রাজীব গান্ধী নিহত হন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজন এখনও জেলে আছে। তারা হল নলিনী, মুরুগন, সানথন, এ জি পেরারিভালান, রবার্ট পায়াস, এস জয়কুমার এবং রবিচন্দ্রন। তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে।

২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ডিএমকে জানায়, তারা বেশি আসন পেলে রাজীব ঘাতকদের মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করবে। তার আগে ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল, রাজীব ঘাতকদের মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তাদের মুক্তি দিলে খুব খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হবে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তার প্রভাব পড়বে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More