ভোট মিটতেই সংক্রমণের জোয়ার? হাসপাতাল গুলিকে তৈরি থাকার নির্দেশ স্বাস্থ্য ভবনের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যত দিন যাচ্ছে বাংলার করোনা পরিস্থিতি ততই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। সংক্রামিতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এদিকে রাজ্যে এখনও তিন দফার ভোটগ্রহণ বাকি। এই অবস্থায় করোনা মোকাবিলার জন্য সরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে আজ জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

স্বাস্থ্য দফতরের আশঙ্কা, ভোট মিটলেই এ রাজ্যে বিশেষ করে কলকাতায় করোনা পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হতে পারে। তা মাথায় রেখেই সবরকম ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে সরকারি হাসপাতালগুলিকে বেড বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় সমস্ত রকম প্রস্তুতি নিতেও বলা হয়েছে হাসপাতালগুলিকে।

বৈঠকে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতাল, পিজি পলিক্লিনিক, বাঙ্গুর ইনস্টিটিউট নিউরোসায়েন্স হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আলিপুরের উত্তীর্ণ ভবনকে পুরোটাই ‘সেফ হোম’ করা হয়েছে।

সরকারি হাসপাতাল গুলিতে কমপক্ষে ২০০ থেকে ২৫০ কোভিড বেডের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বলা হয়েছে হাসপাতালের মোট বেড সংখ্যার অন্তত ২৫ শতাংশ করোনা রোগীদের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা শুরু হয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহের শেষেই সেখানে অন্তত ২০০ বেডের বন্দোবস্ত হয়ে যাবে। কোচবিহার ও মালদা মেডিক্যাল কলেজেও ১৫০ বেড নিয়ে করোনা চিকিৎসা শুরু হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল গুলিকেও। প্রয়োজনে হাসপাতালের লবি, পার্কিং প্লেসেও কোভিড বেডের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে প্রাইভেট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। কোনও কোভিড ফেসিলিটি সরকারি হাসপাতাল রোগী প্রত্যাখ্যান করতে পারবে না, জানিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। ভোটের আবহে এই নির্দেশিকা করোনা ঢেউকে আটকাতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More