জেনে নিন অ্যাভোকাডোর এই পাঁচটি উপকারিতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অ্যাভোকাডো মূলত কাঁচা সবজি হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ, প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট। লবণ, লঙ্কা ও লেবুর রস দিয়ে মেখেই সাধারণ ভাবে এই ফলটি খাওয়া হয়। তবে অনেকে এটা দিয়ে আচারও তৈরি করেন। মিল্কশেক ও আইসক্রিমেও ব্যবহার করা হয় অ্যাভোকাডো।

ভিটামিন

অ্যাভোকাডোর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ(রেটিনল), সি(অ্যাসকরবিক অ্যাসিড), কে১(ফাইটোনাদিয়ন), বি৬(পাইরিডক্সিন) আর বি৯(ফোলেট)-এ সমৃদ্ধ। এই মলিকুলার মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টগুলো শরীরের জন্য খুবই ভাল। এরা যৌথভাবে ত্বকে কোলাজেন তৈরি করে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতাকে বজায় রাখতে সাহায্য করে। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে ও অনাক্রম্যতা বাড়াতে সহায়তা করে। এই ভিটামিনগুলো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবেও কাজ করে। চোখ, মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে। ক্যানসারের ঝুঁকি কম করে।

ওজন কমায়

অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় অনেকবেশি ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। অ্যাভোকাডোর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে যা হজম প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে ও অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেটকে ভর্তি রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে অ্যাভোকাডোগুলো মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা এমইউএফএ সমৃদ্ধ, যা ওজন বাড়াতে দেয়না।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

অ্যাভোকাডোর মধ্যে ওলিক অ্যাসিড রয়েছে যা রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। যেহেতু হাই ব্লাডপ্রেশার হার্ট অ্যার্টাকের কারণ হয় তাই অ্যাভোকাডো খেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণ করে

ডায়াবেটিস রোগীদের চিনি কম খেতে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা অ্যাভোকাডো ফল খেতে পারেন। এতে থাকা ফাইবার রক্তে চিনিকে শোষণ করে ও গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। অ্যাভোকাডো কোলেস্টেরলে ভোগা রোগীদের জন্যও খুবই ভাল। ওলিক অ্যাসিড খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে।

ক্যানসার রোধ করে

অ্যাভোকাডোতে থাকা ফাইটোকেমিক্যালগুলো ক্যানসারের কোষগুলোর বৃদ্ধি রোধ করে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More