কোভিডের পর ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রিতে অনেক বদল, আগামী দিনে কী কী দেখতে পারেন জেনে নিন

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  দীর্ঘদিন লকডাউন চলার কারণে বন্ধ ছিল দোকান পাট। নানা ক্যুরিয়ার সার্ভিস বন্ধ থাকাতেও অনলাইন কেনাকাটাতে থেকে দূরে থাকতে হয়েছে মানুষকে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হওয়ায় আবার কেনাকাটার দিকে ঝুঁকছেন সকলে।

কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেদের ব্র্যান্ডের নতুন পোশাক লঞ্চ করতে ভোলেননি অনেকে। কেনাকাটা বন্ধ থাকায় ক্ষতি তো হয়েইছে, কিন্তু তাই বলে থেমে থাকেন নি কেউ। এই বছরে সেকেন্ড লকডাউন থেকেই তারা আবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অনলাইনেই নতুন পোশাক লঞ্চ, ফ্যাশন শো, সেল সবকিছু হয়েছে। আগামীর কথা ভেবে তারা কী ভাবছেন একবার দেখা যাক –

১. ডিজিটাল মিডিয়াকেই এখন তারা কাজে লাগাচ্ছেন। বেশিরভাগ মানুষ বাড়ির বাইরে যেহেতু বেরতে পারছেন না তাই ফ্যাশন শো থেকে শুরু করে নতুন লঞ্চ সবটাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে করছেন। ঘরে বসেই মানুষ ফ্যাশন সম্পর্কে আপডেটেড থাকতে পারছে।

২. প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু করেন নতুন প্রোজেক্ট “ভোকালফরলোকাল”। অর্থাৎ দেশীয় বস্ত্র ও দেশীয় ব্র্যান্ডের পোশাকের কেনাকাটায় জোর দিতে বলেছেন তিনি। লকডাউনের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে, তা কিছুটা হলেও পূরণ হবে এর ফলে।

৩. #ভোকালফরলোকাল বাজারে সারা ফেলার পরই
মানুষ কিছুটা সচেতন হয়েছে। পোশাক, তার কাপড়, তার বার্তা সবকিছুই খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেই মানুষ কিনছেন। আগের মত চোখ বন্ধ করেই অনলাইন কেনাকাটা মানুষজন করছেন না। প্রতিটি জিনিসের কোয়ালিটি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে, তবেই কিনছেন।

৪. লকডাউনে ট্রেন্ডও বদলেছে। দামী পোশাকের পরিবর্তে মানুষ ঘরে পরার নরম পোশাকই বেশি কিনছেন। অফিসিয়াল বা ঘরোয়া সব কাজই যেহেতু ঘরে বসেই করতে হচ্ছে সেকারণে নরম হালকা পোশাক কেনাকাটায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছন। তাদের কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন ব্র্যান্ড ঘরে পরার পোশাক লঞ্চ করেছেন এই লকডাউনে।

৫. লকডাউনের পরই মানুষ বুঝেছেন সবটাই অনিশ্চিত। আগে থেকেই ভবিষ্যতের ব্যাপারে কিছুই বোঝা যায়। ভারতের ভিন্টেজ কালচারকে ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রি ফের নতুনভাবে তুলে ধরতে চাইছেন সকলের সামনে। সম্প্রতি বেশ কিছু ফ্যাশন শো’তে তার এক ঝলক দেখা গেছে।

৬. কোভিডের সময় নতুন সৃষ্টি থেকে বিরত থাকেনি বেশ কিছু ব্র্যান্ড। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন পোশাক নিয়ে আসে তারা। লকডাউনের মধ্যে পুরোনো পোশাক নিয়ে সেল ও দেয়। এর ফলে পুরোনো পোশাক যেমন বিক্রি হয়েছে প্রচুর, তেমনই নতুন পোশাক তাড়াতাড়ি লঞ্চ করতে সুবিধা হয়েছে।

৭. অনলাইনেই যেহেতু সবটা হচ্ছে তাই তাদের কাস্টোমারদের সঙ্গে দিবারাত্রি যোগযোগ রাখতে চেষ্টা করছেন তারা। প্রোডাক্টের বিষয়ে যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর যেমন দিচ্ছেন, তেমনই কেনাকাটার সময় তাদের সাহায্য করার জন্যও সর্বদা থাকছেন তারা।

৮. বর্তমান পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়েই তারা জামা কাপড় বাদেও নতুন কিছু নিয়ে ভাবনা চিন্তা চালাচ্ছে। যেমন ঘর সাজানোর জিনিস, মাস্ক, গ্লাভস ইত্যাদি। মানুষের প্রয়োজনীয়তাকে ও পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়েই তারা নতুন প্রোডাক্ট লঞ্চের কথা ভাবেছেন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More