সেনা কে হর জওয়ান কো মেরা সালাম, পাক সেনা ঘাঁটি গুড়িয়ে দেওয়ার পর রাহুল

দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবার সীমান্তের কয়েকটি জায়গায় বিনা প্ররোচনায় গুলিগোলা চালায় পাকিস্তান। চার জওয়ান সহ সাতজন নিহত হন। ভারতের পালটা গোলায় গুঁড়িয়ে যায় পাকিস্তানের বাঙ্কার। এর পরে জওয়ানদের অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, সেনা কো হর জওয়ান কো মেরা সালাম।

হিন্দিতে লেখা ওই টুইটে বলা হয়েছে, যখনই পাকিস্তান সিজফায়ার লঙ্ঘন করে, তখনই তাদের দুর্বলতা আরও ভালভাবে বোঝা যায়। সেনাবাহিনী পাকিস্তানকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। সেনাবাহিনীর প্রত্যেক জওয়ানকে সেলাম জানাই।

সেনা সূত্রে খবর, এদিন নাম্বলা সেক্টরে পাকিস্তানের গোলাবর্ষণে নিহত হয়েছেন দুই সেনা জওয়ান। হাজি পির সেক্টরে পাকিস্তানের গোলায় নিহত হয়েছেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এক সাব ইনস্পেকটর। আহত হয়েছেন এক জওয়ান। বারামুলা জেলার উরি অঞ্চলে কামালকোটে সেক্টরে নিহত হয়েছেন দু’জন স্থানীয় মানুষ।

ভারতের সেনার গোলাবর্ষণে এদিন ছ’-সাতজন পাকিস্তানি সেনা মারা গিয়েছে। আহত হয়েছে ১০-১২ জন। নিহত সৈনিকদের মধ্যে কয়েকজন ছিল পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের কম্যান্ডো। এছাড়া ভারতের গোলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে পাকিস্তানের কয়েকটি সেনা বাঙ্কার ও জ্বালানি মজুত রাখার গুদাম। এদিন সেনাবাহিনীর তরফে কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ দেখানো হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সেনাবাহিনীর কয়েকটি ঘাঁটি গোলায় বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে।

সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, উরি সেক্টর বাদে গুরেজ সেক্টরের ইজমার্গ, কেরান সেক্টরে গোলাবর্ষণ করেছে। পাকিস্তানি সেনা অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে ঢুকতে সাহায্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি।

সেনাবাহিনীর কর্নেল রাজেশ কালিয়া বলেন, “কুপওয়ারা জেলার কেরান সেক্টরে আমাদের সৈনিকরা সন্দেহভাজন কয়েকজনকে দেখতে পায়। তারা গোপনে পাকিস্তান থেকে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল। সেনাবাহিনীর তৎপরতায় তারা ব্যর্থ হয়।”

গত অগাস্ট মাসের শেষে পাকিস্তান সীমান্তে একটি সুড়ঙ্গের সন্ধান পায় ভারতীয় সেনা। অনুপ্রবেশের জন্য ওই সুড়ঙ্গ বানানো হয়েছিল। সাম্বা সেক্টরে বিএসএফ জওয়ানরা সুড়ঙ্গটি খুঁজে পান। ভারতের দিকে তার দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার। সুড়ঙ্গের মুখ প্ল্যাস্টিকে নির্মিত বালির বস্তায় ঢাকা ছিল। সেই বস্তার ওপরে পাকিস্তানের কোম্পানির ছাপ দেওয়া আছে।

ওই সময় সাম্বা সেক্টরে কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টি চলছিল। তাতে কয়েকটি জায়গায় মাটি বসে গিয়েছিল। তা দেখেই বিএসএফ কর্মীদের সন্দেহ হয়, সেখানে সুড়ঙ্গ থাকতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আর্থ মুভার মেশিন আনা হয়। তখনই পুরো সুড়ঙ্গটি দেখা যায়। বিএসএফের বক্তব্য, সুড়ঙ্গটি ছিল ২৫ ফুট গভীর। তা তৈরি করা শেষ হয়নি। তার আগেই জানাজানি হয়ে গিয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More