চা-ওয়ালা প্রধানমন্ত্রী হলে ‘চা-ওয়ালি’ হয়ে আমি কেন গ্রামপ্রধান হতে পারব না! বলছেন উত্তরপ্রদেশের মীনাক্ষী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নরেন্দ্র মোদীর চাওয়ালা থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠার কাহিনি ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়েছে সারা বিশ্বে। পাশাপাশি কৃতিত্বটা মোদীর একার না তার পিছনে ভারতবর্ষের গণতান্ত্রিক  কাঠামোর অবদানও আছে, তা নিয়ে বিতর্কও হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও নানা অনুষ্ঠানে নিজের শূন্য থেকে বিরাট হয়ে ওঠার কথা বলেন অনুপ্রেরণা ছড়াতে, যা অনেকের মতোই ছুঁয়ে গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের মীনাক্ষীকেও। ৩৫ বছর বয়সি এই যুবতী মিরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। মীনাক্ষীর স্বামী পেশায় মজুর। নাম জ্ঞান সিং। মীনাক্ষী মুজফফরনগরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামের মুখিয়া পদে প্রার্থী হয়েছেন।  গ্রামের নাম চোরাওয়ালা।  আসনটি তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত। মোট ভোটার ৭ হাজার।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটে এক মীনাক্ষী যখন নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারীর মতো দুই হেভিওয়েটের সঙ্গে লড়ে প্রচারে সাড়া পেয়েছেন বলে  বাম শিবিরের দাবি, তখন আরেক মীনাক্ষীর লড়াই গ্রামের মুখিয়া হওয়ার।

তবে এসবের চেয়ে বড় কথা, মীনাক্ষীও গত তিন বছর ধরে সংসার চালাতে চা বেচছেন। ন্যাশনাল রুরাল লাইভলিহুড মিশন স্কিমে তাঁর জন্য বরাদ্দ হয়েছে একটি চায়ের দোকান। তাঁর মুখেই শোনা গেল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাফল্যে আমি অনুপ্রেরণা পাই। চা বিক্রি করে উনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারলে আমি চাওয়ালি হয়ে কেন গ্রামের প্রধান হতে পারব না!

নির্দল টিকিটে লড়ছেন মীনাক্ষী। কোনও দলের সমর্থন নেই তাঁর পিছনে, মানছেন, তবে তাঁর দাবি, গোটা গ্রাম তাঁর সঙ্গে আছে।

মীনাক্ষীর স্বামী বলছেন, ২০১৫ সালে গ্রামবাসীরা আমার স্ত্রীকে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য নির্বাচিত করে। এবার ওরা ওকে বলছে, মোদীজী যদি চা বেচে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, তাহলে ও অন্ততঃ গ্রামপ্রধান পদে তো লড়তেই পারে।

তিন সন্তানের মা মীনাক্ষী জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত। জিতে গ্রামের উন্নয়ন করবেন, কথা দিয়েছেন তিনি।

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More