যান্ত্রিক গোলযোগ, রওনা হয়েও ইমরানের প্লেন ফিরে এল নিউ ইয়র্কেই

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় ভাষণ দিতে যাওয়ার জন্য সৌদি আরবের থেকে প্লেন ধার করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। শুক্রবার নিউ ইয়র্ক থেকে সেই বিমানেই তিনি রওনা হয়েছিলেন ইসলামাবাদের উদ্দেশে। কিন্তু আকাশপথে সেই বিমানে দেখা দিল যান্ত্রিক গোলযোগ।

পাকিস্তানের মিডিয়া জানিয়েছে, ইমরান শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের কেনেডি এয়ারপোর্ট থেকে রওনা হন। সৌদি আরব তাঁকে একটি বিশেষ বিমান দিয়েছিল। কিন্তু ওড়ার কয়েক ঘণ্টা বাদেই তাতে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। সেই গোলযোগ সারানোর জন্য ফের বিমানটি ফিরে আসে নিউ ইয়র্কে।

রাষ্ট্রপুঞ্জে পাকিস্তানের দূত মালিহা লোদি ইমরানকে কেনেডি এয়ারপোর্টে বিদায় জানিয়েছিলেন। প্লেন ফিরে আসছে শুনে তিনিও বিমান বন্দরে চলে আসেন। বিমান নামলে তিনি ইমরানকে ফের নিয়ে যান রুজভেল্ট হোটেলে। এবার নিউ ইয়র্কে গিয়ে তিনি ওই হোটেলেই ছিলেন সাতদিন।

প্রথমে ভাবা হয়েছিল, বিমানের গোলযোগ সারাতে বেশিক্ষণ লাগবে না। কিন্তু পরে দেখা যায় বেশ কয়েক ঘণ্টা লাগবে। তখন স্থির হয়, শনিবার কমার্শিয়াল ফ্লাইটেই ইমরান পাকিস্তানে ফিরবেন।

শুক্রবার রাষ্ট্রপুঞ্জে ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরমাণু যুদ্ধ শুরু হওয়ার ভয় দেখিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যদি দু’টি পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধ লাগে, সারা বিশ্বকেই তার ফল ভুগতে হবে। ইমরানের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি কোনও দেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো কথা বলছেন না। মনে হচ্ছে তিনি যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছেন।

রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের প্রতিনিধি বিদিশা মৈত্র ওই মন্তব্যের জবাবে বলেন, ইমরান বোকার মতো সব কিছুর মধ্যে আমরা-ওরা বিভাজন করছেন। তিনি রাষ্ট্রপুঞ্জে ধনী বনাম গরিব, উত্তর বনাম দক্ষিণ, উন্নত বনাম উন্নয়নশীল, মুসলিম বনাম অন্যদের মধ্যে বিভাজন করতে চান। এই ভাবে তিনি ঘৃণা প্রচার করছেন। তাঁর পুরো ভাষণে অপরকে ঘৃণা করার মানসিকতা দেখা যায়।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More