ঝাড়খন্ডে শনিবার বিকেল ৫টা থেকে ৩৮ ঘন্টার লকডাউন ঘোষণা সোরেনের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়খন্ডে ফের লকডাউন। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেন, ১২ জুন বিকাল ৫টা থেকে ১৪ জুন সকাল ৬টা পর্যন্ত, ৩৮ ঘন্টার লকডাউন পালন করা হবে। যদিও কিছু ছাড় রাখা হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা চালানোর ক্ষেত্রে। সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে মন্ত্রী বান্না গুপ্তা বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙায় সফল আমরা। তাই সেই প্রয়াস চালিয়ে যাব। এক্ষেত্রে ঠিক হয়েছে, শনিবার বিকাল চারটা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত পূর্ণ লকডাউন চলবে।
গত ২২ এপ্রিল প্রথম লকডাউনের মতো বিধিনিষেধ জারি হয় ঝাড়খন্ডে। টানা পাঁচবার তার মেয়াদ বাড়ল।
শনিবার বিকাল থেকে কার্যকর হতে চলা লকডাউনে বন্ধ থাকবে ফল, শাকসব্জি, মুদিদোকান ও মিষ্টির দোকান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মস্থান বন্ধ থাকবে। ওষুধপত্র, চিকিত্সা সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে। এলপিজি পরিষেবা চালু থাকবে। খোলা থাকবে পেট্রল পাম্প। বিনা কারণে বাড়ির বাইরে ঘোরাঘুরি চলবে না। তবে হাসপাতাল, নার্সিংহোম যেতে, ভ্যাকসিন নিতে, কোভিড ১৯ পরীক্ষা করাতে বাইরে বেরনোর অনুমতি লাগবে না। চলবে না রাজ্যের ভিতরে বাস পরিষেবা। ভিন রাজ্যের সঙ্গে বাস যোগাযোগ বন্ধ থাকবে। প্রশাসনিক কাজকর্মে বাস পরিষেবা শুধু চালু থাকবে।
সম্প্রতি রাজ্যের ১৫টি জেলায় বিকাল চারটে পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছিল রাজ্য প্রশাসন। তবে বোকারো, ধানবাদ, জামসেদপুর, দেওঘর, রাঁচি, হাজারিবাগ, গারওয়া, গুমলা ও রামগড়- এই ৯ জেলায় জামাকাপড়, জুতো, গয়না-অলঙ্কার, প্রসাধনী দ্রব্যের দোকান বাদে বাকি সব ধরনের দোকানপাট খোলা রাখায় ছাড়পত্র ছিল। বুধবার ঝাড়খন্ডে নতুন ৬০৩টি করোনা সংক্রমণ যোগ হয়। সব মিলিয়ে এপর্যন্ত রাজ্যে মোট সংক্রমণ সংখ্যা ৩৪২১৭৯। ৬০৩টি নতুন মৃত্যু ধরলে মোট মারা গিয়েছেন ৫০৭৩ জন।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More