Breaking: রাইটার্স বিল্ডিংয়ে হঠাৎই চলল গুলি, মৃত পুলিশ কর্মী

ঘটনাটি ঘটেছে রাইটার্স বিল্ডিংসের ৬ নম্বর গেটের কাছে। ভিতরে কাছেই প্রেস কর্নার। ৬ নম্বর গেটের ভিতরে সাধারণ চেয়ার নিয়ে বসে থাকেন নিরাপত্তা রক্ষীরা।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার দুপুরে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে হঠাৎই চলল গুলি। তাতে মৃত্যু হল একজন পুলিশ কর্মীর। ওই পুলিশ কর্মী আত্মহত্যা করেছেন নাকি ভুল করে আচমকাই তাঁর বন্দুক থেকে গুলি বেরিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ঘটনাটি ঘটেছে রাইটার্স বিল্ডিংসের ৬ নম্বর গেটের কাছে। ভিতরে কাছেই প্রেস কর্নার। ৬ নম্বর গেটের ভিতরে সাধারণ চেয়ার নিয়ে বসে থাকেন নিরাপত্তা রক্ষীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিকেল ৩ টে ৩৫ নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দ শোনা যায়। তা শুনে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা মহাকরণে। ছোটাছুটি পড়ে যায়। দেখা যায়, ৬ নম্বর গেটের কাছে এক পুলিশ কর্মী মাটিতে লুটিয়ে পড়ে রয়েছেন। রক্তে ভেসে যাচ্ছে। পাশে পড়ে রয়েছে তাঁর সার্ভিস রিভলবার।

প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকের দাবি, একটি গুলি নাকি ছিটকে দেওয়ালেও লেগেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত না করে কিছুই বলা যাবে না। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে লালবাজারের হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের পুলিশ কর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। গোটা জায়গা ঘিরে ফেলা হয়েছে। ওই পুলিশ কর্মীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে গুলি চলেছে তা স্পষ্ট নয়। এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করছে পুলিশ।

সূত্রের খবর, মৃত পুলিশকর্মীর নাম বিশ্বজিৎ কারক। বয়স ৩৪ বছর। ৫ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কনস্টেবল ছিলেন। ডিসি (সেন্ট্রাল) জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে আত্মহত্যার ঘটনা। তবে পারিপার্শ্বিক সব কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলছে। বিশ্বজিতবাবুর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরে। কলকাতায় তিনি নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। আরও জানা গেছে, তাঁর স্ত্রী নার্সের কাজ করেন। বিশ্বজিতবাবুর মানসিক রোগের চিকিৎসা চলছিল। কিনি কোনও কারণে অবসাদে ভুগছিলেন কিনা সেটা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.