অজয় পাড়ের মঙ্গলকোট

রত্না ভট্টাচার্য্য
শক্তিপদ ভট্টাচার্য্য

যাঁরা বেড়াতে ভালবাসেন, যাঁরা দেখতে চান বাংলার মুখ, তাঁদের কথা মনে রেখেই এই ধারাবাহিক ‘পায়ে পায়ে বাংলা’। খুঁজে নিন আপনার পছন্দের জায়গা, গুছিয়ে ফেলুন ব্যাগ, হুস করে বেরিয়ে পড়ুন সপ্তাহের শেষে। আপনার সঙ্গে রয়েছে ‘পায়ে পায়ে বাংলা’।

অজয় নদ আর কুনুর নদীর সঙ্গমের কাছে কাটোয়া মহকুমার মঙ্গলকোট একটি প্রাচীন গ্রাম। অতীতের এক সমৃদ্ধ অঞ্চল। যদিও সে গরিমা এখন আর নেই। নদীর ভাঙাগড়ার মতোই তার ইতিহাস। বর্তমানে মঙ্গলকোট প্রসিদ্ধ মুসলমানদের অন্যতম তীর্থ হিসেবে। আঠেরো আওলিয়ার স্থান বলে বিখ্যাত হয়েছে মঙ্গলকোট। ১৩ শতকে গৌড় অধিপতি সুলতান গিয়াসুদ্দিনের অভিযানের সময় থেকে সম্ভবত এখানে মুসলমান যুগের ইতিহাসের সূচনা হয়। জনশ্রুতি, একের পর এক গাজিসাহেব ধর্মযুদ্ধে কাফেরদের পরাজিত করার জন্যে মঙ্গলকোট আক্রমণ করেন ও নিহত হন। মঙ্গলকোটে এখনও সেই গাজিদের সমাধিস্থান দেখতে পাওয়া যায়। শেষে পির গজনবী নামে একজন মঙ্গলকোটের বীর হিন্দু রাজাকে যুদ্ধে নিহত করে মঙ্গলকোট অধিকার করেন। প্রতিষ্ঠিত হয় স্থায়ী মুসলিম সমাজ।

মঙ্গলকোটকে মুসলমান সংস্কৃতির অন্যতম কেন্দ্র রূপে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একজনের নাম সর্বাগ্রে স্মরণ করতে হয়। তিনি হলেন মহাপণ্ডিত হামিদ দানেশমন্দ খাঁ। তিনি সুদূর দিল্লিতে গিয়ে বিদ্যার্জন করে পাণ্ডিত্য লাভ করেছিলেন। নিজেকে সবসময় বাঙালি বলে পরিচয় দিতেন তিনি। পাণ্ডিত্য অর্জনের পর তিনি মৌলনা হামিদ দানেশমন্দ বাঙালি নামে খ্যাত হন। ধর্মশাস্ত্রে তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্যের পরিচয় পেয়ে সম্রাট শাহজাহান মসজিদ তৈরির জন্য ৯৪ হাজার মুদ্রা দান করেন। সেই অর্থ দিয়ে যে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল তা নষ্ট হয়ে গেলে সেখানে বিশাল মসজিদ তৈরি হয়েছে। তবে প্রাচীন মসজিদের উৎকীর্ণলিপি এখনও আছে। ১৩২০ সালের সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকায় তার বঙ্গানুবাদও প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে মূল বক্তব্য হল-– ‘ঈশ্বরের নিমিত্ত কোনও মসজিদ কেউ নির্মাণ করলে, ঈশ্বর তার জন্যে স্বর্গে একটি গৃহ নির্মাণ করবে। এই মসজিদ শাহজাহান বাদশাহ গাজির রাজত্বকালে নির্মিত। হিজরি ১০৩৫।’
মসজিদের পাশেই দানেশমন্দ খাঁয়ের সমাধি এখানকার অন্যতম দ্রষ্টব্য। জায়গাটি পাকারাস্তা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে। মহাপণ্ডিতের তিরোধান উৎসব হয় প্রতিবছর ফাল্গুন মাসে। প্রাচীন মসজিদটির কাছে বর্তমান মৌলনার বাড়ি আর পাঁচিল ঘেরা বিরাট ঈদের মাঠ। উৎসব উপলক্ষ্যে দেশ-বিদেশ থেকে মুসলমান পুণ্যার্থীরা সমবেত হন এখানে।

মঙ্গলকোটের নতুনহাট বাসস্ট্যান্ডের পিছনে দেখা যায় বিশাল ঢিপির ওপর লাল ইটের মসজিদ। গৌড়ের সুলতান হুসেন শাহের রাজত্বকালে তৈরি বিশ্বাসে এটিকে হুসেন শাহি মসজিদ বলে লোকে। জীর্ণ মসজিদটির স্থাপত্য এখনও বেশ আকর্ষণীয়। মাটির ঢিপির নীচে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থাকা অসম্ভব নয়, যেমন পাওয়া গেছে গ্রামের ভেতরে বিক্রমাদিত্যের ডাঙা নামক ঢিপির নীচে।
হুসেন শাহর মসজিদের প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান না হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে বিক্রমাদিত্যের ডাঙায় অনুসন্ধান করা হয়েছে। সেই ঢিপির ঢালে এখনও মাটির সঙ্গে মিশে থাকা পোড়া চাল পাওয়া যায় যা কোনও অগ্নিকাণ্ডের নিদর্শন বলেই মনে করা হয়। স্থানীয় মানুষদের বিশ্বাস, এখানেই ছিল রাজা বিক্রমাদিত্যের শস্যাগার।
লোকমুখে বিক্রমাদিত্যের ঢিপি কথাটি চলে আসছে বলে বিক্রমাদিত্য সম্বন্ধে কৌতূহল জাগা স্বাভাবিক। অনেকেই মনে করেন বিক্রমাদিত্য অর্থাৎ সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্ব ছিল এখানে। ঐতিহাসিক বিনয় ঘোষ অবশ্য অন্য মত পোষণ করেন। তাঁর মতে, ইনি কোনও হিন্দু সামন্ত রাজা হবেন। তবে বিক্রমাদিত্যের পূর্ব ভারত অভিযানের সঙ্গে মঙ্গলকোটের ইতিহাস জড়িয়ে যাওয়া খুব একটা অস্বাভাবিক নয় যেহেতু পরবর্তীকালে এই অঞ্চলে প্রত্ন অনুসন্ধানের ফলে গুপ্ত সংস্কৃতির প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এই ঢিপি থেকে নাকি সোনা-রূপোর মতো মূল্যবান জিনিসও পাওয়া যায়। খুঁড়লে হয়তো পাওয়া যায় না তবে বৃষ্টির জলে মাটি ধুয়ে যেতে থাকলে নাকি হঠাৎ হঠাৎ বেরিয়ে পড়ে মাটির সঙ্গে মিশে থাকা সোনারকুচি। অন্য প্রত্নবস্তুও গ্রামের লোকজন খুঁজে পেয়েছেন। অনেক কিছু হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়েছে অবহেলায়।
মঙ্গলকোট নিয়ে আলোচনা করতে গেলে যে মানুষটির কথা উল্লেখ না করলেই নয় তিনি হলেন প্রত্নোৎসাহী কেশব বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা নতুনহাট-মঙ্গলকোটই প্রত্নগর্ভা। এখানে পুরাতাত্ত্বিক খননকার্য যতটুকু হয়েছে তার পুরো কৃতিত্ব এই কেশববাবুর। তাঁর সংগ্রহ করা বহু জিনিস স্থান পেয়েছে বিভিন্ন মিউজিয়ামে।
এখানে রাজবাড়ি এলাকায় রয়েছে প্রায় আড়াই বিঘার আয়তক্ষেত্রের পুকুর যা তেলঢালা পুকুর নামে খ্যাত। গ্রামের ভেতরে হামিদ বাঙালির মাজারের কাছেই জিয়ুসপুকুর, বিষপুকুর, তেলপুকুর প্রভৃতি জলাশয়কে ঘিরে গড়ে ওঠা কিংবদন্তিগুলি আগ্রহ জাগিয়ে তোলে। যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের জিয়ুসপুকুরে ডুবিয়ে বাঁচিয়ে তোলা হত বলে বিশ্বাস। স্থানীয়রা মনে করেন এখনও এই পুকুরের জলে ঔষধি গুণ আছে।

দানেশমন্দের মসজিদের দক্ষিণে রয়েছে বিষপুকুর। এই পুকুরে রয়েছে অতীতের তৈরি করা পোক্ত বাঁধানো ঘাট যা দীর্ঘদিন মাটির তলায় লুপ্ত ছিল, বর্তমানে তা রীতিমতো মজবুত এবং ব্যবহারোপযোগী হওয়ায় লোকে ব্যবহারও করছে। স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, এই পুকুরের জলে স্নান করলে কুকুরের কামড়ের বিষ দূরীভূত হয়। তাই দূরদূরান্তের লোকজন আসেন ডুব দিতে। আবার ডুব দিয়ে দানেশমন্দের মাজারে গড়াগড়ি দিলে নাকি চর্মরোগ নিবৃত্ত হয়। মিলেমিশে থাকা গ্রামে মুসলমানরা স্নান করেন বৃহস্পতিবার আর হিন্দুরা স্নান করেন রবিবার। তেলপুকুরের নীচে লুকনো কুঠুরিতে প্রাচীন ধনাগার ছিল বলে মনে করা হয়। সেই পুকুর থেকে নাকি সুড়ঙ্গপথে যোগ আছে এক দিকে বিষপুকুরের সঙ্গে অন্য দিকে ফুলবাগান পুকুর ও কুনুর নদীর সঙ্গে।
কলকাতার এত কাছে অথচ অন্ধকারে ঢেকে থাকা সমৃদ্ধ ইতিহাস বুকে চেপে একের পর এক দিঘি, পুকুর, বাঁশবন তালগাছের সারি নিয়ে নিরালা এক গ্রাম মঙ্গলকোট পর্যটন মানচিত্রে ব্রাত্য হয়ে রয়ে গেছে। এ বড় পরিতাপের বিষয়। এখানে থাকতে চাইলে আছে পঞ্চায়েত সমিতির অতিথিনিবাস ‘অজয়’। বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ মঙ্গলকোট বিডিও অফিস। দূরভাষ : ০৩৪৫৩-২৬৬৩৩৩।
বর্ধমান বাসস্ট্যান্ড থেকে মোটামুটি আধ ঘণ্টা পরপর নতুনহাটের বাস পাওয়া যায় বিকেল পর্যন্ত। সন্ধে সাতটায় শেষ বাস।

কোগ্রাম

মঙ্গলকোট থানার নতুনহাট সংলগ্ন অজয়-কুনুর সঙ্গমস্থলে, ‘জল যেখানে সোহাগ ভরে স্থলকে ঘিরে রাখে’, সেই সোহাগতীর্থে কোগ্রাম অবস্থিত। অজয়-কুনুরের সঙ্গমস্থল এক ত্রিভুজাকৃতি ভূখণ্ড। মধ্যযুগে একসময় রাঢ় বাংলার বণিকরা জলপথে বাণিজ্যে যেতেন। দামোদরের স্রোতের তীব্রতা হেতু বাণিজ্যযাত্রার মূল পথ ছিল এই অজয় নদ। অজয় হয়ে ভাগীরথী এবং ভাগীরথী হয়ে বঙ্গোপসাগর তথা পূর্ব উপকূল। এই জলপথেই বাংলার বাণিজ্যতরী যেত সিংহলে (এখনকার শ্রীলঙ্কা)। উত্তর দামোদরের বণিকরা দামোদর থেকে খাল কেটে সেই খাল প্রবাহিত করে দিয়েছিলেন বাঁকা, খাঁড়ি, গুসকরা, কুনুর নদী পর্যন্ত।

মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গলেও এই বাণিজ্যিক জলপথের কথা জানা যায়। মঙ্গলকাব্যে খুল্লনাকে আত্মপরিচয় দিতে গিয়ে ধনপতি সওদাগর উজানি গ্রামের উল্লেখ করেছিলেন। এখান থেকেই পুত্র শ্রীমন্তকে নিয়ে সিংহলের পথে সপ্তডিঙা ভাসিয়েছিলেন ধনপতি। কাছেই ছিল ভ্রমরার দহ যেখানে নোঙর করা থাকত ধনপতি, শ্রীমন্তদের বাণিজ্যতরণী।
মঙ্গলকাব্যের উজানিনগর আজকের কোগ্রাম, পল্লিকবি কুমুদরঞ্জনের কোঁগা-– ‘ভাঙন ধরা অজয় নদীর বাঁকে।’ বিংশ শতাব্দীর উল্লেখযোগ্য পল্লিকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের অজস্র কবিতার সূতিকাগৃহ এই কোগ্রাম।
অন্যদিকে চৈতন্য জীবনীগ্রন্থ ‘চৈতন্যমঙ্গলের’ স্রষ্টা কবি লোচনদাসের শ্রীপাট ছিল এই কোগ্রামেই। অল্প বয়সেই বিয়ে করেন লোচনদাস। বিয়ের পরেপরেই চলে যান শ্রীখণ্ডনিবাসী নরসিংহ সরকার ঠাকুর ও রঘুনন্দের কাছে বিদ্যাভ্যাস করতে। জনশ্রুতি, বিবাহিত হয়েও লোচনদাস দাম্পত্যজীবন যাপন করেননি বলে তাঁর স্ত্রী গ্রামের নাম রেখেছিলেন ‘কুগ্রাম’। লোচনদাস তাকে ‘কোগ্রাম’ করেন। এখন সবার আদরের কোঁগা।
গ্রামটি ছোট। ছোট্ট নদী কুনুর কোগ্রামকে দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে বেড় দিয়ে অজয়ে মিশেছে। অজয় এখানে উত্তরবাহিনী। আর কিছুটা প্রবাহিত হয়ে কাটোয়ার কাছে ভাগীরথীতে তার আত্মবিসর্জন। অজয়ের এপারে বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানা, ওপারে বীরভূম জেলার নানুর থানা। ওপার যখন মুখরিত হয়ে উঠত দ্বিজ চণ্ডীদাসের পদাবলী কীর্তনে, এপার তখন অভিভূত হয়ে উঠত লোচনদাসের চৈতন্যমঙ্গল পাঠে।

অজয়ের ধার থেকে খানিকটা দূরে রয়েছে আমবাগান। সেখানেই অবস্থিত কুমুদরঞ্জনের ভিটে। কবির আদিবাড়ি অজয়ের গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর তাঁকে নতুন করে বাড়ি তৈরি করতে হয়েছিল। সে বাড়ি আজও রয়েছে। এই নদ তাঁর সব কিছু কেড়ে নিলেও কবির অনুপ্রেরণার উৎস ছিল এই নদ, এই গ্রাম। তিনি ছিলেন যথার্থই পল্লির কবি। তাঁর জন্যই অজয় বাংলা সাহিত্যে এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে। কবির নামে একটি স্মৃতিরক্ষা কমিটি প্রতি বছর মার্চের প্রথম সপ্তাহে কবিরই আমবাগানে সান্ধ্যবাসরের আয়োজন করে, তাঁর স্মৃতিচারণা হয়।

এই গ্রাম আরও একটি কারণে ঐতিহ্যপূর্ণ। কাটোয়া মহকুমায় যে চারটি সতীপীঠ রয়েছে তার মধ্যে একটি পীঠের অবস্থান এই গ্রামে। একান্ন পীঠের অন্যতম পীঠ দেবী মঙ্গলচণ্ডী বা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে দশভুজা সিংহবাহিনী দেবীমূর্তি রয়েছে। দেবীর পাশে বিরাজ করছেন ভৈরব। ভৈরবের নাম কপিলাম্বর। একই মন্দিরের মধ্যে ভৈরব কপিলাম্বরের পাশে বজ্রাসন বুদ্ধমূর্তির সহাবস্থান আশ্চর্য করে। জনশ্রুতি, শ্রীমন্ত সওদাগর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত চণ্ডী দেবীই কোগ্রামের দেবী মঙ্গলচণ্ডী। এই মন্দিরের উত্তর-পূর্ব কোণে লোচনদাসের শ্রীপাটে তাঁর সমাধি রয়েছে।

এখানে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। উল্লেখযোগ্য হল, পৌষ মাসের সংক্রান্তির দিন অজয় নদে উজানি স্নানকে কেন্দ্র করে বহু পুণ্যার্থীর সমাগম। একটি বড় মেলাও বসে। ওই দিন লোচনদাসের পাটবাড়িতে শুরু হয় লোচন উৎসব ও মেলা। সেখানে বহু আউল-বাউলের সমাবেশ হয় এবং নাম সংকীর্তনে গ্রামটি মুখরিত হয়ে ওঠে। লোচনমেলা কয়েক দিন ধরে চলে এবং বহু ভক্ত সেখানে প্রসাদ পেয়ে থাকেন। মকর স্নান উপলক্ষ্যে অজয়ের তীরের যেখানে মেলা হয় তার নাম খড়গমোক্ষঘাট। এমন অদ্ভুত নামকরণের পেছনে যে প্রবাদটি রয়েছে তা হল, বেতাল বিক্রমাদিত্য ১০৮ জন সন্ন্যাসীকে হত্যা করায় তার হাতের খড়গ হাতেই আটকে যায়। তখন তিনি এই ঘাটে স্নান করার দৌলতে মুক্ত হন। সেই থেকে এই ঘাট ‘খড়গমোক্ষঘাট’ নামে পরিচিত। এখানে স্নান করে পাপ থেকে মুক্ত হওয়ার আশায় আসেন বহু মানুষ। আর একটি দ্রষ্টব্য হল গ্রামের একদিকে কুনুর নদীর ওপর সেতু যা কুমুদ সেতু নামে পরিচিত। অজয় নদের ওপর আর একটি সেতু রয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে লোচনদাস সেতু।

গ্রামটির চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য নয়নাভিরাম। বর্ধমান, কাটোয়া, বোলপুর ও গুসকরা স্টেশন থেকে বাসে আসা যায় নতুনহাট। অন্যদিকে কলকাতা থেকে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে গাড়িতে এলে বর্ধমানের কাটোয়া রোড বা বাদশাহি সড়ক ধরে নরজা, তারপর বাঁদিকের রাস্তায় নতুনহাট।
কাটোয়ায় রাত্রিবাস করে দেখে নেওয়া সুবিধার হবে। রাত্রিবাসের ঠিকানা-– শ্রাবণী, কাটোয়া পুরসভা পরিচালিত, দূরভাষ : ০৩৪৫৩ ২৫৫১৩৫।

কাছেপিঠে আরও নানা জায়গায় বেরিয়ে পড়তে ক্লিক করুন নীচের লাইনে।

পায়ে পায়ে বাংলা

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More