নজরকাড়া রূপসী পেয়েছিলেন বিশ্বের সবথেকে কুৎসিত নারীর খেতাব, সন্তানরা বলেছিল ‘সেরা মা’

বিয়ের বছর সাতেক পর অদ্ভুত এক রোগের শিকার হয়েছিলেন মেরি।

রূপাঞ্জন গোস্বামী

সৃষ্টি লগ্ন থেকেই মানুষ সুন্দরের পূজারী। যা সুন্দর, তাকে সর্বক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয় মানুষ এবং যা সুন্দর নয়, তা হয়ে দাঁড়ায় তাচ্ছিল্য, উপহাস ও অবহেলার বস্তু। তাই বুঝি সৃষ্টি হয়েছিল ‘প্যাহলে দর্শনধারী পিছে গুণ বিচারী’ এবং ‘সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র’ প্রবাদগুলি। সৌন্দর্য হারালে মানুষ হারিয়ে ফেলে অনেক কিছুই। বদলে যায় আশেপাশের মানুষেরা। পালটে যায় সমাজের চাউনি। জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। এর সবথেকে বড় উদাহরণ বুঝি ইংল্যান্ডের মেরি অ্যান বিভান।

লন্ডনের প্লেস্টো এলাকার এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৮৭৪ সালে জন্মেছিলেন মেরি অ্যান। ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সব থেকে সুন্দর দেখতে ছিলেন মেরি। এলাকার সবথেকে সুন্দরী মেয়ে হিসেবে মেরিকে একডাকে চিনত সবাই। অভাবের সংসার সামলানোর জন্য অল্পবয়সে মেরিকে নামতে হয়েছিল উপার্জনের পথে। ১৮৯৪ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালের নার্স হয়ে গেছিলেন কুড়ি বছরের মেরি। অল্পদিনের মধ্যেই হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এমনকি রোগীদেরও মন জয় করে নিয়েছিলেন। রোগীর মাথায় মেরি হাত বুলিয়ে দিলে আশা হারানো রোগীরাও নাকি মনের জোর ফিরে পেতেন।

হাসপাতালে কাজ করার সময় মেরির সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল স্থানীয় যুবক থমাস বিভানের। নিজের ছোট্ট ফার্মে সব্জি ফলিয়ে শহরের বাজারে বিক্রি করতেন বিভান। আলাপ থেকে প্রেম। ১৯০৩ সালে বিয়ে করেছিলেন মেরি ও বিভান। দু’জনে উপার্জন করায় সংসারে অভাব ছিল না। সুখের সংসারে একে একে এসেছিল তিন ছেলেমেয়ে। প্রতি শনিবার কোনও নদীর ধারে পিকনিক করতে যেতেন তাঁরা। রবিবার যেতেন চার্চে। এইভাবেই কেটে যাচ্ছিল মেরি অ্যান বিভানের দিন।

কিন্তু সুখ চিরকালই ক্ষণস্থায়ী

বিয়ের বছর সাতেক পর অদ্ভুত এক রোগের শিকার হয়েছিলেন মেরি। তাঁর সারা শরীরে, বিশেষ করে মাথায় ভীষণ যন্ত্রণা হত। কমতে শুরু করেছিল দৃষ্টিশক্তি। হাসপাতালের ডাক্তাররা বলেছিলেন, ‘অ্যাক্রোমেগালি’ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন মেরি। পরিণত বয়েসে সোমাটোট্রোপিক হরমোনের অত্যধিক ক্ষরণের জন্য এই বিরল রোগটি দেখা দেয়। রোগীর হাত পা ও মাথার খুলির হাড় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। চোয়ালের হাড় বৃদ্ধি পাওয়ায় অস্বাভাবিক লম্বা লাগে রোগীর মুখ। একই সঙ্গে আয়তনে বেড়ে যায় নাক, কান ও ঠোঁট। পুরু হয়ে যায় গায়ের চামড়া। জড়িয়ে যায় কথা। শ্বাসপ্রশ্বাসে দেখা দেয় সমস্যা। মহিলাদের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ঋতুস্রাবের সমস্যাও।

রোগটির প্রায় সব উপসর্গই দেখা দিয়েছিল মেরি অ্যানের শরীরে। কিন্তু তখনকার দিনে এই রোগের চিকিৎসাব্যবস্থা ততটা উন্নত ছিল না। তাই মাত্র তিন বছরের মধ্যে মেরি অ্যান হারিয়ে ফেলেছিলেন তাঁর নজরকাড়া সৌন্দর্য। অ্যালবামে থাকা রূপসী মেরি অ্যানের সঙ্গে বাস্তবের মেরি অ্যানের কোনও মিলই অবশিষ্ট ছিল না। আয়নায় নিজেকে ভয়াবহ লাগত মেরির, তাই অত্যন্ত প্রিয় আয়নাটা ভেঙে ফেলেছিলেন।

সেই নজরকাড়া রূপ হারিয়ে ফেলেছিলেন মেরি অ্যান

অচেনা হয়ে গিয়েছিল চেনা সমাজ

যে রোগীদের কাছে মেরি ছিলেন আশা ভরসার প্রতীক, সেই রোগীরাই তাঁকে দেখে ভয় পেতে শুরু করেছিল। মেরি রোগীদের বিছানার কাছে গেলে রোগীরা ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলত। তাই মেরিকে হারাতে হয়েছিল হাসপাতালের চাকরি। বদলে গেছিলেন মেরির পরিচিত মানুষজনও। মেরিকে দেখে তাঁরা মুখ ঘুরিয়ে নিতেন। অচেনা মানুষরা ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করতেন। ডাইনি, দৈত্য, আরও কত নামে ডাকতেন মেরি অ্যানকে। রাস্তায় বেরোতেই ভয় পেতেন মেরি।

বাধ্য হয়ে নিজেকে একেবারে ঘরবন্দি করে ফেলেছিলেন। কিন্তু ঘরের জানলায় দাঁড়াতে পারতেন না। তাঁকে  একঝলক দেখার অপেক্ষায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকত নির্দয় জনতা। পৃথিবী মেরির বিপক্ষে গেলেও, পাশে ছিলেন স্বামী থমাস। কাজ থেকে ফিরে স্ত্রীকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিতেন। বলতেন, “আমি পাশে আছি, ছেলেমেয়েরা পাশে আছে, বাঁচবার জন্য আর কাকে চাই তোমার?” স্বামীর বুকে মুখ লুকিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতেন মেরি অ্যান।

স্বামী ও ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মেরি অ্যান বিভান

কিন্তু সেটুকু সুখও হারিয়ে গিয়েছিল ১৯১৪ সালে। স্ট্রোকে মারা গিয়েছিলেন স্বামী থমাস। সবথেকে বড় বিপর্যয় নেমে এসেছিল উপার্জনহীন মেরির জীবনে। কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছিল সঞ্চিত অর্থ। স্থানীয় দোকানদারেরা ধারে খাবার দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। চার নাবালক সন্তানকে নিয়ে অনাহারের দরজায় পৌঁছে গিয়েছিলেন মেরি। সন্তানদের লুকিয়ে দেওয়ালে মাথা ঠুকতেন মেরি, ভাবতেন দেখতে সামান্য ভাল হলেও ঠাঁই পেতেন পতিতাপল্লীতে। দেহবেচা পয়সায় পেট চলত তাঁর ও ছেলেমেয়েদের। কিন্তু ঈশ্বর সেটুকু দয়াও মেরিকে করেননি।

অন্ধকারে দেখা দিয়েছিল আশার আলো

সেই সময় আমেরিকার কিছু ব্যবসায়ী ‘ওয়ার্ল্ড’স আগলিয়েস্ট ওম্যান’ নামে এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতেন। প্রতিযোগিতা থেকে জুরিরা বেছে নিতেন, তাঁদের মতে বিশ্বের সবথেকে কুৎসিত মহিলাকে। বিজয়ীর জন্য মোটা অঙ্কের পুরস্কার ছিল। অনাহারে থাকা ছেলেমেয়েদের বাঁচাবার শেষ চেষ্টা করেছিলেন মেরি। একসময়ের নজরকাড়া সুন্দরী মেরি অ্যান হতে চেয়েছিলেন বিশ্বের সবথেকে কুৎসিত মহিলা। দালালের মাধ্যমে পাড়ি দিয়েছিলেন আমেরিকায়। যোগ দিয়েছিলেন সেই নক্কারজনক প্রতিযোগিতায়।

মঞ্চে মেরিকে দেখে বন্যজন্তু দেখার উল্লাসে মেতে উঠেছিল জনতা। সেদিন সবথেকে বেশি বিদ্রুপ ও গালাগালি পেয়েছিলেন মেরি অ্যান। জিতেছিলেন ‘ওয়ার্ল্ড’স আগলিয়েস্ট ওম্যান’ খেতাব। প্রাইজমানি হাতে পেয়ে চোখে জল চলে এসেছিল মেরির। কারণ বহুদিন পরে ছেলেমেয়েদের পেটভরে খাওয়াতে পারবেন। দালালকে তার কমিশন দিয়ে বাকি অর্থ নিয়ে মেরি ফিরে এসেছিলেন ইংল্যান্ডে।

এভাবেই কাগজ ও ম্যাগাজিনে ছাপা হয়েছিল মেরি অ্যানের ছবি

প্রতিযোগিতার পর ইংল্যান্ড ও আমেরিকার প্রায় সব কাগজ ‘ওয়ার্ল্ড’স আগলিয়েস্ট ওম্যান’ মেরি অ্যান বিভানের ছবি ছেপেছিল। মেরির ছবি দেখেছিলেন আমেরিকার ড্রিমল্যান্ড সার্কাসের মালিক স্যাম গামপার্জ। সার্কাসের একটি শোয়ে তিনি হাজির করতেন অদ্ভুতদর্শন মানুষদের। সারা পৃথিবী ঘুরে এই সব মানুষদের জোগাড় করতেন গামপার্জ। তাঁর সার্কাসে ছিল বার্মার লম্বাগলা ‘জিরাফ ওম্যান’, ‘বোর্নিওর বুনো’, আফ্রিকার পিগমি, সরু মাথার মানুষ ‘পিনহেড’, বিশ্বের সবথেকে মোটা মহিলা, লোমশ মানুষ ও আরও কয়েক ডজন অদ্ভুতদর্শন নরনারী। এই শোয়ের জন্য ডাক পেয়েছিলেন মেরি। ১৯২০ সালে তিনি যোগ দিয়েছিলেন ড্রিমল্যান্ড সার্কাসে। আয় বিশাল না হলেও ভরপেট খাওয়াতে পারতেন ছেলেমেয়েদের।

ড্রিমল্যান্ড সার্কাসের সাইডশো দেখার জন্য মানুষের ভিড়

কিন্তু কয়েকবছর পর আগুন লেগেছিল ড্রিমল্যান্ড সার্কাসের তাঁবুতে। প্রচুর টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। কিছুদিনের জন্য বন্ধ রাখতে হয়েছিল সমস্ত শো। বাধ্য হয়ে মেরি যোগ দিয়েছিলেন ‘রিংলিং ব্রাদার্স’ সার্কাসে। আমেরিকার সব থেকে বড় সার্কাসেও একই শো চলত। গ্যালারির মাঝখানে থাকা রিংয়ে চলত সার্কাসের মূল খেলাগুলি। পাশের মঞ্চে একে একে উঠতেন অভাগা অভাগিনীর দল। একসময় লাউডস্পিকারে ঘোষণা করা হত, “আপনাদের সামনে এখন আসছেন বিশ্বের সবথেকে কুৎসিত নারী মেরি অ্যান।” দর্শকদের গগনভেদী চিৎকারে ঢাকা পড়ে যেত সিংহের গর্জনও। অত্যন্ত আঁটোসাঁটো ও উজ্বল রঙের ফ্রক পরে মঞ্চে উঠে, ফ্যাট লেডি ও আর্মলেস ওয়ান্ডারের মাঝখানে বসে পড়তেন মেরি। দর্শকদের বিদ্রুপ ও বিকৃত অঙ্গভঙ্গি মেরিকে আর কষ্ট দিত না। ভাবলেশহীন মুখে বসে থাকতেন মঞ্চে। কারণ মেরি জানতেন, তাঁকে দেখে মানুষ যত বেশি বিকৃত আচরণ করবে সার্কাসে তাঁর চাকরি ততদিনই স্থায়ী হবে। ততদিন চলবে ছেলেমেয়েদের পেট।

মঞ্চে ওঠার অপেক্ষায় মেরি অ্যান বিভান

রোগ আঘাত হেনেছিল শরীরের ভেতরেও

মঞ্চে চড়া আলোয় একটানা বসে থাকতে খুব কষ্ট হত মেরির। সারা শরীর জ্বলত। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হত। চোখ দুটো ঠিকরে বেরিয়ে আসতে চাইত। তখন আরও ভয়ানক দেখাত তাঁকে। দর্শকেরা ভাবতেন মেরি অভিনয় করছেন। আসন ছেড়ে লাফিয়ে উঠতেন আনন্দে। অমানুষিক কষ্ট হলেও মঞ্চ ছাড়ার উপায় ছিল না মেরির। তাই ছেলেমেয়েদের বড় হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনতেন। বড় হওয়ার পর ছেলেমেয়েরা মাকে নিয়ে গেছিলেন বিখ্যাত নিউরো সার্জেন হার্ভে কুশিংয়ের কাছে। চিকিৎসাও শুরু করেছিলেন ডক্টর কুশিং। কিন্তু তখন অনেকটাই দেরি হয়ে গেছিল। মেরির শরীরের অভ্যন্তরীন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ একে একে বিকল হতে শুরু করেছিল।

ছেলেমেয়েরা বুঝতে পারছিলেন মা আর বেশি দিন নেই। সার্কাসের পেশা থেকে মাকে সরিয়ে আনার বহু চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা। কারণ তাঁরা তখন অল্প হলেও উপার্জন করতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু ছেলেমেয়েদের কথা শোনেননি মেরি। অসুস্থতা গোপন করেই উঠতেন সার্কাসের মঞ্চে। পাছে সার্কাসের চাকরিটা চলে যায়। হয়ত মেরি ভাবতেন ছেলেমেয়েদের সামান্য উপার্জনে সংসার চলবে না। নয়ত তিনি দেখতে চেয়েছিলেন, রোগে বিকৃত হয়ে যাওয়া চেহারা দেখে কতদিন হাসতে পারে মানুষ। কতদিন মানবিকতাকে ধর্ষণ করে চলতে পারে এই শো।

শেষের দিকে মঞ্চে বসার জায়গাও পেতেন না মেরি (প্রথম সারিতে বাম দিক থেকে চতুর্থ)

কিন্তু তাঁর কোনও আশাই পূর্ণ হয়নি। ১৯৩৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর, জীবনে সার্কাসের মঞ্চ ছেড়ে চিরকালের জন্য বিদায় নিয়েছিলেন মেরি অ্যান বিভান। মুক্তি পেয়েছিলেন বললে ভুল হবে না। পাঁচদিন পর আমেরিকা থেকে ইংল্যান্ডে ফিরেছিল মেরি অ্যান বিভানের কফিনবন্দি দেহ। ব্রকলে অ্যাণ্ড লেডিওয়েল সমাধিক্ষেত্রে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হয়েছিল ৫৯ বছরের মেরির। ইউরোপ আমেরিকার কাগজগুলি লিখেছিল, “চলে গেলেন ‘ওয়ার্ল্ড’স আগলিয়েস্ট ওম্যান’ মেরি অ্যান বিভান।”

লাঞ্ছিত হয়েছিলেন মৃত্যুর পরও 

হল্যান্ডের চিকিৎসক অটার ডি হার্ডার, ২০০৬ সালে ব্রিটেনের একটি গিফটশপে গেছিলেন। তিনি হরমোন সংক্রান্ত রোগের একজন বিখ্যাত চিকিৎসক। দোকানের একটি কার্ড দেখে চমকে উঠেছিলেন ডক্টর হার্ডার। অভাগিনী মেরি অ্যানকে অত্যন্ত কদর্যভাবে সেই কার্ডে উপস্থাপিত করেছে পৃথিবী বিখ্যাত একটি কার্ড কোম্পানি। চিকিৎসক হয়ে এক ‘অ্যাক্রোমেগালি’ রোগীর এই অপমান মেনে নিতে পারেননি ডক্টর হার্ডার। সঙ্গে সঙ্গে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কার্ড কোম্পানির বিরুদ্ধে। প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে কার্ডটি বাজার থেকে তুলে নিয়েছিল কোম্পানি।

তবে অবাক করার মত মন্তব্য করেছিলেন কোম্পানিটির ম্যানেজার লিলা পালিল্লো। কোম্পানি নাকি জানত না রোগের কারণে রূপ হারিয়েছিলেন মেরি অ্যান। কোম্পানি ভেবেছিল জন্ম থেকেই বিকৃত চেহারা ছিল মেরি অ্যানের। এর জবাব আদালতে সপাটে দিয়েছিলেন ডক্টর হার্ডার। বলেছিলেন, মানুষের দুর্ভাগ্য নিয়ে ব্যবসা করে আপনারা দেখিয়ে দিলেন, মুনাফার জন্য ঠিক কতটা নীচে নামতে পারে আপনাদের মত কর্পোরেট সংস্থাগুলি।

নির্মম সমাজ মেরি অ্যান বিভানকে বিশ্বের সবথেকে কুৎসিত নারীর খেতাব দিলেও, মৃত্যুর পর তাঁর সন্তানেরা বলেছিলেন অসামান্য সেই কথাটি, “ঈশ্বরের দরবারে আমাদের মায়ের জন্য অপেক্ষা করছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পুরস্কার। বিশ্বের সেরা মায়ের পুরস্কার। প্রতিনিয়ত মানসিকভাবে ধর্ষিত হতে হতেও যাঁর পাখির চোখ ছিল তিনটে কচি পেট।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More