হাড়ের বাঁশি (নবত্রিশ পর্ব)

0

কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস আজ তিরের ফলার মতোই তীব্র। থেকে থেকেই বাড়ছে বৃষ্টির গতিবেগ। কার্তিক মাসের গভীর রাত্রি। শুনশান রাস্তাঘাট। ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলো ঘিরে ধরেছে অশান্ত বাতাস আর জলকণারা। ফ্যাকাশে, নিরালম্ব এক কুয়াশার মতো আলোয় ঢেকে আছে চরাচর। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না কিছুই। ঘন শ্লেট রঙের মেঘে মোড়া আকাশ। শুধু মাঝে মাঝে রুপোলি বিদ্যুতের রেখা ছিঁড়ে দিচ্ছে সশব্দে মেঘের চাদর। ক্ষণিকের জন্য উজ্জ্বল হয়ে উঠছে পথঘাট। পরমুহূর্তেই নেমে আসছে অস্পষ্ট ছায়া। দুপাশের বাড়িগুলোও সেই কোন যুগ থেকে ঘুমিয়ে রয়েছে। যেন কোনও মৃতের রাজ্য। মকদুমপুর মোড় জনমানবহীন। একটা কুকুর অবধি নেই। খাঁ খাঁ করছে অতুল মার্কেট। কোনওদিন যেন এখানে মানুষের বসতি ছিল না। গৌড় রোডের মোড়ে যে পান-দোকান প্রায় মধ্যরাত পার করেও খোলা থাকে, সেটিরও আজ ঝাঁপ ফেলা। দোকানের করগেটের ছাদে শুধু ধেয়ে আসা বৃষ্টির জলের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এমনিই মালদার এসব অঞ্চলে শীত কিছুটা বেশি পড়ে। আজ ভিজে বাতাসের দাপট পৌষ মাসের রাত্রিকেও হার মানাচ্ছে। গরম বিছানার ওমে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন গৌড় জনপদবাসী।

শুধু একজন দীর্ঘদেহী মানুষ হেঁটে চলেছেন গৌড় রোড ধরে। একটা নীল আলখাল্লার মতো পোশাক পরনে। একমুখ সাদা দাড়ি। চুলে জটা। কালো তিলক প্রশস্ত কপালে। বৃষ্টি আর হাওয়ায় এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে মানুষটির আলখাল্লা। সারা শরীর ভেজা অশান্ত জলধারায়। কিন্তু মানুষটি নির্বিকার। দৃষ্টি স্থির। চোখদুটো কেমন যেন ঘোলাটে। অস্বচ্ছ। এমন দুর্যোগের রাতে কোন এক অজানা লক্ষ্যে তিনি হেঁটে চলেছেন। দ্রুত তাঁর গতি। অনেকটা যেন হাওয়ায় ভেসে চলেছেন। এত দ্রুত কোনও মানুষের পক্ষে হাঁটা প্রায় অসম্ভব। তিনি মালদা শহর পার হয়ে পিয়াসবাড়ির দিকে চলেছেন। আরও কিছুটা এগোলেই দাখিল দরওয়াজা। গৌড়বঙ্গ। নিস্তব্ধ চরাচর। হু হু বইছে হাওয়া বাতাস। কবেকার পুরনো সব কবরের অন্ধকার থেকে ভেসে আসছে হয়তো ওই বাতাস। মৃতের গন্ধমাখা শীতল স্পর্শ বয়ে আনছে।মানুষটি এগিয়ে চলেছেন ৮৯২ হিজরি সনের দিকে। শাহাজাদা বারবাক এই বছরই জালালুদ্দিন ফতে শাহকে হত্যা করে গৌড়ের সিংহাসনে বসেছেন। হাবসী রাজত্ব শুরু হয়েছে। বারবাক জালালুদ্দিনের শাহি ইমারতের রক্ষীপ্রধান। এক রাত্রে ধারালো তরবারির কোপে খুন করে এখন সুলতান। নিজেকে বলে সুলতান শাহাজাদা। অসম্ভব নিষ্ঠুর। গোপনে আজ রাত্রেই তাঁকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেছে সৈফুদ্দিন ফিরোজ শাহ। বিষ প্রয়োগ করা হবে। ছুরিকার অগ্রে সামান্য বিষ। অতি তীব্র ও অমোঘ এক বিষ। সেই বিষ নিয়ে চলেছেন আলখাল্লা পরা মানুষটি। খ্রিষ্টপূর্ব ২৮০ অব্দে চাণক্যকে ওই বিষের ব্যবহার শিখিয়েছিলেন মানুষটি। হাজার হাজার বছর ধরে ইতিহাসের বিভিন্ন বাঁকে বিষ প্রয়োগের কৌশল শিখিয়ে চলেছেন ওই অলৌকিক মানুষ।
বিষবাহক পুরুষ, বিষপুরুষ এগিয়ে চলেছেন। হাতে তাঁর তীব্র বিষের পাত্র। হাওয়ায় ভেসে ভেসে। স্থির দৃষ্টি। মৃত চোখের পলক।

 

এই উত্তরদেশ থেকে দক্ষিণে চোখ ফেরালে রাঢ় দেশের আরও পশ্চিমে এড়োয়ালি গ্রাম, স্থানীয় মানুষের মুখে, এরুল। রাঢ়দেশের গ্রাম যেমন হয় ঠিক তেমনই। কাঁকড় মেশানো লাল মাটি, খেতের এঁটেল জমি, রুখু বাতাস। আলু, সর্ষে, আখ, মোটা চালের ধান ফলে জমিতে। শক্ত মাটি হালের বলদ মুখে ফেনা তুলে নিড়াতে থাকে। তিন ফেরতা হাল চষলে তবে মাটি নরম হয়। স্যালো পাম্পের জল ভেজাতে হয় তখন সে-মাটিকে। একহাত ভেতরে ঢোকে হাল। ভুসভুস করে জমি। ক্লান্ত ঘামে ভেজা নারানের মুখে হাসি ফোটে। বীজ ছড়ায়। আলের ধারে গামছার পুঁটলি থেকে মোটা মোটা সাদা মুড়ি বের করে সানকিতে ঢালে। নালার পরিস্কার জল ছিপছিপ করে ছেটায়। ছাঁচি পেঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা, কোনওদিন একটু আখের গুড় দিয়ে গোগ্রাসে গিলতে থাকে। বাড়ি থেকে মুড়ি, পেঁয়াজ, লঙ্কা নিয়ে মাঠে আসে নারানের মেয়ে বাসনা। সোমত্ত মেয়ে। বিয়ের বয়স হয়েছে। দেখাশোনাও চলছে। সাইকেল পণ দিতে হবে পাত্রকে। দুখান কাঁসার বগি থাল, বালতি, ঘড়া, টেবিল ফ্যান,একখান হাতঘড়ি। পাত্র সাঁইথিয়া-বহরমপুর রুটে বাস চালায়। উপরি ভালোই জোটে। দেখতে শুনতেও ভালো। তারপর গাঁয়ের দু-চার লোক খাওয়াতে হবে বিয়ের রাতে। গিঁটলের তরকারি, খ্যাসারির ডাল, আলু-বেগুন-মুলোর টক, সিলভার কার্প মাছের ঝাল আর একটা করে লাল মোটা দানার চিনি ছড়ানো চমচম। সব মিলিয়ে ভালোই খরচ। চিন্তায় রাতের ঘুম নাই নারানের। মণ্ডলদের জমি ভাগে চাষ করে। এককাঠা জমির ওপর খোড়ো চালের বাড়িটা শুধু নিজের। মহাজনের কাছে বাঁধা দেবে? আবার ভাবে, যদি ছাড়াতে না পারে। বাপের ভিটে। সনঝেবেলায় প্রদীপ জ্বলে তুলসীতলায়। কার্ত্তিক মাসে একঠেঙে বাঁশের ওপর আকাশ প্রদীপ আলো দেয় সারারাত। বাপ ঠাকুর্দা তৃপ্তি পায়। কবে মরে হেজে গেছে সব। তবুও কি তারা নেই কোথাও? বাপ মরার আগে বলে গেছিল
—চাষার ব্যাটা তু, জমি ভিটে হল নক্ষী, শতেক অভাবিতে বেচবি লায় কিছু।

চোত মাসে যখন ধূ ধূ বাতাস উড়ে আসে ওই দূরের হাওড় থেকে, গাঁয়ের বাইরে ভৈরবের থানে গাজনের ঢ্যাং ঢ্যাং ঢাক বাজে, গভীর রাতে মড়া খেলাতে জোটে সব গেঁজেল কাপালিকের দল, নারাণ মনে মনে মানত করে

—হুই বাবা ভৈরব, বাসনার বিয়াটো লাগাই দাও ঠাকুর। মরা খেলায় আসছি বচ্ছর মদের ট্যাহা দিব গো।

বাবা ভৈরব শোনেন কিনা সে-কথা কে জানে! কোন শ্মশানে নদীর পার থেকে তুলে আনা কাঁচা ছেলের লাশ নিয়ে তখন সাধুদের দল মড়া চালাতে শুরু করে। দিশি মদ আর গাঁজার গন্ধে ম ম করে ভৈরবের থান। চোত মাসের নিশুত রাত। শুকনো আকাশে হেলে শুয়ে থাকে কালপুরুষ। চকচক করে শিকারি কুকুর লুব্ধকের চোখ। ধুনি থেকে আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে যায় শুখা বাতাসে। চড়চড় করে কাঠ ফাটার শব্দ।ভৈরবের থান থেকে একটু এগোলেই মায়ের থান। গাঁয়ের একবারে বাইরে। তারপর আর কোনও বসত নাই। খাঁ খাঁ মাঠ। কতগুলো মাটির গাধা সাজানো থাকে। একখানা সিঁদুর লেপা ঘট। কবেকার পুরনো একখানা হাঁড়িকাঠ। গাঁয়ের বউ-ঝিরা কেউ পুজোও করে না। শুধু ছায়া ফেলে দাঁড়িয়ে থাকে প্রকাণ্ড এক পাকুড় গাছ। একটু দূরে আশশ্যাওড়ার জঙ্গল। উদাস হাওয়ায় টুপটাপ পাকুড়ের শুকনো হলদে পাতা ঝরে পড়ে মায়ের থানে। দু একখান পাকা ফল। কার্ত্তিকের পড়ন্ত সোনা রঙের আলোয় কেমন মাথা ভারী করা জংলা গন্ধ পাক খেয়ে ওঠে। চোত মাসে শুকনো বাতাস বয়ে যায় ভর দুপুরবেলায়। নারান মানত করে মায়ের থানেও, বাসনার বিয়ের জন্য। যখন গভীর রাতে ফি শনিবার মায়ের থান থেকে খটখট ঘোড়ার খুরের শব্দ শোনা যায়। গাঁয়ের লোক বলে, মা নাকি ঘোড়ায় চড়ে গাঁয়ের চারপাশ ঘুরে ঘুরে পাহারা দেন। গণ্ডি কেটে বসন্ত, কলেরা, সান্নিপাতিক জ্বর বেঁধে রাখেন। আতপ চালের গন্ধ ভাসে তখন বাতাসে। কালীপুজোর রাতে হাজার হাজার ছাগল বলি হয় ওই মায়ের থানে। লাল রক্তে ধুলো ভিজে যায় পথের। সবাই সবাইকে রক্তে স্নান করায়। এরুলের মহাকালী পুজো।

ভৈরবের থানের সামনে মাটির ঢিপির ওপর পোঁতা সিঁদুর আর তেলে লেপা লোহার ত্রিশূল রয়েছে। পাশে একখানা খোড়ো চালের মাটির দাওয়া।
বাবা কালিকানন্দের সাধনপীঠ। প্রৌঢ়া ভৈরবী উমা মায়ের সঙ্গে তার সংসার। চালের ওপর শীতের কচি লাউয়ের মাচা। দুপুর গড়ালে দাওয়ার সামনে কাঠের উনোন জ্বেলে রান্না বসায় ভৈরবী। যেদিন যেমন সিধে দিয়ে যায় গাঁয়ের লোক। ঘরের কুমড়ো, আলু, নরম ডাঁটো বেগুন, পাঁচমেশালি মোটা চাল, খেসারির ডাল।শনি মঙ্গলবারে হয়তো কারোর পুকুরের একখান বোয়াল বা রুই। ভৈরবের থানে ভোগ চড়ে।

বাঁজা মেয়েমানুষকে তাবিজ মাদুলি দেয় কালিকানন্দ। খেতে ফসল না হলে ভূমি পুজো করে। অশৈলী কাণ্ড ঘটলে কারোর ভদ্রাসনে বাড়ি বেঁধে দিয়ে আসে। সোমত্ত মেয়েছেলে এলোচুলে পুকুরে নাইতে গিয়ে ভর উঠলে ঝেড়ে দেয়। সে মেয়ের তখন গায়ে অসুরের বল, সাতমণ ভারী লোহার বালতি দাঁতে করে টেনে নিয়ে যেতে পারে। মুড়ে ঝাঁটা আর সর্ষেপোড়া ওষুধ। আঁতুরে বাচ্চা ককিয়ে কেঁদে উঠলে রাতবিরেতে গাঁয়ের লোক ছুটে আসে। জলপড়া নিয়ে ফিরে যায়। সেরেও যায় তারপর। সান্নিপাতিক, ‘মায়ের দয়া’র গুহ্য ওষুধ আছে কালিকানন্দের কাছে। হাত দেখা, কোষ্ঠী বিচার, মাঙ্গলিক কাটানোর মাদুলি, শনির সাড়েসাতি দশার পাথর-সেসবও আছে। এই করেই কটা টাকা আসে ঘরে। নুন তেলের খরচ ওঠে। ভৈরবীর দুখান বছরে শাড়ি হয়, মোটা সুতোর লালপেড়ে শাড়ি। নিজের ধুতি, ফতুয়া। বাংলা মদের বোতল। দু পুরিয়া গাঁজা। ভৈরবী ঝাল ঝাল করে ছোলা সেদ্ধ করে দেয়। সূয্যি পাটে বসলে সেসব তখন বাবার প্রসাদ।কিন্তু এসবের পসার আর খুব বেশিদিন নেই, জানে কালিকানন্দ। খাঁ খাঁ দুপুরে কোনও কোনওদিন দাওয়ায় বসে সে কথাই ভাবে। এলোঝেলো বাতাস ধেয়ে আসে শূন্য চরাচর থেকে। চোখের তলে কালি। বয়স থাবা বসিয়েছে চামড়ায়। কপালে বলিরেখা। বংশী মণ্ডল নামটা কবেই যেন চাপা পড়ে গিয়েছে কালিকানন্দের আড়ালে। দুবার ফেল করে সেই কোন কিশোর বয়সে ঘর ছেড়েছিল। তারপর নানা ঘাটের জল। শ্মশানে মশানে গাঁজার ঠেকে সাধুদের সঙ্গে লেগে থাকত। মলুটি গাঁয়ের কাছে দেখা মেলে একদিন বাবা সনাতন অবধূতের। তখন বংশীর যৌবনকাল। দেহে অসুরের বল। তা অবধূত দিয়েছিল মহাবীজমন্ত্র কানে। নিশুত রাতে চক্রে নিয়েও বসেছিল একদিন। দুজন সাধু আর তাদের দুজন ভৈরবী। প্রৌঢ় শরীরে অবধূতের জোর দেখে হাঁ হয়ে গেছিল বংশী। সোমত্ত ডাঁটো ন্যাংটা যুবতিকে কোলে তুলে একই আসনে চার পাঁচ ঘন্টা। তাও নাকি রেতঃপাত হয় না! বংশী দেখছিল শুধু ওই যুবতির ন্যাংটা শরীর। উঁচু উঁচু বুক। কালো পাথর কাটা কোমর। শরীরের খাঁজ। মৃদু প্রদীপের আলোয় ঘামে ভেজা দেহ। একরাশ কালো ঘন খরস্রোতা নদীর মতো চুল। কপালে গলে যাওয়া সিঁদুরের ফোঁটা। শীৎকার ধ্বনিতে মুখরিত রাত্রি। শক্ত হয়ে গেছিল বংশীর নিজের যন্ত্র।

সেই মেয়ের নাম ছিল শঙ্করী। বাগদিদের মেয়ে। কোথা থেকে ফুঁসলে নিয়ে পালিয়ে এসেছিল অবধূত। তাকে নিয়ে একদিন ভেসে পড়ল বংশী। আশনাই হল। আজকের উমা নামের তলে চাপা পড়ে গেল শঙ্করী। এদিক ওদিক সাতঘাটের জল খেয়ে আজ এই ভৈরবের থানে ঘর বাঁধা। শঙ্করীর শরীরের বাঁধন নষ্ট হল। কাল থাবা বসাল দেহে। তবুও আশনাই কী মরে! আজও যখন চান সেরে গলা তুলে সুর তোলে, মাঠ থেকে ছুটে আসে বিবাগী বাতাস, “বড় ধূম লেগেছে হৃদিকমলে”, বংশী জেগে ওঠে। শিরশির করে ওঠে শরীর। রাইকিশোরির মতো লাগে বাগদিদের শঙ্করীকে। বীজমন্ত্র কবেই ভুলে গেছে। জপেও বসেনা কতকাল। শুধু প্রেম সম্বল করেই কেটে যায় দিন। সেও কি একরকমের পুজো নয় ? শুধু ভাবে সে মনে গেলে কী হবে শঙ্করীর। পুকুর ঘাটে একদিন বুকে চাপ ধরে অজ্ঞান হয়ে গেছিল। বলেনি কাউকে। ভৈরবকে মনে মনে বলে, ‘কিছুই তো পারিনি সারাজীবন। তুমি শঙ্করীকে দেখো বাবা’।

দুপুর গড়িয়ে আসে। পৌষ মাসের হলদে আলো চরাচরে।প্রকাণ্ড এক অশ্বত্থ গাছ ছায়া ফেলে দাঁড়িয়ে আছে দাওয়ার পাশে। অনেকদিনের পুরনো ঝুড়ি নেমেছে গা বেয়ে। রোদ্দুর পাতার ফাঁকফোকর গলে নেমে এসে আলোর জাফরি তৈরি করছে ধুলো মাটির ওপর। উদাসী বাতাস বয়ে আসে কোথা থেকে। কে যেন বলে যায়, বড় ধূম লেগেছে হৃৎকমলে!

          চিত্রকর: শুভ্রনীল ঘোষ                                  পরের পর্ব :  পরবর্তী শনিবার

সায়ন্তন ঠাকুর, গদ্যকার, সরল অনাড়ম্বর একাকী জীবনযাপনে অভ্যস্ত। পূর্বপ্রকাশিত উপন্যাস নয়নপথগামী ও শাকম্ভরী। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, বাসাংসি জীর্ণানি।

 

হাড়ের বাঁশি (অষ্টত্রিংশতি পর্ব)

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.