তৃণমূল ছেড়ে যাওয়ারা ফিরতে চাইলে? মমতা বললেন, ওয়েলকাম

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের ফল ঘোষণার আগে অনেক আলোচনা চলেছে। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ বলেছেন, তৃণমূল যদি কান ঘেঁষেও সরকার গড়ে তাও ক’দিন তা ধরে রাখতে পারবে বলা মুশকিল! কারণ সরকার ভাঙার ব্যাপারে বিজেপির স্ট্রাইক রেট দুরন্ত!

কিন্তু ভোট ঘোষণার পর দেখা গেছে মমতা একাই ২০০ পার করে হইহই করে সরকারে ফিরেছেন। সমীকরণ বদলে গেছে। তারপর আজ সোমবার দুপুরে তৃণমূল ভবনে রওনা হওয়ার আগে কালীঘাটের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করা হয়, যাঁরা দলবদল করেছেন তাঁরা ফিরতে চাইলে নেবেন? জবাবে মমতা বলেন, “কেউ আসতে চাইলে আসুক না। ওয়েল কাম!’

ছোট্ট উত্তর। কিন্তু অনেকে মনে করছেন এটি বিরাট অর্থবহ। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে যাঁরা ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন তাঁদের বেশিরভাগই হেরেছেন। সিঙ্গুরে মাস্টারমশাই, ডোমজুড়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বালিতে বৈশালি ডালমিয়া, উত্তরপাড়ায় দিদির চার দশকের ঘনিষ্ঠ প্রবীর ঘোষাল, বীজপুরে মুকুল রায়ের ছেলে শুভ্রাআংশু রায়, ব্যারাকপুরে শীলভদ্র দত্ত, নোয়াপাড়ায় সুনীল সিং—কে নেই!

ভোটের আগে প্রচারে দিদি এঁদের প্রত্যেককেই গদ্দার, বেইমান, মির্জাফর ইত্যাদি বলেছিলেন। কিন্তু ভোটের পর তাঁদের প্রতিই যেন নরম মনোভাব দিদির। তাহলে কি সত্যিই দিদি তাঁদের স্বাগত জানালেন? তাঁরাও কি আসবেন দিদির দরবারে?

কথায় বলে, রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প। কখন কী হয় বোঝা যায় না। হতে পারে দিদি তাঁদের দলে ফেরার বিষয়ে স্বাগত জানিয়ে বিজেপিকে আরও দুর্বল করার সলতে পাকিয়ে রাখতে চাইলেন।

ভোট প্রচারেই একবার দিদি বলেছিলেন, শুভেন্দুর মতো মুকুল অতটা খারাপ না। বেচারাকে কৃষ্ণনগরে দাঁড় করিয়েছে। ফল প্রকাশের পর দেখা গেল মুকুল রায় জিতলেও তাঁর ছেলে হেরে গিয়েছেন।
দিদি কারও নাম করেননি। শুধু দরজাটা খুলে দিলেন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More