নন্দীগ্রামে জিতলেন মমতাই, কঠিনতম লড়াইয়ে পরাস্ত শুভেন্দু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ শুধু ভোট নয়, একেবারে রোমহর্ষক লড়াই। নন্দীগ্রামে সেই হাইভোল্টেজ নির্বাচনে শেষমেশ জিতলেন দিদিই।

শুভেন্দু অধিকারীকে ১২০০ ভোটে পরাস্ত করে জয়ের হাসি হাসলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সকাল থেকে ছবিটা ছিল অন্যরকম। একের পর এক রাউন্ডের গণনা হচ্ছে, দেখা যাচ্ছিল শুভেন্দু এগিয়ে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু। একটা সময় মমতার থেকে সাত হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে গিয়েছিলেন শুভেন্দু।

কিন্তু কালীঘাটের বাড়িতে বসে ঘনিষ্ঠ মহলে নির্লিপ্ত মমতা বলেছিলেন, ওটা প্রথম দিকের ফল। শেষ গণনা শেষ হলে আমিই জিতব। দুপুর বেলার পর থেকেই খেলা যেন ঘুরতে শুরু করে। ফাইনাল হুইসেল বাজার পর দেখা গেল রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর মমতাকে বিধায়ক করল নন্দীগ্রাম।

সেই জানুয়ারি মাস থেকেই বাংলার ভোটের এপিসেন্টার হয়ে উঠেছিল নন্দীগ্রাম। ১৮ জানুয়ারি তেখালির মাঠে দিদি জনসভা করতে গিয়ে বলেছিলেন, “আমি যদি এবার একটু নন্দীগ্রামে দাঁড়াই কেমন হয়!” উল্লাসে ফেটে পড়েছিল মাঠ।

সেই বিকেলে মমতার বাড়ির কার্যত দোরগোড়ায় রোড শো শেষ করে বক্তৃতা করতে উঠে শুভেন্দু বলেছিলেন, নন্দীগ্রামে মাননীয়াকে হাফ লাখ ভোটে হারাব। আমি দাঁড়াই আর যেই দাঁড়ান।

বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে দেখা যায় শুভেন্দুকেই হলদি নদীর তীরে প্রার্থী করেছেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরা।

কিন্তু একটা জল্পনা ছিল, দিদি আর দ্বিতীয় কেন্দ্র থেকে দাঁড়াবেন কিনা। এমনকি প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সময় হেঁয়ালি করে মমতা বলেছিলেন, আমি টালিগঞ্জেও দাঁড়াতে পারি। কিন্তু মমতাকে চাপে ফেলার কৌশল নেয় গেরুয়া শিবির। নেতাদের গণটুইট আছড়ে পড়ে। সকলেই বলেন, মমতাকে একটা কেন্দ্রেই দাঁড়াতে হবে। দেখা যায় দিদি একটি কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন একুশের ভোটে। আর সেই কেন্দ্র থেকেই জিতলেন। জিতেই ছাড়লেন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More