ভারতে গাঁটছড়া বাঁধছে হোয়াটসঅ্যাপ ও জিও, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা জুকারবার্গ-আম্বানির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হোয়াটসঅ্যাপ এবং জিও একসঙ্গে হাত ধরলে তা যে ভারতে বিশাল প্রভাব ফেলবে, এ কথা অনেকেই আন্দাজ করেন। এবার সে নিয়েই ভার্চুয়ালি আলোচনা করলেন ফেসবুক সংস্থার কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গ এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি।

আজ, মঙ্গলবার ফেসবুক ‘ফুয়েল ফর ইন্ডিয়া ২০২০’ ভার্চুয়াল ইভেন্টে এই আলোচনায় আম্বানি মার্ক জুকারবার্গকে বলেন, ‘‘ভারতে আপনি আরও বেশি কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, এমনটাই আশা করব৷” আম্বানি আরও জানান, বিশ্বের বাকি দেশগুলি ভারতের এই নীতি থেকে নতুন কিছু শিখতে পারবে বলে আশা করেন তিনি।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষের তরফে এ বছরের এপ্রিল মাসেই ঘোষণা করা হয়েছিল, জিও প্ল্যাটফর্মে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে তারা৷ এই প্রথম ভারতের কোনও সংস্থায় এই বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মার্ক জুকারবার্গ ৷

সেই মচেই মুকেশ আম্বানির রিলায়্যান্স জিও-য় কয়েকমাস আগেই এই বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করেছে জুকারবার্গের ফেসবুক। এই নিয়ে একটি বিবৃতিও দেন জুকারবার্গ নিজে, বলেন, “জিওর সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতে বিনিয়োগ করছি আমরা। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করতে চলেছি, যাতে ভারতবাসীর সামনে আরও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি হয়।”

ভারতের একটা বড় অংশের মানুষ কোনও না কোনও ভাবে ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গে যুক্ত, একথাও জানিয়েছিলেন জুকারবার্গ। তাঁদের মধ্যে অনেক প্রতিভাবান উদ্যোগপতিও রয়েছেন বলে বিশ্বাস তাঁর। তিনি মনে করেন, ভারত ডিজিটাল পরিবর্তনের মাঝপথে পৌঁছে গিয়েছে। আর এই উন্নতিতে জিওর মতো সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বহু ভারতবাসীর ব্যবসায়িক যোগাযোগ ঘটিয়েছে জিও। আর এই ব্যবসাগুলিই দেশের অর্থনীতিকে পোক্ত করতে সাহায্য করেছে, এমনটাই মনে করেন জুকারবার্গ।

এই সমস্ত দিক বিচার করেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন, এই উন্নতিকল্পে জিওর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার। আজকের ভার্চুয়াল আলোচনায় জুকারবার্গ আম্বানিকে বলেন, “আমাদের সঙ্গে আপনারা হাত মিলিয়েছেন, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More