‘আকাল’ করোনা ভ্যাকসিনের, সোমবার পর্যন্ত মুম্বইয়ে সব বেসরকারি কেন্দ্র বন্ধ, বিজ্ঞপ্তিতে বিএমসি বলল, ‘সরি’

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশে করোনা ভ্যাকসিনের সঙ্কট নেই, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন দাবি করছেন। কিন্তু ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাজ্য ঘাটতির কথা জানিয়ে কেন্দ্রের কাছে অবিলম্বে ভ্যাকসিন চেয়ে পাঠিয়েছে। সবচেয়ে সরব মহারাষ্ট্র। শুক্রবার রাতেই মুম্বইয়ের সব ভ্যাকসিন টিকাদানের কেন্দ্র ১২ এপ্রিল সোমবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা(বিএমসি)। কারণ ভ্যাকসিন নেই। নতুন স্টক এলেই আবার শুরু হবে ভ্যাকসিন প্রদান। তবে পুরসভা ও সরকারি কেন্দ্রগুলিতে টিকাদান যথারীতি চলবে বলে তারা জানিয়েছে। তবে সাপ্তাহিক লকডাউনের কারণে সময়সীমার অদলবদল ঘটেছে। ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য লোকজন ঘরের বাইরে বেরনোর অনুমতি পাবেন। শনিবার ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে বেলা ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। রবিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
বিএমসি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, প্রিয় মুম্বইকররা, ভারত সরকারের কাছ থেকে স্টক না পাওয়ায় কয়েকটি ভ্যাকসিন প্রদান কেন্দ্রে ভ্যাকসিনের অভাব রয়েছে। তবে সব কেন্দ্রে শীঘ্রই ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হওয়া উচিত। আমরা এই অসুবিধার জন্য দুঃখিত, আপনাদের পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে আপডেট দেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, দেশের কোথাও ভ্যাকসিনের ঘাটতি নেই। কেন্দ্রের তরফ থেকে কোথায় কত আছে, তা পরিচালনা করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, ওড়িষা সহ একাধিক রাজ্য কেন্দ্রের কাছে আরও ভ্যাকসিন চেয়েছে। কিছু ডোজ ট্রানজিটে বা সরবরাহের স্তরে আছে। তবে ভ্যাকসিন সেন্টারগুলির প্রধানরা বলছেন, দৈনিক ভ্যাকসিন নেওয়ার লোকের সংখ্যা বাড়ছে বলে ভ্যাকসিনের চাহিদা কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছে না। চলতি স্টক ফুরনোর আগেই তাদের কাছে নতুন স্টক এসেছে এতদিন। এই প্রথম ভান্ডারে না থাকায় ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়াই বন্ধ রাখতে হয়েছে।
মুম্বইয়ে ৭১টি বেসরকারি ক্লিনিক সহ প্রায় ৯০টি কেন্দ্র ভ্যাকসিনের অভাবে বন্ধ করে দিতে হয়।
গত বুধবার মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপে রাজ্যে ভ্যাকসিনের ঘাটতির বিষয়টি তোলেন, যা থেকে কেন্দ্র, রাজ্য বিবাদ শুরু হয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্যগুলি অতিমারী সামাল দিতে ব্যর্থতা ঢাকতে কেন্দ্রকে দোষ দিচ্ছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More